০১:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
এশীয় ক্রিকেট কাউন্সিলে পাকিস্তানের বড় জয়, ভারতকে হারিয়ে তিন পদই দখলে সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে ভারত-চীন বৈঠক, বেইজিং যাচ্ছেন অজিত ডোভাল বিজেপির ‘জেন জি’ প্রচারে কটাক্ষ, ‘ভাইরাস-ককরোচ’ মন্তব্য টেনে নিশানা সৌরভ দাসের ঝিনাইদহে ২০০ শিশুর চিকিৎসায় হিমশিম হাসপাতাল, লোডশেডিংয়ে দুর্ভোগ চরম ঢাকার কূটনৈতিক জোনে নিরাপত্তা জোরদার, দূতাবাসে অর্থ দাবির ই-মেইল ডেঙ্গুতে আরও ৫ মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণহানি বেড়ে ৮২ চুয়াডাঙ্গায় প্রণোদনার ৫৪ বস্তা সার গায়েব, স্বাক্ষর নিয়েও সার পেলেন না কৃষকরা গ্যাস সংকটে ছয় মাসের জন্য কারখানা বন্ধ করল ফু-ওয়াং ফুডস গ্যাসের তীব্র সংকটে রাজধানীতে গাড়ির দীর্ঘ সারি, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় চালকেরা ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে নতুন চার্জ, বাড়বে বাংলাদেশের খরচ

বছর শেষে অর্ধেক পোশাক কারখানা বন্ধ হওয়ার শঙ্কা, বিশ্লেষকরা সতর্ক করছেন

ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকট আর রপ্তানি প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ায় বাংলাদেশের পোশাক শিল্প গভীর বিপদে পড়েছে। বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ দেশের অর্ধেক পর্যন্ত টেক্সটাইল কারখানা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

৪০ লাখ মানুষের জীবিকা ঝুঁকিতে

পোশাক খাত বাংলাদেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮৫ শতাংশ দেয় এবং ৪০ লাখের বেশি মানুষের কাজ এখানে, যাদের বড় অংশই নারী। এই শিল্প টিকে না থাকলে লক্ষ লক্ষ পরিবার সরাসরি আর্থিক সংকটে পড়বে।

চাপ আসছে সব দিক থেকে

বাংলাদেশ তার জ্বালানির বেশিরভাগ উপসাগর থেকে কেনে। যুদ্ধের পর এলএনজির দাম, জাহাজের বীমা খরচ এবং বন্দরে অপেক্ষার সময় সব বেড়েছে। এই বাড়তি খরচ বহন করে প্রতিযোগিতামূলক দামে পণ্য দেওয়া ক্রমেই কঠিন হচ্ছে।

ভিয়েতনাম ও ভারত এগিয়ে যাচ্ছে

ক্রেতারা ইতিমধ্যে বিকল্প দেশে সরে যাচ্ছেন। ভিয়েতনাম, ভারত ও কম্বোডিয়া কম খরচে উৎপাদন করতে পারছে। অর্ডার হারালে কারখানা টিকবে না।

ইরান যুদ্ধের জ্বালানি ও প্রতিযোগিতার চাপে বাংলাদেশের অর্ধেক পোশাক কারখানা বছর শেষে বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

এশীয় ক্রিকেট কাউন্সিলে পাকিস্তানের বড় জয়, ভারতকে হারিয়ে তিন পদই দখলে

বছর শেষে অর্ধেক পোশাক কারখানা বন্ধ হওয়ার শঙ্কা, বিশ্লেষকরা সতর্ক করছেন

০৭:১১:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকট আর রপ্তানি প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ায় বাংলাদেশের পোশাক শিল্প গভীর বিপদে পড়েছে। বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ দেশের অর্ধেক পর্যন্ত টেক্সটাইল কারখানা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

৪০ লাখ মানুষের জীবিকা ঝুঁকিতে

পোশাক খাত বাংলাদেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮৫ শতাংশ দেয় এবং ৪০ লাখের বেশি মানুষের কাজ এখানে, যাদের বড় অংশই নারী। এই শিল্প টিকে না থাকলে লক্ষ লক্ষ পরিবার সরাসরি আর্থিক সংকটে পড়বে।

চাপ আসছে সব দিক থেকে

বাংলাদেশ তার জ্বালানির বেশিরভাগ উপসাগর থেকে কেনে। যুদ্ধের পর এলএনজির দাম, জাহাজের বীমা খরচ এবং বন্দরে অপেক্ষার সময় সব বেড়েছে। এই বাড়তি খরচ বহন করে প্রতিযোগিতামূলক দামে পণ্য দেওয়া ক্রমেই কঠিন হচ্ছে।

ভিয়েতনাম ও ভারত এগিয়ে যাচ্ছে

ক্রেতারা ইতিমধ্যে বিকল্প দেশে সরে যাচ্ছেন। ভিয়েতনাম, ভারত ও কম্বোডিয়া কম খরচে উৎপাদন করতে পারছে। অর্ডার হারালে কারখানা টিকবে না।

ইরান যুদ্ধের জ্বালানি ও প্রতিযোগিতার চাপে বাংলাদেশের অর্ধেক পোশাক কারখানা বছর শেষে বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।