০৪:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়তি: বছরে মানুষের পকেট থেকে যাবে প্রায় ১৫–১৬ হাজার কোটি লালমনিরহাটে জ্বালানি তেলের দাম বাড়তেই পাম্পে দীর্ঘ লাইন, মধ্যরাতের আগে বিক্রিতে অনীহা নাটোরে ট্রাকের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষ, চালক নিহত চার এসপিকে বদলি, বাগেরহাট ও চুয়াডাঙ্গায় নতুন পুলিশ সুপার ৩১ হাজার টাকায় বিক্রি, দুই মাস পর উদ্ধার ১১ মাসের শিশু গাইবান্ধার একই গ্রামে দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩ অবশেষে কথার বাইরে ব্রিটেন: ইসরায়েলি বসতি নিয়ে নীতির বদল কতটা কার্যকর হবে? দেবিদ্বারে নৃশংস হত্যাকাণ্ড: মা-ভাবি ও ৮ মাসের ভাতিজিকে হত্যার অভিযোগ চার মিনিটে তিন ককটেল বিস্ফোরণ, সুন্দরগঞ্জে আতঙ্ক সার না পেয়ে কৃষকের হামলা, পেটালেন কৃষি কর্মকর্তাকে

ট্রাম্পের মনোনীত ক্লেটন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তা

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মনোনীত জে ক্লেটন দেশটির শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তা হিসেবে অনুমোদন পেয়েছেন। মঙ্গলবার মার্কিন সিনেটে ভোটাভুটির মাধ্যমে তাকে জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে তার মনোনয়নের পক্ষে কোনো ডেমোক্র্যাট সিনেটর ভোট দেননি।

সিনেটে ক্লেটনের পক্ষে ৫১ ভোট এবং বিপক্ষে ৪৭ ভোট পড়ে। দলীয় বিভাজনেই শেষ হয় ভোটাভুটি। ট্রাম্পের রিপাবলিকান দলের সিনেটররা তার পক্ষে ভোট দিলেও ডেমোক্র্যাটরা সবাই বিরোধিতা করেন।

বিতর্কের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব

ক্লেটন এমন এক সময়ে জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালকের দায়িত্ব নিচ্ছেন, যখন মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র। তিনি দেশটির ১৮টি গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয় ও তদারকির দায়িত্ব পালন করবেন।

এর আগে জুন মাসে তুলসি গ্যাবার্ড পদ ছাড়ার পর এই পদটি শূন্য হয়। তার মেয়াদে কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাট সদস্যদের সঙ্গে একাধিক বিষয়ে বিরোধ তৈরি হয়েছিল। ট্রাম্পের রাজনৈতিক অবস্থানকে এগিয়ে নেওয়া এবং বিতর্কিত নির্বাচনী বক্তব্য প্রচারের অভিযোগও উঠেছিল তার বিরুদ্ধে।

Senate confirms Trump ally Jay Clayton as director of national intelligence  | Trump administration | The Guardian

ক্লেটনের নিয়োগও বিতর্কের বাইরে থাকেনি। চলতি মাসের শুরুতে তার নিয়োগ শুনানিতে ডেমোক্র্যাট সিনেটরদের সঙ্গে তার উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়।

২০২০ সালের নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন

ক্লেটনের শুনানিতে সবচেয়ে বেশি আলোচনার জন্ম দেয় ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে তার বক্তব্য। তাকে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়েছিল, ওই নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে জো বাইডেন জয়ী হয়েছিলেন কি না।

ক্লেটন সরাসরি বলেননি যে বাইডেন নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন। বরং তিনি বলেন, বাইডেন প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রত্যয়িত হয়েছিলেন এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে দায়িত্ব নিয়েছিলেন। এ অবস্থান নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রে আগামী মধ্যবর্তী নির্বাচনের আর মাত্র কয়েক মাস বাকি। এরই মধ্যে ট্রাম্প প্রশাসন নির্বাচনের নিরাপত্তাকে বড় রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবে সামনে আনছে। ডেমোক্র্যাটদের অভিযোগ, এই ইস্যু ব্যবহার করে তাদের নির্বাচনী বিজয় নিয়েও সন্দেহ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সাংবাদিকদের জিজ্ঞাসাবাদ নিয়েও বিতর্ক

ক্লেটনের বিরুদ্ধে আরেকটি বিতর্ক তৈরি হয় নিউইয়র্ক টাইমসের সাংবাদিকদের নিয়ে একটি তদন্তকে কেন্দ্র করে। ট্রাম্প প্রশাসনের কাতারের অর্থায়নে পাওয়া নতুন বিমান নিয়ে নিরাপত্তা-সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর সাংবাদিকদের ফেডারেল গ্র্যান্ড জুরির সামনে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করার জন্য সমন জারি করা হয়েছিল।

তবে বিচারকের কঠোর প্রশ্নের মুখে গত সপ্তাহে আদালতে সরকারি কৌঁসুলি জানান, প্রশাসন ওই সমন প্রত্যাহার করবে।

Trump's intelligence nominee hedges when asked about the 2020 election

গোয়েন্দা নজরদারি কর্মসূচি নিয়ে অনিশ্চয়তা

ক্লেটনের অনুমোদনের পরও যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বিদেশি নজরদারি কর্মসূচি নবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। বিদেশে থাকা হাজারো ব্যক্তির বৈদ্যুতিক যোগাযোগ সংগ্রহে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো যে আইনি ক্ষমতা ব্যবহার করে, সেই কর্মসূচির মেয়াদ বাড়াতে এখনো সিনেটে প্রয়োজনীয় সমর্থন পাওয়া যায়নি।

রিপাবলিকানদের সিনেটে ৫৩টি আসন রয়েছে। কর্মসূচিটি নবায়নের জন্য ৬০ ভোট দরকার হওয়ায় অন্তত সাতজন ডেমোক্র্যাটের সমর্থন প্রয়োজন। কিন্তু ক্লেটনের নিয়োগ ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকাণ্ড নিয়ে বিরোধের কারণে ডেমোক্র্যাটরা এই বিষয়ে সমর্থন দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছেন।

গোয়েন্দা অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্ন

৬০ বছর বয়সী ক্লেটনের পেশাগত জীবন মূলত আইন ও আর্থিক খাতকে ঘিরে। তিনি একটি বড় আইন প্রতিষ্ঠানে একীভূতকরণ ও পুঁজি সংগ্রহের মতো বিষয়ে কাজ করেছেন। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে তিনি মার্কিন পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

২০২৫ সালের এপ্রিলে ট্রাম্প তাকে নিউইয়র্কের দক্ষিণাঞ্চলের অন্তর্বর্তীকালীন ফেডারেল কৌঁসুলি হিসেবে নিয়োগ দেন। পরে জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালকের পদে তার নাম প্রস্তাব করা হয়।

Trump nominates US Attorney Jay Clayton as intelligence chief | AP News

ক্লেটনের সরাসরি গোয়েন্দা খাতে কাজের অভিজ্ঞতা নেই। জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়েও তার অভিজ্ঞতা সীমিত বলে সমালোচনা রয়েছে। তবে তার সমর্থকদের যুক্তি, নিউইয়র্কের দক্ষিণাঞ্চলের কৌঁসুলি হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় তিনি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কাজ করেছেন, যা তাকে এই পদে কাজ করার জন্য যথেষ্ট অভিজ্ঞতা দিয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন গোয়েন্দা প্রধান হিসেবে ক্লেটনের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ রাজনৈতিক বিভাজন সামলে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কার্যক্রম পরিচালনা করা। একই সঙ্গে বিদেশি নজরদারি কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এবং আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ইস্যুও তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হয়ে উঠতে পারে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়তি: বছরে মানুষের পকেট থেকে যাবে প্রায় ১৫–১৬ হাজার কোটি

ট্রাম্পের মনোনীত ক্লেটন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তা

১১:২০:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মনোনীত জে ক্লেটন দেশটির শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তা হিসেবে অনুমোদন পেয়েছেন। মঙ্গলবার মার্কিন সিনেটে ভোটাভুটির মাধ্যমে তাকে জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে তার মনোনয়নের পক্ষে কোনো ডেমোক্র্যাট সিনেটর ভোট দেননি।

সিনেটে ক্লেটনের পক্ষে ৫১ ভোট এবং বিপক্ষে ৪৭ ভোট পড়ে। দলীয় বিভাজনেই শেষ হয় ভোটাভুটি। ট্রাম্পের রিপাবলিকান দলের সিনেটররা তার পক্ষে ভোট দিলেও ডেমোক্র্যাটরা সবাই বিরোধিতা করেন।

বিতর্কের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব

ক্লেটন এমন এক সময়ে জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালকের দায়িত্ব নিচ্ছেন, যখন মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র। তিনি দেশটির ১৮টি গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয় ও তদারকির দায়িত্ব পালন করবেন।

এর আগে জুন মাসে তুলসি গ্যাবার্ড পদ ছাড়ার পর এই পদটি শূন্য হয়। তার মেয়াদে কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাট সদস্যদের সঙ্গে একাধিক বিষয়ে বিরোধ তৈরি হয়েছিল। ট্রাম্পের রাজনৈতিক অবস্থানকে এগিয়ে নেওয়া এবং বিতর্কিত নির্বাচনী বক্তব্য প্রচারের অভিযোগও উঠেছিল তার বিরুদ্ধে।

Senate confirms Trump ally Jay Clayton as director of national intelligence  | Trump administration | The Guardian

ক্লেটনের নিয়োগও বিতর্কের বাইরে থাকেনি। চলতি মাসের শুরুতে তার নিয়োগ শুনানিতে ডেমোক্র্যাট সিনেটরদের সঙ্গে তার উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়।

২০২০ সালের নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন

ক্লেটনের শুনানিতে সবচেয়ে বেশি আলোচনার জন্ম দেয় ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে তার বক্তব্য। তাকে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়েছিল, ওই নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে জো বাইডেন জয়ী হয়েছিলেন কি না।

ক্লেটন সরাসরি বলেননি যে বাইডেন নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন। বরং তিনি বলেন, বাইডেন প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রত্যয়িত হয়েছিলেন এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে দায়িত্ব নিয়েছিলেন। এ অবস্থান নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রে আগামী মধ্যবর্তী নির্বাচনের আর মাত্র কয়েক মাস বাকি। এরই মধ্যে ট্রাম্প প্রশাসন নির্বাচনের নিরাপত্তাকে বড় রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবে সামনে আনছে। ডেমোক্র্যাটদের অভিযোগ, এই ইস্যু ব্যবহার করে তাদের নির্বাচনী বিজয় নিয়েও সন্দেহ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সাংবাদিকদের জিজ্ঞাসাবাদ নিয়েও বিতর্ক

ক্লেটনের বিরুদ্ধে আরেকটি বিতর্ক তৈরি হয় নিউইয়র্ক টাইমসের সাংবাদিকদের নিয়ে একটি তদন্তকে কেন্দ্র করে। ট্রাম্প প্রশাসনের কাতারের অর্থায়নে পাওয়া নতুন বিমান নিয়ে নিরাপত্তা-সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর সাংবাদিকদের ফেডারেল গ্র্যান্ড জুরির সামনে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করার জন্য সমন জারি করা হয়েছিল।

তবে বিচারকের কঠোর প্রশ্নের মুখে গত সপ্তাহে আদালতে সরকারি কৌঁসুলি জানান, প্রশাসন ওই সমন প্রত্যাহার করবে।

Trump's intelligence nominee hedges when asked about the 2020 election

গোয়েন্দা নজরদারি কর্মসূচি নিয়ে অনিশ্চয়তা

ক্লেটনের অনুমোদনের পরও যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বিদেশি নজরদারি কর্মসূচি নবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। বিদেশে থাকা হাজারো ব্যক্তির বৈদ্যুতিক যোগাযোগ সংগ্রহে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো যে আইনি ক্ষমতা ব্যবহার করে, সেই কর্মসূচির মেয়াদ বাড়াতে এখনো সিনেটে প্রয়োজনীয় সমর্থন পাওয়া যায়নি।

রিপাবলিকানদের সিনেটে ৫৩টি আসন রয়েছে। কর্মসূচিটি নবায়নের জন্য ৬০ ভোট দরকার হওয়ায় অন্তত সাতজন ডেমোক্র্যাটের সমর্থন প্রয়োজন। কিন্তু ক্লেটনের নিয়োগ ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকাণ্ড নিয়ে বিরোধের কারণে ডেমোক্র্যাটরা এই বিষয়ে সমর্থন দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছেন।

গোয়েন্দা অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্ন

৬০ বছর বয়সী ক্লেটনের পেশাগত জীবন মূলত আইন ও আর্থিক খাতকে ঘিরে। তিনি একটি বড় আইন প্রতিষ্ঠানে একীভূতকরণ ও পুঁজি সংগ্রহের মতো বিষয়ে কাজ করেছেন। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে তিনি মার্কিন পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

২০২৫ সালের এপ্রিলে ট্রাম্প তাকে নিউইয়র্কের দক্ষিণাঞ্চলের অন্তর্বর্তীকালীন ফেডারেল কৌঁসুলি হিসেবে নিয়োগ দেন। পরে জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালকের পদে তার নাম প্রস্তাব করা হয়।

Trump nominates US Attorney Jay Clayton as intelligence chief | AP News

ক্লেটনের সরাসরি গোয়েন্দা খাতে কাজের অভিজ্ঞতা নেই। জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়েও তার অভিজ্ঞতা সীমিত বলে সমালোচনা রয়েছে। তবে তার সমর্থকদের যুক্তি, নিউইয়র্কের দক্ষিণাঞ্চলের কৌঁসুলি হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় তিনি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কাজ করেছেন, যা তাকে এই পদে কাজ করার জন্য যথেষ্ট অভিজ্ঞতা দিয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন গোয়েন্দা প্রধান হিসেবে ক্লেটনের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ রাজনৈতিক বিভাজন সামলে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কার্যক্রম পরিচালনা করা। একই সঙ্গে বিদেশি নজরদারি কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এবং আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ইস্যুও তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হয়ে উঠতে পারে।