০৭:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে কপিরাইট আইন বদলাচ্ছে ইন্দোনেশিয়া, প্রযুক্তি কোম্পানি ও সংবাদমাধ্যমের নতুন লড়াই ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের নতুন ইতিহাস, নির্বাচিত রুবাইয়াত হোসেনের ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড নেটবলের নতুন স্বপ্ন, অলিম্পিকের পথে এগোচ্ছে নারীদের ঐতিহ্যবাহী খেলা হরমুজ প্রণালিতে আটকে ৬ হাজার নাবিক, দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জাতিসংঘের মধ্যপ্রাচ্যের অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়ছে, বিকল্প উৎসে ঝুঁকছে এশিয়ার শোধনাগারগুলো জাপান-আসিয়ান সম্পর্কের নতুন অধ্যায়: অনিশ্চিত বিশ্বে অংশীদারত্বের নতুন রূপরেখা অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে এফএসআরইউর ত্রুটিতে গ্যাস সংকট, দ্রুত স্বাভাবিক সরবরাহে সরকারের জোর উদ্যোগ গ্যাস লিক থেকে আগুন, সাভারে দগ্ধ দম্পতি আশঙ্কাজনক অবস্থায় ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবির মুখে নীরবতা, সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক ও শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের বার্তায় সক্রিয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

ভাটারায় গ্যাস বিস্ফোরণে ঝরল দুই প্রাণ, আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে তরুণী

রাজধানীর ভাটারা এলাকায় গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে হওয়া বিস্ফোরণের ঘটনায় একই পরিবারের দুই সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে মারা যান এক যুবক ও তার আট বছরের ভাতিজি। পরিবারের আরেক সদস্য গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই মৃত্যু

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার গভীর রাতের পর প্রথমে আট বছরের হাফসার মৃত্যু হয়। এরপর সকালে মারা যান ২৪ বছর বয়সী মো. শাহীন। চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, শাহীনের শরীরের প্রায় অর্ধেক এবং হাফসার শরীরের প্রায় ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

এদিকে শাহীনের স্ত্রী ২১ বছর বয়সী ফাহিমা আক্তারও গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শরীরের প্রায় ৪৫ শতাংশ পুড়ে গেছে বলে জানা গেছে।

ঘুমের মধ্যেই ঘটে বিস্ফোরণ

গত ২১ জুলাই ভোররাতে ভাটারা থানার নতুন বাজার এলাকার ১০০ ফুট সড়কের একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলার বাসায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরিবারের সদস্যরা তখন ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ হলে ঘরের ভেতরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং তিনজন দগ্ধ হন।

পরে তাদের দ্রুত উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করা হয়।

শোকে স্তব্ধ পরিবার

স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, শাহীন একটি দোকানে কাজ করতেন এবং স্ত্রী ও ভাতিজিকে নিয়ে ওই বাসায় বসবাস করতেন। একসঙ্গে পরিবারের দুই সদস্যকে হারানোর ঘটনায় স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অন্যদিকে ফাহিমার শারীরিক অবস্থাও সংকটাপন্ন হওয়ায় পরিবারের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

গ্যাসলাইনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

জনপ্রিয় সংবাদ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে কপিরাইট আইন বদলাচ্ছে ইন্দোনেশিয়া, প্রযুক্তি কোম্পানি ও সংবাদমাধ্যমের নতুন লড়াই

ভাটারায় গ্যাস বিস্ফোরণে ঝরল দুই প্রাণ, আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে তরুণী

০৬:৩১:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর ভাটারা এলাকায় গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে হওয়া বিস্ফোরণের ঘটনায় একই পরিবারের দুই সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে মারা যান এক যুবক ও তার আট বছরের ভাতিজি। পরিবারের আরেক সদস্য গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই মৃত্যু

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার গভীর রাতের পর প্রথমে আট বছরের হাফসার মৃত্যু হয়। এরপর সকালে মারা যান ২৪ বছর বয়সী মো. শাহীন। চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, শাহীনের শরীরের প্রায় অর্ধেক এবং হাফসার শরীরের প্রায় ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

এদিকে শাহীনের স্ত্রী ২১ বছর বয়সী ফাহিমা আক্তারও গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শরীরের প্রায় ৪৫ শতাংশ পুড়ে গেছে বলে জানা গেছে।

ঘুমের মধ্যেই ঘটে বিস্ফোরণ

গত ২১ জুলাই ভোররাতে ভাটারা থানার নতুন বাজার এলাকার ১০০ ফুট সড়কের একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলার বাসায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরিবারের সদস্যরা তখন ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ হলে ঘরের ভেতরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং তিনজন দগ্ধ হন।

পরে তাদের দ্রুত উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করা হয়।

শোকে স্তব্ধ পরিবার

স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, শাহীন একটি দোকানে কাজ করতেন এবং স্ত্রী ও ভাতিজিকে নিয়ে ওই বাসায় বসবাস করতেন। একসঙ্গে পরিবারের দুই সদস্যকে হারানোর ঘটনায় স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অন্যদিকে ফাহিমার শারীরিক অবস্থাও সংকটাপন্ন হওয়ায় পরিবারের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

গ্যাসলাইনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।