এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) সতর্ক করেছে ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ২০২৬ থেকে ২০২৭ সালে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ১.৩ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে এবং মুদ্রাস্ফীতি ৩.২ শতাংশ বাড়তে পারে।
বাংলাদেশ কেন বেশি ঝুঁকিতে
বাংলাদেশের বার্ষিক রেমিট্যান্সের প্রায় অর্ধেক মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসে। সৌদি আরব, ওমান, কাতার, আমিরাত ও কুয়েত একসাথে ৮৬ শতাংশ বিদেশি কর্মসংস্থানের উৎস। এই সব দেশেই যুদ্ধের প্রভাব পড়ছে।
দ্বিমুখী আঘাত
একদিকে রেমিট্যান্স কমার ঝুঁকি, অন্যদিকে জ্বালানি আমদানি ব্যয় বাড়ছে। দুটো একসাথে হলে বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভে চাপ বাড়বে এবং টাকার আরও অবমূল্যায়ন হতে পারে।
এডিবি কী করতে বলছে
এডিবি বলছে দেশগুলোকে আমদানি উৎস বৈচিত্র্যময় করতে হবে এবং অভ্যন্তরীণ জ্বালানি উৎপাদন বাড়াতে হবে।
এডিবির প্রতিবেদন বলছে ইরান যুদ্ধ এশিয়ার প্রবৃদ্ধি ১.৩ শতাংশ কমাতে পারে, আর রেমিট্যান্স নির্ভরতার কারণে বাংলাদেশ বিশেষভাবে ঝুঁকিতে আছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















