ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকট আর রপ্তানি প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ায় বাংলাদেশের পোশাক শিল্প গভীর বিপদে পড়েছে। বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ দেশের অর্ধেক পর্যন্ত টেক্সটাইল কারখানা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
৪০ লাখ মানুষের জীবিকা ঝুঁকিতে
পোশাক খাত বাংলাদেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮৫ শতাংশ দেয় এবং ৪০ লাখের বেশি মানুষের কাজ এখানে, যাদের বড় অংশই নারী। এই শিল্প টিকে না থাকলে লক্ষ লক্ষ পরিবার সরাসরি আর্থিক সংকটে পড়বে।
চাপ আসছে সব দিক থেকে
বাংলাদেশ তার জ্বালানির বেশিরভাগ উপসাগর থেকে কেনে। যুদ্ধের পর এলএনজির দাম, জাহাজের বীমা খরচ এবং বন্দরে অপেক্ষার সময় সব বেড়েছে। এই বাড়তি খরচ বহন করে প্রতিযোগিতামূলক দামে পণ্য দেওয়া ক্রমেই কঠিন হচ্ছে।
ভিয়েতনাম ও ভারত এগিয়ে যাচ্ছে
ক্রেতারা ইতিমধ্যে বিকল্প দেশে সরে যাচ্ছেন। ভিয়েতনাম, ভারত ও কম্বোডিয়া কম খরচে উৎপাদন করতে পারছে। অর্ডার হারালে কারখানা টিকবে না।
ইরান যুদ্ধের জ্বালানি ও প্রতিযোগিতার চাপে বাংলাদেশের অর্ধেক পোশাক কারখানা বছর শেষে বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















