ময়মনসিংহে পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় মাত্র ২৫ দিনের মধ্যে বিচারকাজ শেষ করে তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই ঘটনায় অপর এক কিশোর আসামিকে পৃথকভাবে বিচার শেষে ১২ বছর ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সারাক্ষণ রিপোর্ট
দ্রুত বিচার সম্পন্ন
আদালতের রায় অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি হলেন আরিফ, রাকিব ও সায়েম। ঘটনার সময় চতুর্থ আসামির বয়স ১৮ বছরের নিচে হওয়ায় তার বিচার কিশোর আদালতে পৃথকভাবে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে তাকে ১২ বছর ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার শুরু নিখোঁজ হওয়ার মাধ্যমে
মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত ১৪ জুন ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলায় নিজ বাড়ির কাছ থেকে পাঁচ বছরের শিশুটি নিখোঁজ হয়। পরে উপজেলার কংস নদীর তীর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পরদিন শিশুটির বাবা ধোবাউড়া থানায় ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চারজন আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
৯ দিনে অভিযোগপত্র, ২৫ দিনেই রায়
তদন্তের অগ্রগতি দ্রুত হওয়ায় মামলাটি স্বল্প সময়ে বিচারপর্বে পৌঁছে যায়। তদন্ত কর্মকর্তা মাত্র নয় দিনের মধ্যে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে অল্প সময়ের মধ্যেই সাক্ষ্যগ্রহণ ও অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।
তদন্তে গতি আনতে সহায়ক ছিল প্রতিবেদন
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন দ্রুত হাতে পাওয়ায় তদন্তে গতি আসে। এর ফলে প্রমাণ সংগ্রহ, অভিযোগপত্র দাখিল এবং বিচার কার্যক্রম নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।
এই মামলায় মাত্র ২৫ দিনের মধ্যে বিচার শেষ হওয়ায় দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ার একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।
ময়মনসিংহে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় ২৫ দিনের মধ্যে রায়। তিনজনের মৃত্যুদণ্ড, কিশোর আসামির কারাদণ্ড।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















