১০:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
প্রেডিকশন মার্কেটে গোপন তথ্যের খেলা, ইরান হামলা থেকে মাদুরো গ্রেপ্তার—উঠছে ইনসাইডার ট্রেডিংয়ের অভিযোগ বেবিমনস্টারের ‘চুম’ ভিডিওতে ১০ কোটির মাইলফলক, বিশ্বজুড়ে বাড়ছে জনপ্রিয়তা স্টারবাকসের ‘ট্যাংক ডে’ বিতর্কে ক্ষোভ, দক্ষিণ কোরিয়ায় ক্ষমা চাইল মার্কিন সদর দপ্তর আল সুপাঙ্গানের সোনালি জন্মদিনে জমকালো আয়োজন, ডেনিম থিমে মুখর সন্ধ্যা জাপানের বৃদ্ধাশ্রমে নতুন ভরসা তরুণ বডিবিল্ডার ও কুস্তিগিররা ডাবলিনে গান, গল্প আর শিল্পের শহুরে জাদু ইরাকের মরুভূমিতে গোপন ইসরায়েলি ঘাঁটি, এক রাখালের মৃত্যুর পর ফাঁস চাঞ্চল্যকর তথ্য ফিলিপাইনে মার্কিন শিল্প হাব ঘিরে বিতর্ক, বিশেষ সুবিধা দিচ্ছে না ম্যানিলা দামযুদ্ধের মধ্যেই দক্ষিণ কোরিয়ায় বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে নতুন আশার বার্তা ভারতের আমদানি বিল নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ, সতর্কবার্তা দিলেন মোদি

আম্মা ক্যান্টিনে খাবারের মান বাড়াতে বড় উদ্যোগ, অবকাঠামো উন্নয়নের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের

তামিলনাড়ুর জনপ্রিয় আম্মা ক্যান্টিনগুলোর খাবারের মান ও পরিষেবা আরও উন্নত করতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয় রাজ্যের সব আম্মা ক্যান্টিনের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং উন্নত মানের খাবার নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

সরকারি এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন জায়গা থেকে অভিযোগ উঠেছিল যে কিছু ক্যান্টিনে খাবারের স্বাদ ও মান সন্তোষজনক নয়। সেই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে মুখ্যমন্ত্রী দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন।

খাবারের মান উন্নয়নে জোর

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দপ্তরের সচিবদের সঙ্গে আলোচনা করে ক্যান্টিনগুলোর প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দ্রুত রান্নার সরঞ্জাম কেনা এবং নিয়মিত সুস্বাদু ও মানসম্মত খাবার পরিবেশনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া যাতে পরিষেবায় কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটে, সেদিকেও বিশেষ নজর রাখতে বলা হয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে।

পুরনো প্রকল্পে নতুন গতি

আম্মা ক্যান্টিন প্রকল্পটি প্রথম চালু হয় ২০১৩ সালে। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জে জয়ললিতার উদ্যোগে শুরু হওয়া এই প্রকল্প সাধারণ মানুষের মধ্যে দ্রুত জনপ্রিয়তা পায়। খুব কম দামে খাবার দেওয়ার কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের কাছে এটি বড় সহায়তা হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠে।

এই ক্যান্টিনগুলোতে এক থেকে পাঁচ রুপির মধ্যে খাবার পাওয়া যায়। বিশেষ করে করোনাভাইরাস মহামারির সময় লকডাউনের মধ্যে হাজার হাজার মানুষের জন্য এই ক্যান্টিন ছিল বড় ভরসা।

সরকারি কল্যাণ প্রকল্প চালিয়ে যাওয়ার বার্তা

মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের এই সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিকভাবেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ তিনি আগেই জানিয়েছিলেন, আগের সরকারগুলোর কিছু জনকল্যাণমূলক প্রকল্প চালিয়ে যাবে তার সরকার। আম্মা ক্যান্টিন উন্নয়নের এই উদ্যোগ সেই প্রতিশ্রুতিরই অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সরকার জানিয়েছে, ক্যান্টিন সংস্কার ও নতুন সরঞ্জাম কেনার খরচ করপোরেশন ও পৌরসভার সাধারণ তহবিল থেকে বহন করা হবে।

তামিলনাড়ুতে সাধারণ মানুষের জন্য স্বল্পমূল্যে খাবার নিশ্চিত করতে আম্মা ক্যান্টিনের এই আধুনিকায়ন উদ্যোগ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর সবার।

সি বিজয় ক্যান্টিন উন্নয়ন উদ্যোগে তামিলনাড়ুতে আম্মা ক্যান্টিনের খাবারের মান ও অবকাঠামো উন্নয়নের নির্দেশ দিল সরকার।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেডিকশন মার্কেটে গোপন তথ্যের খেলা, ইরান হামলা থেকে মাদুরো গ্রেপ্তার—উঠছে ইনসাইডার ট্রেডিংয়ের অভিযোগ

আম্মা ক্যান্টিনে খাবারের মান বাড়াতে বড় উদ্যোগ, অবকাঠামো উন্নয়নের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের

০৮:৩১:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

তামিলনাড়ুর জনপ্রিয় আম্মা ক্যান্টিনগুলোর খাবারের মান ও পরিষেবা আরও উন্নত করতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয় রাজ্যের সব আম্মা ক্যান্টিনের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং উন্নত মানের খাবার নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

সরকারি এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন জায়গা থেকে অভিযোগ উঠেছিল যে কিছু ক্যান্টিনে খাবারের স্বাদ ও মান সন্তোষজনক নয়। সেই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে মুখ্যমন্ত্রী দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন।

খাবারের মান উন্নয়নে জোর

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দপ্তরের সচিবদের সঙ্গে আলোচনা করে ক্যান্টিনগুলোর প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দ্রুত রান্নার সরঞ্জাম কেনা এবং নিয়মিত সুস্বাদু ও মানসম্মত খাবার পরিবেশনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া যাতে পরিষেবায় কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটে, সেদিকেও বিশেষ নজর রাখতে বলা হয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে।

পুরনো প্রকল্পে নতুন গতি

আম্মা ক্যান্টিন প্রকল্পটি প্রথম চালু হয় ২০১৩ সালে। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জে জয়ললিতার উদ্যোগে শুরু হওয়া এই প্রকল্প সাধারণ মানুষের মধ্যে দ্রুত জনপ্রিয়তা পায়। খুব কম দামে খাবার দেওয়ার কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের কাছে এটি বড় সহায়তা হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠে।

এই ক্যান্টিনগুলোতে এক থেকে পাঁচ রুপির মধ্যে খাবার পাওয়া যায়। বিশেষ করে করোনাভাইরাস মহামারির সময় লকডাউনের মধ্যে হাজার হাজার মানুষের জন্য এই ক্যান্টিন ছিল বড় ভরসা।

সরকারি কল্যাণ প্রকল্প চালিয়ে যাওয়ার বার্তা

মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের এই সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিকভাবেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ তিনি আগেই জানিয়েছিলেন, আগের সরকারগুলোর কিছু জনকল্যাণমূলক প্রকল্প চালিয়ে যাবে তার সরকার। আম্মা ক্যান্টিন উন্নয়নের এই উদ্যোগ সেই প্রতিশ্রুতিরই অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সরকার জানিয়েছে, ক্যান্টিন সংস্কার ও নতুন সরঞ্জাম কেনার খরচ করপোরেশন ও পৌরসভার সাধারণ তহবিল থেকে বহন করা হবে।

তামিলনাড়ুতে সাধারণ মানুষের জন্য স্বল্পমূল্যে খাবার নিশ্চিত করতে আম্মা ক্যান্টিনের এই আধুনিকায়ন উদ্যোগ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর সবার।

সি বিজয় ক্যান্টিন উন্নয়ন উদ্যোগে তামিলনাড়ুতে আম্মা ক্যান্টিনের খাবারের মান ও অবকাঠামো উন্নয়নের নির্দেশ দিল সরকার।