বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি সুপারিশ করেছে খুচরা বিদ্যুতের দাম আরও ১৩.৯ শতাংশ বাড়ানো হোক। পাইকারি ও সঞ্চালন স্তরেও আলাদাভাবে মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব চলছে। ইরান যুদ্ধের পর থেকে জ্বালানি আমদানির খরচ বেড়ে যাওয়ায় সরকারের ওপর চাপ ক্রমেই বাড়ছে।
মানুষ এমনিতেই হাঁপিয়ে উঠেছেন
২০২৩ সালের মার্চ থেকে বাংলাদেশে মুদ্রাস্ফীতি ৯ শতাংশের নিচে নামেনি। ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ খাদ্যমূল্য স্ফীতি ছিল ৯.৩ শতাংশ, দশ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। বাজারে চাল, সবজি, মাছ সবকিছুর দাম চড়া থাকা অবস্থায় বিদ্যুতের দাম বাড়লে নির্দিষ্ট আয়ের পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি চাপে পড়বে।
জ্বালানি সংকট কোথা থেকে এলো
বাংলাদেশ তার মোট জ্বালানির ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশ উপসাগরীয় দেশ থেকে কেনে। ইরান যুদ্ধের পর হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল বিঘ্নিত হওয়া এবং বীমা ও পরিবহন খরচ বাড়ায় এলএনজির আমদানি খরচ অনেক বেড়ে গেছে। সরকার সেই ঘাটতি পূরণ করতেই এখন দাম বাড়ানোর পথে যাচ্ছে।
পরের ধাপ কী
চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে বিইআরসি গণশুনানি করবে। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন এই বৃদ্ধি ঠেকানো কঠিন হবে।
বিদ্যুতের খুচরা দাম ১৩.৯ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করেছে বিইআরসির কারিগরি কমিটি, যা ইরান যুদ্ধের জ্বালানি সংকটের মধ্যে সাধারণ মানুষের ওপর নতুন চাপ তৈরি করবে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















