১০:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
রাষ্ট্রপতি বেছে নিতে তাড়াহুড়ো করছে না সরকার, বেশি আলোচনায় কার নাম পেপটাইড ইনজেকশনের উন্মাদনা: বিজ্ঞান যতটা বলছে, বাজার তার চেয়ে অনেক বেশি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে ইসলামে নারীর মর্যাদা: মূল উৎসে ফিরে দেখার সময় টোকিও ট্রায়াল: অসমাপ্ত ন্যায়বিচারের দীর্ঘ ছায়া নতুন ‘কমিক’ নকশায় এয়ার জর্ডান ৪, অনলাইনে কিনতে পারবেন আজই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দৌড় এত দ্রুত, ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তায় এর নির্মাতারাও সৌদি আরবের পরমাণু চুক্তিতে বিশ্বজুড়ে নতুন অস্ত্র প্রতিযোগিতার শঙ্কা নির্বাচনের মুখোশ খুলে ফেললে গণতন্ত্রের সামনে যে ভয়াবহ বিপদ অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারে নতুন আশার আলো, ওষুধ উদ্ভাবনে আমেরিকার মডেল নিয়ে নতুন আলোচনা ইরানে ফের মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, কূটনৈতিক সমাধানের পথ এখনো অনিশ্চিত

রাজশাহীতে নারী ধর্ষণের অভিযোগে বিএনপির ৫ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ১

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় ৪৬ বছর বয়সী এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের পাঁচ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ঘটনার পরপরই অভিযুক্তদের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার গভীর রাতে পুঠিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার পর অভিযুক্ত মোহাম্মদ মুরাদকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি উপজেলার ধোপাপাড়া কারিগরপাড়া এলাকার বাসিন্দা। আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলায় যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন স্থানীয় শ্রমিক দলের এক নেতা, স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতা এবং বিএনপি ও যুবদলের কয়েকজন কর্মী। এছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে বিএনপির ৫ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা | Barta Bazar

ঘটনার বর্ণনা

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ভুক্তভোগী নারী সম্প্রতি ধোপাপাড়া কারিগরপাড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় ওঠেন। অভিযোগে বলা হয়, ওই বাসার সামনে এক কিশোরকে দেখে কয়েকজন ব্যক্তি তাকে আটক করে এবং নারীটির বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তোলে।

এরপর অভিযুক্তরা বাড়িতে ঢুকে নগদ টাকা, রুপার অলংকার এবং একটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এক আসামি তাকে ধর্ষণ করেন বলেও মামলায় উল্লেখ রয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, পরে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে তাকে মোটরসাইকেলে করে অন্য একটি নির্জন এলাকায় নেওয়া হয়। সেখানে আরেক অভিযুক্ত এসে তাকে ধর্ষণ করেন। পরে তাকে একটি বাজার এলাকায় নামিয়ে দেওয়া হলে তিনি সেখান থেকে নিজ এলাকায় ফিরে যান।

অভিযুক্তদের দাবি

অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের দাবি, ঘটনাটি সাজানো এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একজন অভিযুক্ত বলেন, স্থানীয় লোকজন এক যুবককে ওই নারীর বাসায় দেখতে পেয়ে আপত্তি জানায় এবং পরে তাকে এলাকা ছাড়তে বলা হয়। ধর্ষণ বা লুটপাটের কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে তিনি দাবি করেন।

তদন্ত চলছে

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত চলছে। ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

থানার দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বলছেন, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে অভিযোগের সত্যতা বা অসত্যতা সম্পর্কে চূড়ান্ত মন্তব্য করা সম্ভব নয়। তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত চিত্র সামনে আসবে।

রাজশাহীর এই ঘটনাটি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে এবং মামলার অগ্রগতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতি বেছে নিতে তাড়াহুড়ো করছে না সরকার, বেশি আলোচনায় কার নাম

রাজশাহীতে নারী ধর্ষণের অভিযোগে বিএনপির ৫ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ১

০৪:৩২:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় ৪৬ বছর বয়সী এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের পাঁচ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ঘটনার পরপরই অভিযুক্তদের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার গভীর রাতে পুঠিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার পর অভিযুক্ত মোহাম্মদ মুরাদকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি উপজেলার ধোপাপাড়া কারিগরপাড়া এলাকার বাসিন্দা। আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলায় যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন স্থানীয় শ্রমিক দলের এক নেতা, স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতা এবং বিএনপি ও যুবদলের কয়েকজন কর্মী। এছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে বিএনপির ৫ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা | Barta Bazar

ঘটনার বর্ণনা

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ভুক্তভোগী নারী সম্প্রতি ধোপাপাড়া কারিগরপাড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় ওঠেন। অভিযোগে বলা হয়, ওই বাসার সামনে এক কিশোরকে দেখে কয়েকজন ব্যক্তি তাকে আটক করে এবং নারীটির বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তোলে।

এরপর অভিযুক্তরা বাড়িতে ঢুকে নগদ টাকা, রুপার অলংকার এবং একটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এক আসামি তাকে ধর্ষণ করেন বলেও মামলায় উল্লেখ রয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, পরে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে তাকে মোটরসাইকেলে করে অন্য একটি নির্জন এলাকায় নেওয়া হয়। সেখানে আরেক অভিযুক্ত এসে তাকে ধর্ষণ করেন। পরে তাকে একটি বাজার এলাকায় নামিয়ে দেওয়া হলে তিনি সেখান থেকে নিজ এলাকায় ফিরে যান।

অভিযুক্তদের দাবি

অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের দাবি, ঘটনাটি সাজানো এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একজন অভিযুক্ত বলেন, স্থানীয় লোকজন এক যুবককে ওই নারীর বাসায় দেখতে পেয়ে আপত্তি জানায় এবং পরে তাকে এলাকা ছাড়তে বলা হয়। ধর্ষণ বা লুটপাটের কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে তিনি দাবি করেন।

তদন্ত চলছে

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত চলছে। ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

থানার দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বলছেন, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে অভিযোগের সত্যতা বা অসত্যতা সম্পর্কে চূড়ান্ত মন্তব্য করা সম্ভব নয়। তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত চিত্র সামনে আসবে।

রাজশাহীর এই ঘটনাটি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে এবং মামলার অগ্রগতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।