০৪:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬
মোদির অজেয়তার মিথ ভাঙছে, নাকি ভারতীয় গণতন্ত্রের নতুন জাগরণ? বিষাক্ত উলফসবেইন ও লার্কস্পার ফুলেই নতুন ওষুধের সম্ভাবনা, ব্যথা-ক্যানসার-ম্যালেরিয়া চিকিৎসায় আশার আলো আগস্টে আকাশজুড়ে মহাজাগতিক বিস্ময়: দুই গ্রহণ, পারসিড উল্কাবৃষ্টি ও বিরল গ্রহ-চাঁদের যুগল দৃশ্য মিশরে ভোররাতে ৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্প, কাঁপল কায়রোসহ বিস্তীর্ণ এলাকা যুদ্ধ জেতার চেয়েও কঠিন: ইরান সংঘাতের শেষ কোথায়? ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস: রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেটে সতর্কতা, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাব অব্যাহত শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে মহারশি নদীর ভাঙন: এক দশকে ঘরহারা ৫০০ পরিবার, স্থায়ী সমাধানের অপেক্ষায় ৪৮.৬৪ কোটি টাকার প্রকল্প সিলেটে হামের উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, বিভাগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১৬ বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থায় রাজনৈতিক ঐক্য ও সামাজিক স্থিতিশীলতা জরুরি: চীনের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে হামের চিকিৎসা ব্যয়ে ঋণগ্রস্ত ৮৯% পরিবার, গড় খরচ ১৬ হাজার টাকা: বিডিআরসিএস-আইএফআরসি

আম্মা ক্যান্টিনে খাবারের মান বাড়াতে বড় উদ্যোগ, অবকাঠামো উন্নয়নের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের

তামিলনাড়ুর জনপ্রিয় আম্মা ক্যান্টিনগুলোর খাবারের মান ও পরিষেবা আরও উন্নত করতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয় রাজ্যের সব আম্মা ক্যান্টিনের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং উন্নত মানের খাবার নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

সরকারি এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন জায়গা থেকে অভিযোগ উঠেছিল যে কিছু ক্যান্টিনে খাবারের স্বাদ ও মান সন্তোষজনক নয়। সেই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে মুখ্যমন্ত্রী দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন।

খাবারের মান উন্নয়নে জোর

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দপ্তরের সচিবদের সঙ্গে আলোচনা করে ক্যান্টিনগুলোর প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দ্রুত রান্নার সরঞ্জাম কেনা এবং নিয়মিত সুস্বাদু ও মানসম্মত খাবার পরিবেশনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া যাতে পরিষেবায় কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটে, সেদিকেও বিশেষ নজর রাখতে বলা হয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে।

পুরনো প্রকল্পে নতুন গতি

আম্মা ক্যান্টিন প্রকল্পটি প্রথম চালু হয় ২০১৩ সালে। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জে জয়ললিতার উদ্যোগে শুরু হওয়া এই প্রকল্প সাধারণ মানুষের মধ্যে দ্রুত জনপ্রিয়তা পায়। খুব কম দামে খাবার দেওয়ার কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের কাছে এটি বড় সহায়তা হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠে।

এই ক্যান্টিনগুলোতে এক থেকে পাঁচ রুপির মধ্যে খাবার পাওয়া যায়। বিশেষ করে করোনাভাইরাস মহামারির সময় লকডাউনের মধ্যে হাজার হাজার মানুষের জন্য এই ক্যান্টিন ছিল বড় ভরসা।

সরকারি কল্যাণ প্রকল্প চালিয়ে যাওয়ার বার্তা

মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের এই সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিকভাবেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ তিনি আগেই জানিয়েছিলেন, আগের সরকারগুলোর কিছু জনকল্যাণমূলক প্রকল্প চালিয়ে যাবে তার সরকার। আম্মা ক্যান্টিন উন্নয়নের এই উদ্যোগ সেই প্রতিশ্রুতিরই অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সরকার জানিয়েছে, ক্যান্টিন সংস্কার ও নতুন সরঞ্জাম কেনার খরচ করপোরেশন ও পৌরসভার সাধারণ তহবিল থেকে বহন করা হবে।

তামিলনাড়ুতে সাধারণ মানুষের জন্য স্বল্পমূল্যে খাবার নিশ্চিত করতে আম্মা ক্যান্টিনের এই আধুনিকায়ন উদ্যোগ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর সবার।

সি বিজয় ক্যান্টিন উন্নয়ন উদ্যোগে তামিলনাড়ুতে আম্মা ক্যান্টিনের খাবারের মান ও অবকাঠামো উন্নয়নের নির্দেশ দিল সরকার।

জনপ্রিয় সংবাদ

মোদির অজেয়তার মিথ ভাঙছে, নাকি ভারতীয় গণতন্ত্রের নতুন জাগরণ?

আম্মা ক্যান্টিনে খাবারের মান বাড়াতে বড় উদ্যোগ, অবকাঠামো উন্নয়নের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের

০৮:৩১:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

তামিলনাড়ুর জনপ্রিয় আম্মা ক্যান্টিনগুলোর খাবারের মান ও পরিষেবা আরও উন্নত করতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয় রাজ্যের সব আম্মা ক্যান্টিনের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং উন্নত মানের খাবার নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

সরকারি এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন জায়গা থেকে অভিযোগ উঠেছিল যে কিছু ক্যান্টিনে খাবারের স্বাদ ও মান সন্তোষজনক নয়। সেই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে মুখ্যমন্ত্রী দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন।

খাবারের মান উন্নয়নে জোর

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দপ্তরের সচিবদের সঙ্গে আলোচনা করে ক্যান্টিনগুলোর প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দ্রুত রান্নার সরঞ্জাম কেনা এবং নিয়মিত সুস্বাদু ও মানসম্মত খাবার পরিবেশনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া যাতে পরিষেবায় কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটে, সেদিকেও বিশেষ নজর রাখতে বলা হয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে।

পুরনো প্রকল্পে নতুন গতি

আম্মা ক্যান্টিন প্রকল্পটি প্রথম চালু হয় ২০১৩ সালে। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জে জয়ললিতার উদ্যোগে শুরু হওয়া এই প্রকল্প সাধারণ মানুষের মধ্যে দ্রুত জনপ্রিয়তা পায়। খুব কম দামে খাবার দেওয়ার কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের কাছে এটি বড় সহায়তা হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠে।

এই ক্যান্টিনগুলোতে এক থেকে পাঁচ রুপির মধ্যে খাবার পাওয়া যায়। বিশেষ করে করোনাভাইরাস মহামারির সময় লকডাউনের মধ্যে হাজার হাজার মানুষের জন্য এই ক্যান্টিন ছিল বড় ভরসা।

সরকারি কল্যাণ প্রকল্প চালিয়ে যাওয়ার বার্তা

মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের এই সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিকভাবেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ তিনি আগেই জানিয়েছিলেন, আগের সরকারগুলোর কিছু জনকল্যাণমূলক প্রকল্প চালিয়ে যাবে তার সরকার। আম্মা ক্যান্টিন উন্নয়নের এই উদ্যোগ সেই প্রতিশ্রুতিরই অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সরকার জানিয়েছে, ক্যান্টিন সংস্কার ও নতুন সরঞ্জাম কেনার খরচ করপোরেশন ও পৌরসভার সাধারণ তহবিল থেকে বহন করা হবে।

তামিলনাড়ুতে সাধারণ মানুষের জন্য স্বল্পমূল্যে খাবার নিশ্চিত করতে আম্মা ক্যান্টিনের এই আধুনিকায়ন উদ্যোগ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর সবার।

সি বিজয় ক্যান্টিন উন্নয়ন উদ্যোগে তামিলনাড়ুতে আম্মা ক্যান্টিনের খাবারের মান ও অবকাঠামো উন্নয়নের নির্দেশ দিল সরকার।