১১:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
চাঁদপুরে দীর্ঘ লোডশেডিংয়ের ক্ষোভ: পল্লী বিদ্যুতের কর্মীকে তুলে নিয়ে মারধরের অভিযোগ বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞদের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে বাড়বে বিনিয়োগ ও উন্নয়ন সহযোগিতা রক্ষণ ভাঙার সব কৌশল ছিল, গোলটাই ছিল না: ঘানার কাছে কেন থমকে গেল ইংল্যান্ড চীনের বুলেট ট্রেনে বেইজিং পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সৌরঝড়ের আতঙ্ক কতটা বাস্তব, আর কতটা মোকাবিলা করা সম্ভব? রোনালদিনহোর অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন: ৪৬ বছর বয়সে ইতালির রাভেন্নায় যোগ দিলেন ব্রাজিল কিংবদন্তি ডলার নির্ভরতা কমাতে ইন্দোনেশিয়া-চীনের নতুন উদ্যোগ, স্থানীয় মুদ্রায় লেনদেনে গতি পোশাক খাতে পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স সহজ করার দাবি বিজিএমইএর ট্রাম্প-ইরান আলোচনায় প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব, চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা ফেনীতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে পিকআপের ধাক্কা, নিহত ২

সরকারি গুদামে খাদ্যশস্যের মজুত ২০.৭২ লাখ টন, বোরো মৌসুমে সংগ্রহ অভিযান জোরদার

দেশের সরকারি খাদ্যগুদামগুলোতে বর্তমানে ২০ লাখ ৭২ হাজার ৭৫৪ মেট্রিক টন খাদ্যশস্যের মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার। এর মধ্যে চাল ও গম উভয়ই অন্তর্ভুক্ত। জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী এ তথ্য তুলে ধরেন।

মঙ্গলবার সংসদের অধিবেশনে কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমানের এক তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ২০২৬ সালের ২১ জুন পর্যন্ত দেশের সরকারি খাদ্যগুদামগুলোতে এই পরিমাণ খাদ্যশস্য সংরক্ষিত রয়েছে। অধিবেশনের শুরুতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ প্রশ্নোত্তর পর্বটি উপস্থাপন করেন।

খাদ্য মজুত শক্তিশালী করতে উদ্যোগ

খাদ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে সরকার ব্যাপক খাদ্যশস্য সংগ্রহ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে ২০২৬ সালের বোরো মৌসুমকে সামনে রেখে অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে।

সরকার চলতি বোরো মৌসুমে ৫ লাখ মেট্রিক টন ধান, ১২ লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল, ১ লাখ মেট্রিক টন আতপ চাল এবং ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারি খাদ্যভান্ডার আরও সমৃদ্ধ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সংগ্রহ কার্যক্রমের অগ্রগতি

সংসদে দেওয়া তথ্যে আবদুল বারী জানান, ২১ জুন পর্যন্ত সরকার ২ লাখ ১ হাজার ২৯৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করেছে। একই সময়ে সংগ্রহ করা হয়েছে ৬ লাখ ২ হাজার ৪৮৭ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল।

এ ছাড়া ৩৬ হাজার ৮৭৯ মেট্রিক টন আতপ চাল এবং ৫০০ মেট্রিক টন গম সংগ্রহ করা হয়েছে। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় সংগ্রহ কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে এবং আগামী মাসগুলোতে এর পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

আগস্টের মধ্যেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের আশা

খাদ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী এগিয়ে চলছে। আগামী ৩১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত চলমান সংগ্রহ মৌসুমের মধ্যে ধান ও চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সরকারের মতে, পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুত রাখা এবং অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ কার্যক্রম অব্যাহত রাখা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। একই সঙ্গে বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতেও এ ধরনের উদ্যোগ সহায়ক হবে।

সরকারি খাদ্যগুদামে চাল-গমের মজুত ২০.৭২ লাখ টনে পৌঁছেছে; বোরো মৌসুমে ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম জোরদার করেছে সরকার।

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুরে দীর্ঘ লোডশেডিংয়ের ক্ষোভ: পল্লী বিদ্যুতের কর্মীকে তুলে নিয়ে মারধরের অভিযোগ

সরকারি গুদামে খাদ্যশস্যের মজুত ২০.৭২ লাখ টন, বোরো মৌসুমে সংগ্রহ অভিযান জোরদার

০৬:৩১:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

দেশের সরকারি খাদ্যগুদামগুলোতে বর্তমানে ২০ লাখ ৭২ হাজার ৭৫৪ মেট্রিক টন খাদ্যশস্যের মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার। এর মধ্যে চাল ও গম উভয়ই অন্তর্ভুক্ত। জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী এ তথ্য তুলে ধরেন।

মঙ্গলবার সংসদের অধিবেশনে কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমানের এক তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ২০২৬ সালের ২১ জুন পর্যন্ত দেশের সরকারি খাদ্যগুদামগুলোতে এই পরিমাণ খাদ্যশস্য সংরক্ষিত রয়েছে। অধিবেশনের শুরুতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ প্রশ্নোত্তর পর্বটি উপস্থাপন করেন।

খাদ্য মজুত শক্তিশালী করতে উদ্যোগ

খাদ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে সরকার ব্যাপক খাদ্যশস্য সংগ্রহ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে ২০২৬ সালের বোরো মৌসুমকে সামনে রেখে অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে।

সরকার চলতি বোরো মৌসুমে ৫ লাখ মেট্রিক টন ধান, ১২ লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল, ১ লাখ মেট্রিক টন আতপ চাল এবং ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারি খাদ্যভান্ডার আরও সমৃদ্ধ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সংগ্রহ কার্যক্রমের অগ্রগতি

সংসদে দেওয়া তথ্যে আবদুল বারী জানান, ২১ জুন পর্যন্ত সরকার ২ লাখ ১ হাজার ২৯৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করেছে। একই সময়ে সংগ্রহ করা হয়েছে ৬ লাখ ২ হাজার ৪৮৭ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল।

এ ছাড়া ৩৬ হাজার ৮৭৯ মেট্রিক টন আতপ চাল এবং ৫০০ মেট্রিক টন গম সংগ্রহ করা হয়েছে। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় সংগ্রহ কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে এবং আগামী মাসগুলোতে এর পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

আগস্টের মধ্যেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের আশা

খাদ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী এগিয়ে চলছে। আগামী ৩১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত চলমান সংগ্রহ মৌসুমের মধ্যে ধান ও চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সরকারের মতে, পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুত রাখা এবং অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ কার্যক্রম অব্যাহত রাখা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। একই সঙ্গে বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতেও এ ধরনের উদ্যোগ সহায়ক হবে।

সরকারি খাদ্যগুদামে চাল-গমের মজুত ২০.৭২ লাখ টনে পৌঁছেছে; বোরো মৌসুমে ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম জোরদার করেছে সরকার।