১২:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
এশীয় ক্রিকেট কাউন্সিলে পাকিস্তানের বড় জয়, ভারতকে হারিয়ে তিন পদই দখলে সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে ভারত-চীন বৈঠক, বেইজিং যাচ্ছেন অজিত ডোভাল বিজেপির ‘জেন জি’ প্রচারে কটাক্ষ, ‘ভাইরাস-ককরোচ’ মন্তব্য টেনে নিশানা সৌরভ দাসের ঝিনাইদহে ২০০ শিশুর চিকিৎসায় হিমশিম হাসপাতাল, লোডশেডিংয়ে দুর্ভোগ চরম ঢাকার কূটনৈতিক জোনে নিরাপত্তা জোরদার, দূতাবাসে অর্থ দাবির ই-মেইল ডেঙ্গুতে আরও ৫ মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণহানি বেড়ে ৮২ চুয়াডাঙ্গায় প্রণোদনার ৫৪ বস্তা সার গায়েব, স্বাক্ষর নিয়েও সার পেলেন না কৃষকরা গ্যাস সংকটে ছয় মাসের জন্য কারখানা বন্ধ করল ফু-ওয়াং ফুডস গ্যাসের তীব্র সংকটে রাজধানীতে গাড়ির দীর্ঘ সারি, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় চালকেরা ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে নতুন চার্জ, বাড়বে বাংলাদেশের খরচ

এডিবির হিসাবে ইরান যুদ্ধ এশিয়ার প্রবৃদ্ধি ১.৩ শতাংশ কমাতে পারে, বাংলাদেশ বিশেষভাবে ঝুঁকিতে

এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) সতর্ক করেছে ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ২০২৬ থেকে ২০২৭ সালে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ১.৩ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে এবং মুদ্রাস্ফীতি ৩.২ শতাংশ বাড়তে পারে।

বাংলাদেশ কেন বেশি ঝুঁকিতে

বাংলাদেশের বার্ষিক রেমিট্যান্সের প্রায় অর্ধেক মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসে। সৌদি আরব, ওমান, কাতার, আমিরাত ও কুয়েত একসাথে ৮৬ শতাংশ বিদেশি কর্মসংস্থানের উৎস। এই সব দেশেই যুদ্ধের প্রভাব পড়ছে।

দ্বিমুখী আঘাত

একদিকে রেমিট্যান্স কমার ঝুঁকি, অন্যদিকে জ্বালানি আমদানি ব্যয় বাড়ছে। দুটো একসাথে হলে বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভে চাপ বাড়বে এবং টাকার আরও অবমূল্যায়ন হতে পারে।

এডিবি কী করতে বলছে

এডিবি বলছে দেশগুলোকে আমদানি উৎস বৈচিত্র্যময় করতে হবে এবং অভ্যন্তরীণ জ্বালানি উৎপাদন বাড়াতে হবে।

এডিবির প্রতিবেদন বলছে ইরান যুদ্ধ এশিয়ার প্রবৃদ্ধি ১.৩ শতাংশ কমাতে পারে, আর রেমিট্যান্স নির্ভরতার কারণে বাংলাদেশ বিশেষভাবে ঝুঁকিতে আছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

এশীয় ক্রিকেট কাউন্সিলে পাকিস্তানের বড় জয়, ভারতকে হারিয়ে তিন পদই দখলে

এডিবির হিসাবে ইরান যুদ্ধ এশিয়ার প্রবৃদ্ধি ১.৩ শতাংশ কমাতে পারে, বাংলাদেশ বিশেষভাবে ঝুঁকিতে

০৮:৪২:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) সতর্ক করেছে ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ২০২৬ থেকে ২০২৭ সালে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ১.৩ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে এবং মুদ্রাস্ফীতি ৩.২ শতাংশ বাড়তে পারে।

বাংলাদেশ কেন বেশি ঝুঁকিতে

বাংলাদেশের বার্ষিক রেমিট্যান্সের প্রায় অর্ধেক মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসে। সৌদি আরব, ওমান, কাতার, আমিরাত ও কুয়েত একসাথে ৮৬ শতাংশ বিদেশি কর্মসংস্থানের উৎস। এই সব দেশেই যুদ্ধের প্রভাব পড়ছে।

দ্বিমুখী আঘাত

একদিকে রেমিট্যান্স কমার ঝুঁকি, অন্যদিকে জ্বালানি আমদানি ব্যয় বাড়ছে। দুটো একসাথে হলে বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভে চাপ বাড়বে এবং টাকার আরও অবমূল্যায়ন হতে পারে।

এডিবি কী করতে বলছে

এডিবি বলছে দেশগুলোকে আমদানি উৎস বৈচিত্র্যময় করতে হবে এবং অভ্যন্তরীণ জ্বালানি উৎপাদন বাড়াতে হবে।

এডিবির প্রতিবেদন বলছে ইরান যুদ্ধ এশিয়ার প্রবৃদ্ধি ১.৩ শতাংশ কমাতে পারে, আর রেমিট্যান্স নির্ভরতার কারণে বাংলাদেশ বিশেষভাবে ঝুঁকিতে আছে।