ইউক্রেনের কৃষ্ণসাগরীয় বন্দর চোরনোমর্স্কে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর তানজানিয়ার পতাকাবাহী পণ্যবাহী জাহাজে আটকে পড়া ১৩ ভারতীয় নাবিকসহ ১৫ জন নাবিকই নিরাপদ রয়েছেন। মঙ্গলবার ভারতের সামুদ্রিক প্রশাসন কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
হামলার কাছেই জাহাজ
‘এমভি আমির ১’ নামের পণ্যবাহী জাহাজটি চোরনোমর্স্ক বন্দরে অবস্থান করছে। জাহাজটিতে মোট ১৫ জন নাবিক রয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৩ জন ভারতীয়। বন্দরের আশপাশে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও বিস্ফোরণের ঘটনায় নাবিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়।
নাবিকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বন্দরের এলাকায় একটি গুদামে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। হামলার পর তাদের প্রধান উদ্বেগ হয়ে দাঁড়িয়েছে নাবিকদের নিরাপত্তা এবং জাহাজের কাঠামো অক্ষত আছে কি না, তা নিশ্চিত করা।
)
জাহাজ ছাড়ার দাবি
ঘটনার পর ভারতীয় নাবিকদের একটি সংগঠন জানিয়েছে, কৃষ্ণসাগরের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নাবিকরা চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন এবং তারা জাহাজ থেকে নেমে দেশে ফিরতে চান। সংগঠনটির দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে কৃষ্ণসাগরে পৃথক দুটি ঘটনায় পাঁচ ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছে।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জাহাজের মালিক, পতাকাবাহী রাষ্ট্র এবং ভারত সরকারের প্রতি দ্রুত নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
নিরাপত্তা যাচাইয়ের অপেক্ষা
নাবিকদের পক্ষ থেকে সামুদ্রিক প্রশাসন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে, নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে জাহাজটি এখনই পুরোপুরি পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে জাহাজের ক্ষয়ক্ষতি যাচাই করে বিস্তারিত প্রতিবেদন ও জাহাজের নথিপত্র জমা দেওয়া হবে।
যুদ্ধকবলিত এলাকায় বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল ঘিরে নতুন করে নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ভারতীয় নাবিকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া এবং তাদের দেশে ফেরানোর বিষয়টি এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















