১০:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬
সরকারি অর্থের প্রকৃত ঠিকানা: ট্রেজারি সংস্কারের সাফল্য নির্ভর করবে বাস্তবায়নের ওপর কাবুলে পানির সংকট নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা, শহরের ভবিষ্যৎ উন্নয়নও ঝুঁকিতে ‘দ্য ওডিসি’ প্রচারে দেবী-প্রেরণার সাজে জেনডায়া, ফ্যাশনে চরিত্রের ভাষা কঙ্গোয় ইবোলা চিকিৎসায় প্রথম ট্রায়াল শুরু, ১৪০০ জন আক্রান্ত অং সান সু চির সঙ্গে দেখা করতে দিল না মিয়ানমার জান্তা থাই বিমানসেবিকার মাধ্যমে হেরোইন পাচার, উৎস মিয়ানমার সন্দেহ পঁচিশ বছর পর তাইওয়ান সেনায় ফিরল কমিউনিস্ট বিরোধী শিক্ষা আমির খানের ব্যক্তিগত আয়োজনে বিয়ে, গৌরী স্প্রাটের সঙ্গে নতুন অধ্যায় এআই এখনো বাস্তব পৃথিবী বোঝে না, গবেষকদের নতুন সতর্কবার্তা অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যু, বাংলা সাহিত্য ও চিন্তাজগতে শূন্যতা

থাই বিমানসেবিকার মাধ্যমে হেরোইন পাচার, উৎস মিয়ানমার সন্দেহ

থাই এয়ারওয়েজের ২৬ বছর বয়সী এক বিমানসেবিকাকে মেলবোর্ন বিমানবন্দরে এক কিলোগ্রাম হেরোইন বহনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে ব্যাংকক পোস্ট জানিয়েছে। থাই বিমানসেবিকার হেরোইন পাচার মামলায় স্নিফার ডগের তল্লাশিতে তাঁর ১২টি ব্যাগের আস্তরণে মাদক পাওয়া যায়। উদ্ধার হওয়া হেরোইনের বাজারমূল্য প্রায় ৫ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলার, যা প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখ থাই বাথের সমান।

থাইল্যান্ডের মাদক নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, পাচারকারী চক্র বিমানকর্মীদের সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে টার্গেট করে টাকার বিনিময়ে বিদেশে পণ্য বহনের প্রস্তাব দেয়। থাই বিমানসেবিকার হেরোইন পাচার মামলায় অভিযুক্ত এক ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে যোগাযোগ করেছিল বলে তদন্তে জানা গেছে। মাদকের উৎস মিয়ানমার বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, যেখানে ২০২৫ সালে আফিম চাষ দশকের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল বলে জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ দমন সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

তদন্তের অগ্রগতিতে থাইল্যান্ডের লোয়েই প্রদেশে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যারা ছয়বার মাদক বহনে সহায়তা করার কথা স্বীকার করেছে। থাই বিমানসেবিকার হেরোইন পাচার মামলা এখন একক গ্রেপ্তার থেকে আন্তর্জাতিক পাচার নেটওয়ার্কের অনুসন্ধানে রূপ নিয়েছে। তদন্তকারীরা এখনও মূল সংগঠকদের খুঁজছেন, যারা মাদক সংগ্রহ, প্যাকেজিং ও পরিবহনের নির্দেশ দিয়েছিল।

বাংলাদেশের জন্য এই ঘটনা সরাসরি সতর্কবার্তা, কারণ মিয়ানমারসংলগ্ন মাদকপথ ও সীমান্ত নিরাপত্তা বাংলাদেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিমানকর্মীদের সামাজিক মাধ্যমে টার্গেট করে মাদক পাচারে ব্যবহারের কৌশল বাংলাদেশের বিমানবন্দর নিরাপত্তার জন্যও শিক্ষণীয়। থাই বিমানসেবিকার হেরোইন পাচার মামলা দেখায়, বিশ্বাসযোগ্য পরিচয়ও অপরাধী চক্রের কাছে সহজ হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে।

লোয়েইয়ে গ্রেপ্তার হওয়া দম্পতির ছয়বারের ডেলিভারির স্বীকারোক্তিই এখন তদন্তের সবচেয়ে বড় সূত্র। মূল সংগঠক এখনও অধরা থাকায় থাই ও অস্ট্রেলীয় পুলিশের যৌথ অনুসন্ধান আরও কতদূর বিস্তৃত হবে, তা নির্ভর করছে ওই নেটওয়ার্কের বাকি সদস্য শনাক্তের ওপর।

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি অর্থের প্রকৃত ঠিকানা: ট্রেজারি সংস্কারের সাফল্য নির্ভর করবে বাস্তবায়নের ওপর

থাই বিমানসেবিকার মাধ্যমে হেরোইন পাচার, উৎস মিয়ানমার সন্দেহ

০৮:৩৪:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

থাই এয়ারওয়েজের ২৬ বছর বয়সী এক বিমানসেবিকাকে মেলবোর্ন বিমানবন্দরে এক কিলোগ্রাম হেরোইন বহনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে ব্যাংকক পোস্ট জানিয়েছে। থাই বিমানসেবিকার হেরোইন পাচার মামলায় স্নিফার ডগের তল্লাশিতে তাঁর ১২টি ব্যাগের আস্তরণে মাদক পাওয়া যায়। উদ্ধার হওয়া হেরোইনের বাজারমূল্য প্রায় ৫ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলার, যা প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখ থাই বাথের সমান।

থাইল্যান্ডের মাদক নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, পাচারকারী চক্র বিমানকর্মীদের সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে টার্গেট করে টাকার বিনিময়ে বিদেশে পণ্য বহনের প্রস্তাব দেয়। থাই বিমানসেবিকার হেরোইন পাচার মামলায় অভিযুক্ত এক ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে যোগাযোগ করেছিল বলে তদন্তে জানা গেছে। মাদকের উৎস মিয়ানমার বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, যেখানে ২০২৫ সালে আফিম চাষ দশকের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল বলে জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ দমন সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

তদন্তের অগ্রগতিতে থাইল্যান্ডের লোয়েই প্রদেশে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যারা ছয়বার মাদক বহনে সহায়তা করার কথা স্বীকার করেছে। থাই বিমানসেবিকার হেরোইন পাচার মামলা এখন একক গ্রেপ্তার থেকে আন্তর্জাতিক পাচার নেটওয়ার্কের অনুসন্ধানে রূপ নিয়েছে। তদন্তকারীরা এখনও মূল সংগঠকদের খুঁজছেন, যারা মাদক সংগ্রহ, প্যাকেজিং ও পরিবহনের নির্দেশ দিয়েছিল।

বাংলাদেশের জন্য এই ঘটনা সরাসরি সতর্কবার্তা, কারণ মিয়ানমারসংলগ্ন মাদকপথ ও সীমান্ত নিরাপত্তা বাংলাদেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিমানকর্মীদের সামাজিক মাধ্যমে টার্গেট করে মাদক পাচারে ব্যবহারের কৌশল বাংলাদেশের বিমানবন্দর নিরাপত্তার জন্যও শিক্ষণীয়। থাই বিমানসেবিকার হেরোইন পাচার মামলা দেখায়, বিশ্বাসযোগ্য পরিচয়ও অপরাধী চক্রের কাছে সহজ হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে।

লোয়েইয়ে গ্রেপ্তার হওয়া দম্পতির ছয়বারের ডেলিভারির স্বীকারোক্তিই এখন তদন্তের সবচেয়ে বড় সূত্র। মূল সংগঠক এখনও অধরা থাকায় থাই ও অস্ট্রেলীয় পুলিশের যৌথ অনুসন্ধান আরও কতদূর বিস্তৃত হবে, তা নির্ভর করছে ওই নেটওয়ার্কের বাকি সদস্য শনাক্তের ওপর।