০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬
চীনের কারখানায় ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত, আট মাসের মন্দা ভেঙে ডিসেম্বরে উৎপাদন বাড়ল তাইওয়ান ঘিরে চীনের সামরিক মহড়া, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দৃঢ় অবস্থানের বার্তা ধান রপ্তানিতে ভারতের আধিপত্য, নীরবে গভীর হচ্ছে পানির সংকট সিগারেটে নতুন করের ধাক্কা, ধসে ভারতের তামাক শেয়ার বাজার মার্কিন শ্রমবাজারে বছরের শেষে স্বস্তির ইঙ্গিত, তবে অনিশ্চয়তা কাটেনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে হৃদ্‌রোগে প্রাণ গেল ১৭ বছরের ভারতীয় শিক্ষার্থীর, কোনো পূর্ববর্তী অসুস্থতার ইতিহাস ছিল না সুইজারল্যান্ডের ক্রাঁ-মন্তানায় বারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: নতুন বছরের প্রথম প্রহরে বহু প্রাণহানির আশঙ্কা নগদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ লেনদেন, ২০২৫ সালে প্রায় সাড়ে তিন লাখ কোটি টাকার মাইলফলক জামায়াত আমিরের সঙ্গে তারেক রহমানের সাক্ষাৎ, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সমবেদনা ইসলামী ব্যাংকে এক হাজার প্রশিক্ষণ সহকারী কর্মকর্তার বরণ

মিয়ানমারে সংঘাত : আবারও বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে ২৯ সীমান্তরক্ষী

  • Sarakhon Report
  • ০৫:২৭:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মার্চ ২০২৪
  • 112

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া বিজিপি সদস্যরা ও তাদের অস্ত্র। ছবি: সংগৃহীত

জাফর আলম, কক্সবাজার : মিয়ানমারে  চলা সংঘাতের কারণে আবারও দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিপি) ২৯ জন পালিয়ে  বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।  বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) হেফাজতে তাদেরকে নেওয়া হয়েছে। সোমবার  দুপুর ১২টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ির সীমান্তের জামছড়ির ৪৫-৪৬ নম্বর সীমান্ত পিলারের মাঝামাঝি এলাকা দিয়ে তারা বাংলাদেশ সীমান্তে প্রবেশ করে। বিজিবির সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ১১ বিজিবির নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ জামছড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা দিয়ে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর অংথাপায়া ক্যাম্প থেকে এসব বিজিপি সদস্য বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের কাছ থেকে অস্ত্র জমা নিয়ে বিজিবি তাদের হেফাজতে রেখেছে। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাকারিয়া ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন।  তিনি বলেন, সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় গত এক সপ্তাহ ধরে গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়নি।
সীমান্তের লোকজন জানিয়েছেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে দূরের এলাকায় আরাকান আর্মির তাড়া খেয়ে এই ২৯ জন পালিয়ে এসেছে। এর আগে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘাতের জেরে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা মিয়ানমারের সেনাসহ ৩৩০ জনকে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে ফেরত পাঠানো হয়।
গত ২ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্তের ওপারে আরাকান আর্মির সঙ্গে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির সংঘর্ষ শুরু হয়। এর জের ধরে ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন বিজিপিসহ ৩৩০ জন। যার মধ্যে ৩০২ জন বিজিপি সদস্য, ৪ জন বিজিপি পরিবারের সদস্য, ২ জন সেনাসদস্য, ১৮ জন ইমিগ্রেশন সদস্য ও ৪ জন বেসামরিক নাগরিক ছিলেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের কারখানায় ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত, আট মাসের মন্দা ভেঙে ডিসেম্বরে উৎপাদন বাড়ল

মিয়ানমারে সংঘাত : আবারও বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে ২৯ সীমান্তরক্ষী

০৫:২৭:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মার্চ ২০২৪
জাফর আলম, কক্সবাজার : মিয়ানমারে  চলা সংঘাতের কারণে আবারও দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিপি) ২৯ জন পালিয়ে  বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।  বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) হেফাজতে তাদেরকে নেওয়া হয়েছে। সোমবার  দুপুর ১২টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ির সীমান্তের জামছড়ির ৪৫-৪৬ নম্বর সীমান্ত পিলারের মাঝামাঝি এলাকা দিয়ে তারা বাংলাদেশ সীমান্তে প্রবেশ করে। বিজিবির সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ১১ বিজিবির নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ জামছড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা দিয়ে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর অংথাপায়া ক্যাম্প থেকে এসব বিজিপি সদস্য বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের কাছ থেকে অস্ত্র জমা নিয়ে বিজিবি তাদের হেফাজতে রেখেছে। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাকারিয়া ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন।  তিনি বলেন, সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় গত এক সপ্তাহ ধরে গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়নি।
সীমান্তের লোকজন জানিয়েছেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে দূরের এলাকায় আরাকান আর্মির তাড়া খেয়ে এই ২৯ জন পালিয়ে এসেছে। এর আগে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘাতের জেরে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা মিয়ানমারের সেনাসহ ৩৩০ জনকে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে ফেরত পাঠানো হয়।
গত ২ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্তের ওপারে আরাকান আর্মির সঙ্গে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির সংঘর্ষ শুরু হয়। এর জের ধরে ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন বিজিপিসহ ৩৩০ জন। যার মধ্যে ৩০২ জন বিজিপি সদস্য, ৪ জন বিজিপি পরিবারের সদস্য, ২ জন সেনাসদস্য, ১৮ জন ইমিগ্রেশন সদস্য ও ৪ জন বেসামরিক নাগরিক ছিলেন।