০৩:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
এশীয় ক্রিকেট কাউন্সিলে পাকিস্তানের বড় জয়, ভারতকে হারিয়ে তিন পদই দখলে সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে ভারত-চীন বৈঠক, বেইজিং যাচ্ছেন অজিত ডোভাল বিজেপির ‘জেন জি’ প্রচারে কটাক্ষ, ‘ভাইরাস-ককরোচ’ মন্তব্য টেনে নিশানা সৌরভ দাসের ঝিনাইদহে ২০০ শিশুর চিকিৎসায় হিমশিম হাসপাতাল, লোডশেডিংয়ে দুর্ভোগ চরম ঢাকার কূটনৈতিক জোনে নিরাপত্তা জোরদার, দূতাবাসে অর্থ দাবির ই-মেইল ডেঙ্গুতে আরও ৫ মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণহানি বেড়ে ৮২ চুয়াডাঙ্গায় প্রণোদনার ৫৪ বস্তা সার গায়েব, স্বাক্ষর নিয়েও সার পেলেন না কৃষকরা গ্যাস সংকটে ছয় মাসের জন্য কারখানা বন্ধ করল ফু-ওয়াং ফুডস গ্যাসের তীব্র সংকটে রাজধানীতে গাড়ির দীর্ঘ সারি, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় চালকেরা ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে নতুন চার্জ, বাড়বে বাংলাদেশের খরচ

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের দুই নেতা বহিষ্কার, চাঁদাবাজির অভিযোগে তোলপাড়

চাঁদাবাজির অভিযোগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের দুই নেতাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বহিষ্কৃত দুই নেতা হলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি মিয়া বাবুল ও মো. মিঠু।

কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংগঠনের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন। একই সঙ্গে সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের বহিষ্কৃতদের সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চাঁদাবাজির অভিযোগে ছাত্রদলের দুই নেতাকে বহিষ্কার

চাঁদা আদায়ের অভিযোগ

গত ১৯ মে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কে মাছের পোনা বহনকারী যানবাহন থামিয়ে চালকদের কাছ থেকে প্রায় এক লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ ওঠে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে একটি গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয় এবং চালককে মারধর করা হয়।

ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কয়েকজন নেতার নামও অভিযোগে উঠে আসে। তাদের মধ্যে রয়েছেন সহসভাপতি আকিব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম হোসেন স্বজন, ইমরান মাহমুদ, শাখাওয়াত, সহসাংগঠনিক সম্পাদক হায়দার মুন্সি ও শাহরিয়ার।

মাছের গাড়ি থেকে চাঁদাবাজি, ববির দুই ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

কেন্দ্রীয় কমিটির কঠোর অবস্থান

ঘটনার পরদিনই কেন্দ্রীয় ছাত্রদল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে ঢাকায় তলব করে। এরপর তদন্ত ও অভিযোগ পর্যালোচনার ভিত্তিতে দুই নেতার বিরুদ্ধে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত আসে।

রাজনৈতিক অঙ্গনে ঘটনাটি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ছাত্র সংগঠনগুলোর ভেতরে শৃঙ্খলা ও ভাবমূর্তি রক্ষায় কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কতটা কঠোর অবস্থান নেয়, সেটিও আলোচনায় এসেছে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

এশীয় ক্রিকেট কাউন্সিলে পাকিস্তানের বড় জয়, ভারতকে হারিয়ে তিন পদই দখলে

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের দুই নেতা বহিষ্কার, চাঁদাবাজির অভিযোগে তোলপাড়

১১:০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

চাঁদাবাজির অভিযোগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের দুই নেতাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বহিষ্কৃত দুই নেতা হলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি মিয়া বাবুল ও মো. মিঠু।

কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংগঠনের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন। একই সঙ্গে সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের বহিষ্কৃতদের সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চাঁদাবাজির অভিযোগে ছাত্রদলের দুই নেতাকে বহিষ্কার

চাঁদা আদায়ের অভিযোগ

গত ১৯ মে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কে মাছের পোনা বহনকারী যানবাহন থামিয়ে চালকদের কাছ থেকে প্রায় এক লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ ওঠে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে একটি গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয় এবং চালককে মারধর করা হয়।

ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কয়েকজন নেতার নামও অভিযোগে উঠে আসে। তাদের মধ্যে রয়েছেন সহসভাপতি আকিব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম হোসেন স্বজন, ইমরান মাহমুদ, শাখাওয়াত, সহসাংগঠনিক সম্পাদক হায়দার মুন্সি ও শাহরিয়ার।

মাছের গাড়ি থেকে চাঁদাবাজি, ববির দুই ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

কেন্দ্রীয় কমিটির কঠোর অবস্থান

ঘটনার পরদিনই কেন্দ্রীয় ছাত্রদল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে ঢাকায় তলব করে। এরপর তদন্ত ও অভিযোগ পর্যালোচনার ভিত্তিতে দুই নেতার বিরুদ্ধে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত আসে।

রাজনৈতিক অঙ্গনে ঘটনাটি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ছাত্র সংগঠনগুলোর ভেতরে শৃঙ্খলা ও ভাবমূর্তি রক্ষায় কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কতটা কঠোর অবস্থান নেয়, সেটিও আলোচনায় এসেছে।