উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান আন্দোলন আরও তীব্র হয়েছে। নতুন উপাচার্যের নিয়োগ বাতিলের দাবিতে একদল শিক্ষার্থী ‘সম্পূর্ণ শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
বুধবার সকাল থেকেই আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে প্রবেশ ও বের হতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। অনেকে বাধ্য হয়ে দেয়াল টপকে যাতায়াত করেন।
টানা আন্দোলনে স্থবির ক্যাম্পাস
শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এখন টানা কয়েকদিন ধরে চলছে। এর আগে তারা ‘রেড কার্ড’ ও অবরোধ কর্মসূচিও পালন করেন। এসব কর্মসূচির কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্থবির হয়ে পড়ে।

আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন। তাদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে থেকে উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা তারা মেনে নিতে পারছেন না।
তিন দফা দাবিতে অনড় শিক্ষার্থীরা
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অন্যতম প্রধান দাবি হলো সদ্য নিয়োগ পাওয়া উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবালের নিয়োগ বাতিল করা। একই সঙ্গে তারা চান, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষকেদের মধ্য থেকেই নতুন উপাচার্য নিয়োগ দিতে হবে।
শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ বাস্তবতা ও শিক্ষার্থীদের চাহিদা বোঝেন এমন কাউকেই প্রশাসনের দায়িত্ব দেওয়া উচিত। বাইরের কাউকে নিয়োগ দেওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

নিয়োগ ঘোষণার পর থেকেই উত্তেজনা
সরকারি সিদ্ধান্তে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবালকে ডুয়েটের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নিয়োগ ঘোষণার পরপরই শিক্ষার্থীদের একটি অংশ এর বিরোধিতা শুরু করে।
বর্তমানে আন্দোলনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরাও।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















