০৭:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
স্টিভেন স্পিলবার্গের নতুন ছবিতে এমিলি ব্লান্ট: অভিনয়ের মধ্যেই খুঁজে পান আত্মিক প্রশান্তি যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষুদ্র ব্যবসায় বড় ধাক্কা, বাড়তি খরচে টিকে থাকাই এখন চ্যালেঞ্জ আফগান সীমান্তে ড্রোন অনুপ্রবেশের দাবি খারিজ, পাকিস্তানের পাল্টা বক্তব্য কাস্ত্রপকে না খেলানো নিয়ে প্রশ্ন, দক্ষিণ কোরিয়ার কোচের সিদ্ধান্তে বিতর্ক কোরিয়ান নাটকে ইন্দোনেশিয়ার কফি ক্যান্ডির ঝড়, জনপ্রিয়তার শীর্ষে কোপিকো ভারতের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আইপিওর পথে রিলায়েন্স জিও, এআই খাতে বিশাল বিনিয়োগের পরিকল্পনা বিশ্বকাপের উন্মাদনায় ‘ক্যাপ্টেন সুবাসা’ এখন এআই ভিডিওতে, নতুন উদ্যোগ পিক্সভার্সের অস্ট্রেলিয়ায় ক্রীড়া বাজির বিজ্ঞাপনে লাগাম, তবু আসক্তি রোধে প্রশ্ন রয়ে গেল ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া কীভাবে দেওয়া হবে? ট্রাম্প প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞায় চাপে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান, বিভ্রান্ত কর্মীরা

বিশ্বব্যাংকের প্রকল্পে ‘চাঁদা’ বিতর্ক: মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ

ঢাকার সাভারের জামসিং জয়পাড়া এলাকায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন একটি উন্নয়ন প্রকল্পকে ঘিরে চাঁদা তোলার অভিযোগে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, পৌরসভার প্রকৌশলীদের অতিরিক্ত অর্থ দেওয়ার কথা বলে শতাধিক পরিবারের কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন ভুক্তভোগীরা এবং আদায়কৃত অর্থ ফেরতের দাবি জানিয়েছেন।

সাভার পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, কোভিড-১৯ প্রতিক্রিয়া ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প (এলজিসিআরআরপি) এর আওতায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে জয়পাড়া মহল্লায় দুটি অবকাঠামো উন্নয়নকাজ চলছে। এর মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৪৮ লাখ ৬০ হাজার টাকায় ৮০০ মিটার ইউনিব্লক সড়ক এবং প্রায় ৬৯ লাখ টাকায় ৩৫০ মিটার আরসিসি ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে।

মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে অর্থ সংগ্রহ

স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি অর্থায়নে প্রকল্প বাস্তবায়িত হলেও এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি প্রচার করেন যে ড্রেন নির্মাণের জন্য পৌরসভার প্রকৌশলীদের অতিরিক্ত অর্থ দিতে হবে। এই দাবির ভিত্তিতে জয়পাড়া মহল্লার একটি মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে বাসিন্দাদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হয়।

পরে এলাকাজুড়ে খবর ছড়িয়ে পড়ে যে প্রকল্পটি শতভাগ বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত হচ্ছে এবং এ কাজে স্থানীয়দের কাছ থেকে কোনো অর্থ নেওয়ার সুযোগ নেই। এরপরই অর্থ প্রদানকারীরা টাকা ফেরতের দাবি তুলতে শুরু করেন।

কারা তুলেছেন টাকা?

এলাকাবাসীর অভিযোগ অনুযায়ী, মসজিদ পরিচালনা কমিটির কয়েকজন সদস্য এবং স্থানীয় কিছু ব্যক্তি বাড়ির অবস্থান ও আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় ১০ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করেন। এভাবে কয়েক লাখ টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

মসজিদের ইমাম নাজির আহমেদ জানান, এলাকার দায়িত্বশীল কয়েকজনের অনুরোধে তিনি মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়েছিলেন।

ভুক্তভোগীদের ক্ষোভ

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা বলেন, তাদের জানানো হয়েছিল টাকা না দিলে বাড়ির সামনে ড্রেন নির্মাণ হবে না। সেই বিশ্বাসে অনেকে ধারদেনা করেও অর্থ দিয়েছেন। পরে জানতে পারেন, প্রকল্পটি সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম জানান, ড্রেন ও রাস্তার কাজের জন্য অর্থ প্রয়োজন বলে তার কাছ থেকেও ১০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। একই ধরনের অভিযোগ করেছেন আরও কয়েকজন বাসিন্দা। তাদের দাবি, বাড়ির সামনে ড্রেন নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে।

পৌরসভার অবস্থান

প্রকল্পের তদারকির দায়িত্বে থাকা সাভার পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) তৌফিক ইমাম রূপক বলেন, পুরো প্রকল্পই বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে। এলাকাবাসীর কাছ থেকে অর্থ নিয়ে কাজ করার কোনো সুযোগ নেই। যারা এভাবে অর্থ সংগ্রহ করেছে তারা অপরাধ করেছে।

সাভার পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) মোহাম্মদ আলম মিয়া বলেন, প্রকল্পের কাজে নাগরিকদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার কোনো বিধান নেই। প্রকৌশলীদের নাম ব্যবহার করে কেউ টাকা তুলে থাকলে তার দায় পৌরসভা নেবে না।

অভিযুক্তদের বক্তব্য ও প্রশাসনের সতর্কতা

অভিযোগের মুখে থাকা কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কেউ স্পষ্ট জবাব দেননি। তবে তাদের মধ্যে দুজন অর্থ সংগ্রহের কথা স্বীকার করে দাবি করেন, ড্রেন নির্মাণের জন্যই টাকা তোলা হয়েছিল এবং তা প্রকৌশলী অফিসে দেওয়া হয়েছে। তবে কার কাছে টাকা দেওয়া হয়েছে সে বিষয়ে তারা কোনো তথ্য দিতে পারেননি।

সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, এলাকাবাসীর কাছ থেকে অর্থ নিয়ে রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণের নামে একটি প্রতারক চক্র সক্রিয় ছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাধারণ মানুষের সরল বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে সরকারি প্রকল্পের নামে অর্থ আদায়ের এই অভিযোগ এখন এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভুক্তভোগীরা দ্রুত তদন্ত এবং অর্থ ফেরতের দাবি জানিয়েছেন।

বিশ্বব্যাংকের প্রকল্পে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ

সাভারের জয়পাড়ায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের নামে স্থানীয়দের কাছ থেকে লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীরা টাকা ফেরত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা দাবি করছেন।

সাভারের বিশ্বব্যাংক প্রকল্পে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ

সাভারের জয়পাড়ায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে চলমান রাস্তা ও ড্রেন প্রকল্পকে ঘিরে চাঁদা তোলার অভিযোগে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রকৌশলীদের নাম ব্যবহার করে লাখ টাকা আদায় করা হয়েছে। প্রশাসন বলছে, লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্টিভেন স্পিলবার্গের নতুন ছবিতে এমিলি ব্লান্ট: অভিনয়ের মধ্যেই খুঁজে পান আত্মিক প্রশান্তি

বিশ্বব্যাংকের প্রকল্পে ‘চাঁদা’ বিতর্ক: মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ

০৬:০৯:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

ঢাকার সাভারের জামসিং জয়পাড়া এলাকায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন একটি উন্নয়ন প্রকল্পকে ঘিরে চাঁদা তোলার অভিযোগে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, পৌরসভার প্রকৌশলীদের অতিরিক্ত অর্থ দেওয়ার কথা বলে শতাধিক পরিবারের কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন ভুক্তভোগীরা এবং আদায়কৃত অর্থ ফেরতের দাবি জানিয়েছেন।

সাভার পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, কোভিড-১৯ প্রতিক্রিয়া ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প (এলজিসিআরআরপি) এর আওতায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে জয়পাড়া মহল্লায় দুটি অবকাঠামো উন্নয়নকাজ চলছে। এর মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৪৮ লাখ ৬০ হাজার টাকায় ৮০০ মিটার ইউনিব্লক সড়ক এবং প্রায় ৬৯ লাখ টাকায় ৩৫০ মিটার আরসিসি ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে।

মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে অর্থ সংগ্রহ

স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি অর্থায়নে প্রকল্প বাস্তবায়িত হলেও এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি প্রচার করেন যে ড্রেন নির্মাণের জন্য পৌরসভার প্রকৌশলীদের অতিরিক্ত অর্থ দিতে হবে। এই দাবির ভিত্তিতে জয়পাড়া মহল্লার একটি মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে বাসিন্দাদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হয়।

পরে এলাকাজুড়ে খবর ছড়িয়ে পড়ে যে প্রকল্পটি শতভাগ বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত হচ্ছে এবং এ কাজে স্থানীয়দের কাছ থেকে কোনো অর্থ নেওয়ার সুযোগ নেই। এরপরই অর্থ প্রদানকারীরা টাকা ফেরতের দাবি তুলতে শুরু করেন।

কারা তুলেছেন টাকা?

এলাকাবাসীর অভিযোগ অনুযায়ী, মসজিদ পরিচালনা কমিটির কয়েকজন সদস্য এবং স্থানীয় কিছু ব্যক্তি বাড়ির অবস্থান ও আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় ১০ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করেন। এভাবে কয়েক লাখ টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

মসজিদের ইমাম নাজির আহমেদ জানান, এলাকার দায়িত্বশীল কয়েকজনের অনুরোধে তিনি মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়েছিলেন।

ভুক্তভোগীদের ক্ষোভ

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা বলেন, তাদের জানানো হয়েছিল টাকা না দিলে বাড়ির সামনে ড্রেন নির্মাণ হবে না। সেই বিশ্বাসে অনেকে ধারদেনা করেও অর্থ দিয়েছেন। পরে জানতে পারেন, প্রকল্পটি সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম জানান, ড্রেন ও রাস্তার কাজের জন্য অর্থ প্রয়োজন বলে তার কাছ থেকেও ১০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। একই ধরনের অভিযোগ করেছেন আরও কয়েকজন বাসিন্দা। তাদের দাবি, বাড়ির সামনে ড্রেন নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে।

পৌরসভার অবস্থান

প্রকল্পের তদারকির দায়িত্বে থাকা সাভার পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) তৌফিক ইমাম রূপক বলেন, পুরো প্রকল্পই বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে। এলাকাবাসীর কাছ থেকে অর্থ নিয়ে কাজ করার কোনো সুযোগ নেই। যারা এভাবে অর্থ সংগ্রহ করেছে তারা অপরাধ করেছে।

সাভার পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) মোহাম্মদ আলম মিয়া বলেন, প্রকল্পের কাজে নাগরিকদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার কোনো বিধান নেই। প্রকৌশলীদের নাম ব্যবহার করে কেউ টাকা তুলে থাকলে তার দায় পৌরসভা নেবে না।

অভিযুক্তদের বক্তব্য ও প্রশাসনের সতর্কতা

অভিযোগের মুখে থাকা কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কেউ স্পষ্ট জবাব দেননি। তবে তাদের মধ্যে দুজন অর্থ সংগ্রহের কথা স্বীকার করে দাবি করেন, ড্রেন নির্মাণের জন্যই টাকা তোলা হয়েছিল এবং তা প্রকৌশলী অফিসে দেওয়া হয়েছে। তবে কার কাছে টাকা দেওয়া হয়েছে সে বিষয়ে তারা কোনো তথ্য দিতে পারেননি।

সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, এলাকাবাসীর কাছ থেকে অর্থ নিয়ে রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণের নামে একটি প্রতারক চক্র সক্রিয় ছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাধারণ মানুষের সরল বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে সরকারি প্রকল্পের নামে অর্থ আদায়ের এই অভিযোগ এখন এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভুক্তভোগীরা দ্রুত তদন্ত এবং অর্থ ফেরতের দাবি জানিয়েছেন।

বিশ্বব্যাংকের প্রকল্পে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ

সাভারের জয়পাড়ায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের নামে স্থানীয়দের কাছ থেকে লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীরা টাকা ফেরত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা দাবি করছেন।

সাভারের বিশ্বব্যাংক প্রকল্পে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ

সাভারের জয়পাড়ায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে চলমান রাস্তা ও ড্রেন প্রকল্পকে ঘিরে চাঁদা তোলার অভিযোগে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রকৌশলীদের নাম ব্যবহার করে লাখ টাকা আদায় করা হয়েছে। প্রশাসন বলছে, লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।