০৯:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধকে নতুন চোখে দেখার বিশ্বইতিহাস ক্যানেস চলচ্চিত্র উৎসবে শিক্ষার্থী চলচ্চিত্র পুরস্কার ঘোষণা, নতুন মুখদের বৈশ্বিক স্বীকৃতি ইরান যুদ্ধে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়েছিল, মধ্যপ্রাচ্যের সংকট শিক্ষাতেও ধাক্কা দিয়েছে আদালতে বাণিজ্যিক মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির আইনে চারটি সমস্যা সারানোর প্রতিশ্রুতি দিলেন আইনমন্ত্রী এডিবির হিসাবে ইরান যুদ্ধ এশিয়ার প্রবৃদ্ধি ১.৩ শতাংশ কমাতে পারে, বাংলাদেশ বিশেষভাবে ঝুঁকিতে রোমান সাম্রাজ্যের অহংকার ভেঙে দিয়েছিল ইহুদি বিদ্রোহ, ধ্বংস হয়েছিল পুরো একটি লিজিয়ন এথেন্স-স্পার্টার রক্তক্ষয়ী দ্বন্দ্ব: যেভাবে ভেঙে পড়েছিল প্রাচীন গ্রিসের ঐক্য ভিক্টোরিয়ান যুগে ট্রেনভ্রমণের আতঙ্ক, ‘রেলওয়ে উন্মাদনা’ কীভাবে ছড়িয়েছিল ব্রিটেনে নারী যৌনতার ইতিহাসে লুকানো ক্ষমতার রাজনীতি, নতুন বই ঘিরে আলোড়ন প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল ‘লিটল উইলি’ ট্যাংক

হাম-সদৃশ উপসর্গে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু, দেশে মৃতের সংখ্যা ৪৯৯

বাংলাদেশে হাম ও হাম-সদৃশ উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯৯ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, নতুন মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে দুজনের মৃত্যু নিশ্চিতভাবে হামজনিত বলে শনাক্ত হয়েছে। বাকি নয়জনকে সন্দেহভাজন হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

সিলেটে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু

সন্দেহভাজন মৃত্যুর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে সিলেট বিভাগে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জ জেলাতেই মারা গেছে তিন শিশু। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, কিছু এলাকায় সংক্রমণের বিস্তার এখনও উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে।

সব মিলিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত হামে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৫ জনে। এছাড়া হাম-সদৃশ উপসর্গে সন্দেহভাজন মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪১৪।

একদিনে ১,২৬১ নতুন সন্দেহভাজন রোগী

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে ১ হাজার ২৬১ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এতে মোট সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজার ৫৪০ জনে।

একই সময়ে নতুন করে ৫৪ জনের শরীরে হাম সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। এর ফলে দেশে মোট নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৩২৯ জনে।

হাসপাতালে ভর্তি ও সুস্থতার চিত্র

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৪৭ হাজার ৫১১ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৪৩ হাজার ৪১১ জন ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের টিকাদান নিশ্চিত করা এবং সংক্রমণপ্রবণ এলাকায় দ্রুত চিকিৎসা ও সচেতনতা কার্যক্রম বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে গ্রামীণ ও দুর্গম এলাকায় নজরদারি জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

জনপ্রিয় সংবাদ

আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধকে নতুন চোখে দেখার বিশ্বইতিহাস

হাম-সদৃশ উপসর্গে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু, দেশে মৃতের সংখ্যা ৪৯৯

০৬:৪৮:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

বাংলাদেশে হাম ও হাম-সদৃশ উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯৯ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, নতুন মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে দুজনের মৃত্যু নিশ্চিতভাবে হামজনিত বলে শনাক্ত হয়েছে। বাকি নয়জনকে সন্দেহভাজন হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

সিলেটে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু

সন্দেহভাজন মৃত্যুর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে সিলেট বিভাগে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জ জেলাতেই মারা গেছে তিন শিশু। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, কিছু এলাকায় সংক্রমণের বিস্তার এখনও উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে।

সব মিলিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত হামে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৫ জনে। এছাড়া হাম-সদৃশ উপসর্গে সন্দেহভাজন মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪১৪।

একদিনে ১,২৬১ নতুন সন্দেহভাজন রোগী

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে ১ হাজার ২৬১ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এতে মোট সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজার ৫৪০ জনে।

একই সময়ে নতুন করে ৫৪ জনের শরীরে হাম সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। এর ফলে দেশে মোট নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৩২৯ জনে।

হাসপাতালে ভর্তি ও সুস্থতার চিত্র

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৪৭ হাজার ৫১১ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৪৩ হাজার ৪১১ জন ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের টিকাদান নিশ্চিত করা এবং সংক্রমণপ্রবণ এলাকায় দ্রুত চিকিৎসা ও সচেতনতা কার্যক্রম বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে গ্রামীণ ও দুর্গম এলাকায় নজরদারি জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে স্বাস্থ্য বিভাগ।