১২:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ট্রাম্প বনাম ব্যাড বানি: সুপার বাউল বিতর্কে লাতিন ভোটারদের সমর্থন ঝুঁকিতে রিও কার্নিভালে লুলার জীবন কাহিনী উদযাপন, রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে ফেদেরিকা ব্রিগ্নোনের অলিম্পিক স্বর্ণজয়ের অনন্য ইতিহাস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নাভালনির বিষকাণ্ডে: রাশিয়ার ওপর দায় চাপানো রিপোর্ট নিয়ে দ্বিমত নেই যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলি ক্যাবিনেটের নতুন সিদ্ধান্ত: পশ্চিম তীরে জমি নিবন্ধন, ফিলিস্তিনের ক্ষোভ মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে ইউরোপের নতুন বার্তা, যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়াই গড়ছে স্বতন্ত্র নিরাপত্তা কাঠামো ইউরোপের নিরাপত্তা নীতিতে বড় মোড়, গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ট্রাম্পের চাপের পর যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমানোর ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের ইরান অভিযান প্রস্তুতি, টানা কয়েক সপ্তাহের সামরিক হামলার আশঙ্কা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র পরমাণু আলোচনা: জ্বালানি, খনি ও বিমান চুক্তির ইঙ্গিত, নিষেধাজ্ঞা শিথিলে সমঝোতার বার্তা চার্চের দানপাত্রে প্রযুক্তির ছোঁয়া, কার্ডে দান সুবিধা

সামিয়া রহমানের বিষয়ে ঢাবির সিদ্ধান্ত আপিল বিভাগে অকার্যকর

  • Sarakhon Report
  • ০৫:৫৯:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪
  • 111

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক সামিয়া রহমানকে পদাবনতি দিয়ে ঢাবি সিন্ডিকেটের নেওয়া সিদ্ধান্ত অবৈধ ও বাতিল করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে তার পদাবনতির সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ঢাবি কর্তৃপক্ষের সিভিল পিটিশন অকার্যকর ঘোষণা করেছেন আপিল বিভাগ।

আজ আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বে চার বিচারপতির এ আদেশ দেন। আদালতে সামিয়া রহমানের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম। তিনি সাংবাদিকদের বলেন , ২০২২ সালের ৪ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষিকা সামিয়া রহমানকে পদাবনতির আদেশ অবৈধ ঘোষণা করেছিল হাইকোর্ট। পরে এই রায়ের বিরুদ্ধে ঢাবি কর্তৃপক্ষ সিভিল পিটিশন দায়ের করে। কিন্তু এরই মধ্যে ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর সামিয়া রহমান শিক্ষকতা থেকে স্বেচ্ছায় (আর্লি) অবসর নিয়েছেন। এ কারণে আপিল বিভাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আবেদন অকার্যকর ঘোষণা করেছেন। এর ফলে হাইকোর্টের রায় বহাল রয়েছে।

এর আগে ২০২২ সালের ৪ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষিকা সামিয়া রহমানকে পদাবনতির আদেশ অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে তাকে সব সুযোগ-সুবিধা ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন আদালত। এ বিষয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে (৪ আগস্ট বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি মো. আক্তারুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। তখন আদালতে সামিয়া রহমানের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী।

২০২১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের শিক্ষক সামিয়া রহমানকে পদাবনতি দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। থিসিস জালিয়াতির অভিযোগে এ শিক্ষককে সহযোগী অধ্যাপক থেকে এক ধাপ নামিয়ে সহকারী অধ্যাপক করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট। গত বছরের ৩১ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন সামিয়া রহমান। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে সামিয়া রহমান ও মারজানের যৌথভাবে লেখা ‘এ নিউ ডাইমেনশন অব কলোনিয়ালিজম অ্যান্ড পপ কালচার : এ কেস স্ট্যাডি অব দ্য কালচারাল ইমপেরিয়ালিজম’ শিরোনামের আট পৃষ্ঠার একটি গবেষণা প্রবন্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সোশ্যাল সায়েন্স রিভিউ’ জার্নালে প্রকাশিত হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্প বনাম ব্যাড বানি: সুপার বাউল বিতর্কে লাতিন ভোটারদের সমর্থন ঝুঁকিতে

সামিয়া রহমানের বিষয়ে ঢাবির সিদ্ধান্ত আপিল বিভাগে অকার্যকর

০৫:৫৯:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক সামিয়া রহমানকে পদাবনতি দিয়ে ঢাবি সিন্ডিকেটের নেওয়া সিদ্ধান্ত অবৈধ ও বাতিল করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে তার পদাবনতির সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ঢাবি কর্তৃপক্ষের সিভিল পিটিশন অকার্যকর ঘোষণা করেছেন আপিল বিভাগ।

আজ আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বে চার বিচারপতির এ আদেশ দেন। আদালতে সামিয়া রহমানের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম। তিনি সাংবাদিকদের বলেন , ২০২২ সালের ৪ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষিকা সামিয়া রহমানকে পদাবনতির আদেশ অবৈধ ঘোষণা করেছিল হাইকোর্ট। পরে এই রায়ের বিরুদ্ধে ঢাবি কর্তৃপক্ষ সিভিল পিটিশন দায়ের করে। কিন্তু এরই মধ্যে ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর সামিয়া রহমান শিক্ষকতা থেকে স্বেচ্ছায় (আর্লি) অবসর নিয়েছেন। এ কারণে আপিল বিভাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আবেদন অকার্যকর ঘোষণা করেছেন। এর ফলে হাইকোর্টের রায় বহাল রয়েছে।

এর আগে ২০২২ সালের ৪ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষিকা সামিয়া রহমানকে পদাবনতির আদেশ অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে তাকে সব সুযোগ-সুবিধা ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন আদালত। এ বিষয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে (৪ আগস্ট বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি মো. আক্তারুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। তখন আদালতে সামিয়া রহমানের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী।

২০২১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের শিক্ষক সামিয়া রহমানকে পদাবনতি দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। থিসিস জালিয়াতির অভিযোগে এ শিক্ষককে সহযোগী অধ্যাপক থেকে এক ধাপ নামিয়ে সহকারী অধ্যাপক করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট। গত বছরের ৩১ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন সামিয়া রহমান। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে সামিয়া রহমান ও মারজানের যৌথভাবে লেখা ‘এ নিউ ডাইমেনশন অব কলোনিয়ালিজম অ্যান্ড পপ কালচার : এ কেস স্ট্যাডি অব দ্য কালচারাল ইমপেরিয়ালিজম’ শিরোনামের আট পৃষ্ঠার একটি গবেষণা প্রবন্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সোশ্যাল সায়েন্স রিভিউ’ জার্নালে প্রকাশিত হয়।