১০:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞদের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে বাড়বে বিনিয়োগ ও উন্নয়ন সহযোগিতা রক্ষণ ভাঙার সব কৌশল ছিল, গোলটাই ছিল না: ঘানার কাছে কেন থমকে গেল ইংল্যান্ড চীনের বুলেট ট্রেনে বেইজিং পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সৌরঝড়ের আতঙ্ক কতটা বাস্তব, আর কতটা মোকাবিলা করা সম্ভব? রোনালদিনহোর অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন: ৪৬ বছর বয়সে ইতালির রাভেন্নায় যোগ দিলেন ব্রাজিল কিংবদন্তি ডলার নির্ভরতা কমাতে ইন্দোনেশিয়া-চীনের নতুন উদ্যোগ, স্থানীয় মুদ্রায় লেনদেনে গতি পোশাক খাতে পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স সহজ করার দাবি বিজিএমইএর ট্রাম্প-ইরান আলোচনায় প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব, চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা ফেনীতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে পিকআপের ধাক্কা, নিহত ২  নিরাপত্তার রাজনীতি ও দ্বিধাগ্রস্ত জনমত: জাপানের নতুন বাস্তবতা

ট্রাম্প-ইরান আলোচনায় প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব, চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনায় একের পর এক পরস্পরবিরোধী বক্তব্য সামনে আসায় সম্ভাব্য সমঝোতা চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর প্রশাসনের কর্মকর্তারা যেসব অগ্রগতির কথা প্রকাশ্যে তুলে ধরছেন, সেগুলোর বেশ কয়েকটি দাবি দ্রুতই খণ্ডন করছে তেহরান। ফলে আলোচনার প্রকৃত অবস্থা নিয়ে বিভ্রান্তি যেমন বাড়ছে, তেমনি জটিল হয়ে উঠছে কূটনৈতিক প্রক্রিয়াও।

সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান ভবিষ্যতে সর্বোচ্চ পর্যায়ের পারমাণবিক পরিদর্শন মেনে নিতে রাজি হয়েছে। তবে ইরানি কর্মকর্তারা এর সঙ্গে সরাসরি একমত হননি। তাদের বক্তব্য, যুক্তরাষ্ট্র এক বছর আগে যেসব পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল, সেসব স্থাপনায় আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের প্রবেশের কোনো তাৎক্ষণিক পরিকল্পনা নেই।

একই ধরনের মতপার্থক্য দেখা গেছে ইরানের জব্দকৃত অর্থ ব্যবহারের প্রশ্নেও। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, অর্থ অবমুক্ত হলে তার ব্যবহারে যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের তদারকি থাকবে এবং সেই অর্থ দিয়ে মার্কিন কৃষিপণ্য কেনা হবে। কিন্তু ইরান দাবি করেছে, স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

আলোচনার কৌশলে নতুন বাস্তবতা

অতীতে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় একটি প্রচলিত নীতি ছিল—সব বিষয়ে সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত কোনো বিষয়কে চূড়ান্ত ধরা হবে না। কিন্তু এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। আলোচনার মাঝপথেই মার্কিন পক্ষ বিভিন্ন অগ্রগতির কথা প্রকাশ্যে জানাচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন আলোচনার কাঙ্ক্ষিত ফলাফলগুলোকে আগেভাগেই প্রতিষ্ঠিত বাস্তবতা হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। অন্যদিকে ইরানও দ্রুত পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করছে, যাতে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে কোণঠাসা না হতে হয়।

ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের পররাষ্ট্রনীতি বিশেষজ্ঞ সুজান মালোনির মতে, ওয়াশিংটন ও তেহরান উভয়ই জনমতের লড়াইয়ে নিজেদের পছন্দের বয়ান প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। তাঁর ভাষায়, দুই পক্ষের প্রকাশ্য অবস্থানই দেখিয়ে দিচ্ছে যে এখনো অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বড় ধরনের ব্যবধান রয়ে গেছে।

পারমাণবিক পরিদর্শন নিয়ে মতবিরোধ

আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক বৈঠকে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ)-এর পরিদর্শন ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, সন্দেহভাজন স্থাপনাগুলোতে স্বল্প নোটিশে প্রবেশের বিস্তৃত ক্ষমতা দেওয়া হতে পারে আইএইএকে।

সংস্থাটির মহাপরিচালক রাফায়েল মারিয়ানো গ্রোসি আলোচনায় উভয় পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন এবং কী ধরনের প্রবেশাধিকার প্রয়োজন হতে পারে তা ব্যাখ্যা করেন। ইরান নীতিগতভাবে বিষয়টি বিবেচনা করতে রাজি হলেও সময়সূচি ও বিস্তারিত শর্ত নির্ধারণে আরও অগ্রগতি চায়, বিশেষ করে অবরুদ্ধ অর্থে প্রবেশাধিকারের প্রশ্নে।

অভ্যন্তরীণ চাপও বড় বাধা

বিশ্লেষকদের মতে, আলোচনার জটিলতার একটি বড় কারণ দুই দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বাস্তবতা। ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা নিয়ে আপত্তিকারী শক্ত অবস্থানের গোষ্ঠীগুলো সক্রিয়। একই সঙ্গে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি প্রাথমিক চুক্তি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন।

অন্যদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপরও দ্রুত দৃশ্যমান সাফল্য দেখানোর চাপ রয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির বাণিজ্যিক চলাচল স্বাভাবিক করা এবং আলোচনায় দ্রুত ফল আনার বিষয়ে ওয়াশিংটনের আগ্রহ স্পষ্ট।

চুক্তির পথ এখনো দীর্ঘ

২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির মার্কিন আলোচক দলের সাবেক সদস্য রিচার্ড নেফিউর মতে, বর্তমান আলোচনা দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে, কিন্তু পুরো প্রক্রিয়াটি এখনো অসম্পূর্ণ ও অগোছালো মনে হচ্ছে। তাঁর মতে, দুই পক্ষের মৌলিক মতপার্থক্য এখনো দূর হয়নি, বরং তা সাময়িকভাবে আড়াল করার চেষ্টা চলছে।

পর্যবেক্ষকদের ধারণা, প্রকাশ্য এই বিরোধ ও পাল্টাপাল্টি বক্তব্য যদি অব্যাহত থাকে, তাহলে সম্ভাব্য চুক্তির পথ আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে। যদিও আলোচনার টেবিলে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে, তবু চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে দুই পক্ষকে এখনো বহু জটিল প্রশ্নের সমাধান করতে হবে।

ডেভিড ই. স্যাঙ্গার ও ইয়েগানেহ তোরবাতি

ট্রাম্প-ইরান আলোচনায় একের পর এক পরস্পরবিরোধী বক্তব্য নতুন চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে। পারমাণবিক পরিদর্শন ও অবমুক্ত অর্থ ব্যবহারে মতভেদ এখনো কাটেনি।

#ইরান #যুক্তরাষ্ট্র #ডোনাল্ড_ট্রাম্প #পারমাণবিক_চুক্তি #জেডি_ভ্যান্স #আইএইএ #কূটনীতি #মধ্যপ্রাচ্য #সারাক্ষণ

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞদের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে বাড়বে বিনিয়োগ ও উন্নয়ন সহযোগিতা

ট্রাম্প-ইরান আলোচনায় প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব, চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা

০৮:৪১:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনায় একের পর এক পরস্পরবিরোধী বক্তব্য সামনে আসায় সম্ভাব্য সমঝোতা চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর প্রশাসনের কর্মকর্তারা যেসব অগ্রগতির কথা প্রকাশ্যে তুলে ধরছেন, সেগুলোর বেশ কয়েকটি দাবি দ্রুতই খণ্ডন করছে তেহরান। ফলে আলোচনার প্রকৃত অবস্থা নিয়ে বিভ্রান্তি যেমন বাড়ছে, তেমনি জটিল হয়ে উঠছে কূটনৈতিক প্রক্রিয়াও।

সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান ভবিষ্যতে সর্বোচ্চ পর্যায়ের পারমাণবিক পরিদর্শন মেনে নিতে রাজি হয়েছে। তবে ইরানি কর্মকর্তারা এর সঙ্গে সরাসরি একমত হননি। তাদের বক্তব্য, যুক্তরাষ্ট্র এক বছর আগে যেসব পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল, সেসব স্থাপনায় আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের প্রবেশের কোনো তাৎক্ষণিক পরিকল্পনা নেই।

একই ধরনের মতপার্থক্য দেখা গেছে ইরানের জব্দকৃত অর্থ ব্যবহারের প্রশ্নেও। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, অর্থ অবমুক্ত হলে তার ব্যবহারে যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের তদারকি থাকবে এবং সেই অর্থ দিয়ে মার্কিন কৃষিপণ্য কেনা হবে। কিন্তু ইরান দাবি করেছে, স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

আলোচনার কৌশলে নতুন বাস্তবতা

অতীতে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় একটি প্রচলিত নীতি ছিল—সব বিষয়ে সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত কোনো বিষয়কে চূড়ান্ত ধরা হবে না। কিন্তু এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। আলোচনার মাঝপথেই মার্কিন পক্ষ বিভিন্ন অগ্রগতির কথা প্রকাশ্যে জানাচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন আলোচনার কাঙ্ক্ষিত ফলাফলগুলোকে আগেভাগেই প্রতিষ্ঠিত বাস্তবতা হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। অন্যদিকে ইরানও দ্রুত পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করছে, যাতে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে কোণঠাসা না হতে হয়।

ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের পররাষ্ট্রনীতি বিশেষজ্ঞ সুজান মালোনির মতে, ওয়াশিংটন ও তেহরান উভয়ই জনমতের লড়াইয়ে নিজেদের পছন্দের বয়ান প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। তাঁর ভাষায়, দুই পক্ষের প্রকাশ্য অবস্থানই দেখিয়ে দিচ্ছে যে এখনো অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বড় ধরনের ব্যবধান রয়ে গেছে।

পারমাণবিক পরিদর্শন নিয়ে মতবিরোধ

আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক বৈঠকে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ)-এর পরিদর্শন ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, সন্দেহভাজন স্থাপনাগুলোতে স্বল্প নোটিশে প্রবেশের বিস্তৃত ক্ষমতা দেওয়া হতে পারে আইএইএকে।

সংস্থাটির মহাপরিচালক রাফায়েল মারিয়ানো গ্রোসি আলোচনায় উভয় পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন এবং কী ধরনের প্রবেশাধিকার প্রয়োজন হতে পারে তা ব্যাখ্যা করেন। ইরান নীতিগতভাবে বিষয়টি বিবেচনা করতে রাজি হলেও সময়সূচি ও বিস্তারিত শর্ত নির্ধারণে আরও অগ্রগতি চায়, বিশেষ করে অবরুদ্ধ অর্থে প্রবেশাধিকারের প্রশ্নে।

অভ্যন্তরীণ চাপও বড় বাধা

বিশ্লেষকদের মতে, আলোচনার জটিলতার একটি বড় কারণ দুই দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বাস্তবতা। ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা নিয়ে আপত্তিকারী শক্ত অবস্থানের গোষ্ঠীগুলো সক্রিয়। একই সঙ্গে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি প্রাথমিক চুক্তি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন।

অন্যদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপরও দ্রুত দৃশ্যমান সাফল্য দেখানোর চাপ রয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির বাণিজ্যিক চলাচল স্বাভাবিক করা এবং আলোচনায় দ্রুত ফল আনার বিষয়ে ওয়াশিংটনের আগ্রহ স্পষ্ট।

চুক্তির পথ এখনো দীর্ঘ

২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির মার্কিন আলোচক দলের সাবেক সদস্য রিচার্ড নেফিউর মতে, বর্তমান আলোচনা দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে, কিন্তু পুরো প্রক্রিয়াটি এখনো অসম্পূর্ণ ও অগোছালো মনে হচ্ছে। তাঁর মতে, দুই পক্ষের মৌলিক মতপার্থক্য এখনো দূর হয়নি, বরং তা সাময়িকভাবে আড়াল করার চেষ্টা চলছে।

পর্যবেক্ষকদের ধারণা, প্রকাশ্য এই বিরোধ ও পাল্টাপাল্টি বক্তব্য যদি অব্যাহত থাকে, তাহলে সম্ভাব্য চুক্তির পথ আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে। যদিও আলোচনার টেবিলে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে, তবু চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে দুই পক্ষকে এখনো বহু জটিল প্রশ্নের সমাধান করতে হবে।

ডেভিড ই. স্যাঙ্গার ও ইয়েগানেহ তোরবাতি

ট্রাম্প-ইরান আলোচনায় একের পর এক পরস্পরবিরোধী বক্তব্য নতুন চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে। পারমাণবিক পরিদর্শন ও অবমুক্ত অর্থ ব্যবহারে মতভেদ এখনো কাটেনি।

#ইরান #যুক্তরাষ্ট্র #ডোনাল্ড_ট্রাম্প #পারমাণবিক_চুক্তি #জেডি_ভ্যান্স #আইএইএ #কূটনীতি #মধ্যপ্রাচ্য #সারাক্ষণ