খাদ্য মজুত শক্তিশালী রাখতে যুক্তরাষ্ট্র ও সিঙ্গাপুর থেকে মোট ২ লাখ ৭০ হাজার মেট্রিক টন গম আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এই গম কিনতে মোট ব্যয় হবে ১ হাজার ৫২ কোটি ৪০ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন এবং সিঙ্গাপুর থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম আমদানি করা হবে।
বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ-সংক্রান্ত দুটি পৃথক প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
জিটুজি পদ্ধতিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম
অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে সরকার থেকে সরকার (জিটুজি) পদ্ধতিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন গম কেনা হবে। প্রতি মেট্রিক টন গমের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩২২ মার্কিন ডলার। এতে মোট ব্যয় হবে ৮৬৯ কোটি ৫৬ লাখ ১০ হাজার টাকা।
সরকারের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা সমঝোতার আওতায় এই আমদানি হচ্ছে। এর আগে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী বাংলাদেশ পাঁচ বছর ধরে প্রতিবছর ৭ লাখ টন করে যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম আমদানি করবে। চলতি অর্থবছরেও এর অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে দেশটি থেকে গম কেনা হয়েছে।
সিঙ্গাপুর থেকেও আসছে ৫০ হাজার টন
একই বৈঠকে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে সিঙ্গাপুরের এগ্রোকর্প ইন্টারন্যাশনাল পিটিই লিমিটেড থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম কেনার প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়।
এই চালানের জন্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮২ কোটি ৮৪ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। প্রতি মেট্রিক টন গমের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯৭ দশমিক ৯২ মার্কিন ডলার।
আগের সমঝোতার ধারাবাহিকতা
সরকারের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গম আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করার লক্ষ্যে। সেই ধারাবাহিকতায় ইউএস হুইট সমিতির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়। বর্তমান আমদানিও সেই কাঠামোর আওতায় বাস্তবায়িত হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও সিঙ্গাপুর থেকে নতুন এই গম আমদানির মাধ্যমে দেশের খাদ্য সরবরাহ ও সরকারি মজুত ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও সিঙ্গাপুর থেকে ২ লাখ ৭০ হাজার টন গম আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ১ হাজার ৫২ কোটি টাকার বেশি।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















