০৩:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
নির্বাচিত প্রতিষ্ঠান যখন ক্ষমতার যুদ্ধে বন্দি যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নজরদারিতে ৭০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল অনুমোদন, ট্রাম্পের স্বাক্ষরের অপেক্ষা আমেরিকার সামাজিক নিরাপত্তা তহবিল সংকটে, ২০৩৩ সালের আগেই ফুরিয়ে যেতে পারে সঞ্চয় নিখোঁজ সাংবাদিক ইয়াসির আয়াজ চার দিন পর উদ্ধার, ফিরলেন পরিবারের কাছে ইমরান খানের পুনর্বিবেচনা আবেদনের রায় বৃহস্পতিবার, শেহবাজের মানহানি মামলায় নতুন মোড় বেলুচিস্তানে অভিযানে নিহত ১৪ সশস্ত্র সদস্য, প্রাণ হারালেন এক সেনা সদস্য বিদেশে গিয়ে আশ্রয় আবেদন, দেশে না ফেরা হাজারো পাকিস্তানি নিয়ে উদ্বেগ পাকিস্তান এশিয়ান গেমসে নতুন অধিনায়ক, সাহিবজাদা ফারহানের নেতৃত্বে দল ঘোষণা ১২ বছর শিকলে বন্দি নারী উদ্ধার, বাবা-ভাই গ্রেপ্তার হরমুজের কাছে নতুন মার্কিন হামলার পর জর্ডান ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা আঘাত

মিয়ানমারে সংঘাত : আবারও বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে ২৯ সীমান্তরক্ষী

  • Sarakhon Report
  • ০৫:২৭:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মার্চ ২০২৪
  • 170

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া বিজিপি সদস্যরা ও তাদের অস্ত্র। ছবি: সংগৃহীত

জাফর আলম, কক্সবাজার : মিয়ানমারে  চলা সংঘাতের কারণে আবারও দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিপি) ২৯ জন পালিয়ে  বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।  বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) হেফাজতে তাদেরকে নেওয়া হয়েছে। সোমবার  দুপুর ১২টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ির সীমান্তের জামছড়ির ৪৫-৪৬ নম্বর সীমান্ত পিলারের মাঝামাঝি এলাকা দিয়ে তারা বাংলাদেশ সীমান্তে প্রবেশ করে। বিজিবির সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ১১ বিজিবির নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ জামছড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা দিয়ে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর অংথাপায়া ক্যাম্প থেকে এসব বিজিপি সদস্য বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের কাছ থেকে অস্ত্র জমা নিয়ে বিজিবি তাদের হেফাজতে রেখেছে। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাকারিয়া ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন।  তিনি বলেন, সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় গত এক সপ্তাহ ধরে গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়নি।
সীমান্তের লোকজন জানিয়েছেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে দূরের এলাকায় আরাকান আর্মির তাড়া খেয়ে এই ২৯ জন পালিয়ে এসেছে। এর আগে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘাতের জেরে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা মিয়ানমারের সেনাসহ ৩৩০ জনকে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে ফেরত পাঠানো হয়।
গত ২ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্তের ওপারে আরাকান আর্মির সঙ্গে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির সংঘর্ষ শুরু হয়। এর জের ধরে ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন বিজিপিসহ ৩৩০ জন। যার মধ্যে ৩০২ জন বিজিপি সদস্য, ৪ জন বিজিপি পরিবারের সদস্য, ২ জন সেনাসদস্য, ১৮ জন ইমিগ্রেশন সদস্য ও ৪ জন বেসামরিক নাগরিক ছিলেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচিত প্রতিষ্ঠান যখন ক্ষমতার যুদ্ধে বন্দি

মিয়ানমারে সংঘাত : আবারও বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে ২৯ সীমান্তরক্ষী

০৫:২৭:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মার্চ ২০২৪
জাফর আলম, কক্সবাজার : মিয়ানমারে  চলা সংঘাতের কারণে আবারও দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিপি) ২৯ জন পালিয়ে  বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।  বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) হেফাজতে তাদেরকে নেওয়া হয়েছে। সোমবার  দুপুর ১২টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ির সীমান্তের জামছড়ির ৪৫-৪৬ নম্বর সীমান্ত পিলারের মাঝামাঝি এলাকা দিয়ে তারা বাংলাদেশ সীমান্তে প্রবেশ করে। বিজিবির সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ১১ বিজিবির নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ জামছড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা দিয়ে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর অংথাপায়া ক্যাম্প থেকে এসব বিজিপি সদস্য বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের কাছ থেকে অস্ত্র জমা নিয়ে বিজিবি তাদের হেফাজতে রেখেছে। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাকারিয়া ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন।  তিনি বলেন, সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় গত এক সপ্তাহ ধরে গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়নি।
সীমান্তের লোকজন জানিয়েছেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে দূরের এলাকায় আরাকান আর্মির তাড়া খেয়ে এই ২৯ জন পালিয়ে এসেছে। এর আগে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘাতের জেরে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা মিয়ানমারের সেনাসহ ৩৩০ জনকে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে ফেরত পাঠানো হয়।
গত ২ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্তের ওপারে আরাকান আর্মির সঙ্গে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির সংঘর্ষ শুরু হয়। এর জের ধরে ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন বিজিপিসহ ৩৩০ জন। যার মধ্যে ৩০২ জন বিজিপি সদস্য, ৪ জন বিজিপি পরিবারের সদস্য, ২ জন সেনাসদস্য, ১৮ জন ইমিগ্রেশন সদস্য ও ৪ জন বেসামরিক নাগরিক ছিলেন।