০৪:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়তি: বছরে মানুষের পকেট থেকে যাবে প্রায় ১৫–১৬ হাজার কোটি লালমনিরহাটে জ্বালানি তেলের দাম বাড়তেই পাম্পে দীর্ঘ লাইন, মধ্যরাতের আগে বিক্রিতে অনীহা নাটোরে ট্রাকের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষ, চালক নিহত চার এসপিকে বদলি, বাগেরহাট ও চুয়াডাঙ্গায় নতুন পুলিশ সুপার ৩১ হাজার টাকায় বিক্রি, দুই মাস পর উদ্ধার ১১ মাসের শিশু গাইবান্ধার একই গ্রামে দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩ অবশেষে কথার বাইরে ব্রিটেন: ইসরায়েলি বসতি নিয়ে নীতির বদল কতটা কার্যকর হবে? দেবিদ্বারে নৃশংস হত্যাকাণ্ড: মা-ভাবি ও ৮ মাসের ভাতিজিকে হত্যার অভিযোগ চার মিনিটে তিন ককটেল বিস্ফোরণ, সুন্দরগঞ্জে আতঙ্ক সার না পেয়ে কৃষকের হামলা, পেটালেন কৃষি কর্মকর্তাকে

গত ১৫ বছরে জাপানের বড় বড় ভূমিকম্প

জাপানের কুমামোতো প্রিফেকচারে মঙ্গলবার শক্তিশালী একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে আংশিকভাবে ধসে পড়া একটি শপিংমলের ভেতরে বহু মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়া হাজার হাজার বাড়িতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়েছে এবং বিভিন্ন কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

প্রশান্ত মহাসাগরকে ঘিরে থাকা আগ্নেয়গিরি ও মহাসাগরীয় খাদসমৃদ্ধ ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত জাপান। বিশ্বের ৬ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্পের প্রায় ২০ শতাংশই এই দেশে ঘটে। প্রতি বছর দেশটিতে প্রায় ২ হাজার ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

গত ১৫ বছরে জাপানে সংঘটিত উল্লেখযোগ্য ভূমিকম্পগুলো হলো—

১১ মার্চ ২০১১:
রিখটার স্কেলে ৯.০ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প ও সুনামি উত্তর-পূর্ব জাপানে আঘাত হানে। এতে প্রায় ২০ হাজার মানুষ নিহত হন। একই সঙ্গে ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিপর্যয় ঘটে, যা চেরনোবিলের পর বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ পারমাণবিক দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়।

Japan's major earthquakes in the past 15 years | Reuters

১৬ এপ্রিল ২০১৬:
কুমামোতোতে ৭.৩ মাত্রার ভূমিকম্পে ২৭০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন। পরবর্তী ভূমিধস ও ভারী বৃষ্টিতেও বহু প্রাণহানি ঘটে। মঙ্গলবারের ভূমিকম্পও একই অঞ্চলে আঘাত হেনেছে।

১৮ জুন ২০১৮:
ওসাকায় ৬.১ মাত্রার ভূমিকম্পে চারজন নিহত এবং শতাধিক মানুষ আহত হন। শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন কারখানায় উৎপাদনও বন্ধ হয়ে যায়।

৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮:
হোক্কাইদোতে ৬.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ৪০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন। ভূমিধসের পাশাপাশি পুরো দ্বীপে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, যার প্রভাব পড়ে ৫৩ লাখ বাসিন্দার ওপর।

১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১:
ফুকুশিমা উপকূলে ৭.৩ মাত্রার ভূমিকম্পে কয়েক ডজন মানুষ আহত হন। বৃহত্তর টোকিও অঞ্চলে ব্যাপক বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দেয়।

Japan's major earthquakes in the past 15 years | Reuters

১৬ মার্চ ২০২২:
ফুকুশিমা উপকূলে আবারও ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে তিনজন নিহত এবং ২০০ জনের বেশি আহত হন। এক দশকেরও বেশি আগে একই অঞ্চলে সংঘটিত বিধ্বংসী ভূমিকম্প ও সুনামির স্মৃতি আবারও ফিরে আসে।

১ জানুয়ারি ২০২৪:
নববর্ষের প্রথম দিন নোতো উপদ্বীপে ৭.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন।

৮ আগস্ট ২০২৪:
মিয়াজাকি প্রিফেকচারের উপকূলে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পের পর জাপান ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সম্ভাব্য ‘মেগা ভূমিকম্প’-এর স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্কতা জারি করে। এক সপ্তাহ পর সেই সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়তি: বছরে মানুষের পকেট থেকে যাবে প্রায় ১৫–১৬ হাজার কোটি

গত ১৫ বছরে জাপানের বড় বড় ভূমিকম্প

০৩:৫১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

জাপানের কুমামোতো প্রিফেকচারে মঙ্গলবার শক্তিশালী একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে আংশিকভাবে ধসে পড়া একটি শপিংমলের ভেতরে বহু মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়া হাজার হাজার বাড়িতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়েছে এবং বিভিন্ন কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

প্রশান্ত মহাসাগরকে ঘিরে থাকা আগ্নেয়গিরি ও মহাসাগরীয় খাদসমৃদ্ধ ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত জাপান। বিশ্বের ৬ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্পের প্রায় ২০ শতাংশই এই দেশে ঘটে। প্রতি বছর দেশটিতে প্রায় ২ হাজার ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

গত ১৫ বছরে জাপানে সংঘটিত উল্লেখযোগ্য ভূমিকম্পগুলো হলো—

১১ মার্চ ২০১১:
রিখটার স্কেলে ৯.০ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প ও সুনামি উত্তর-পূর্ব জাপানে আঘাত হানে। এতে প্রায় ২০ হাজার মানুষ নিহত হন। একই সঙ্গে ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিপর্যয় ঘটে, যা চেরনোবিলের পর বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ পারমাণবিক দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়।

Japan's major earthquakes in the past 15 years | Reuters

১৬ এপ্রিল ২০১৬:
কুমামোতোতে ৭.৩ মাত্রার ভূমিকম্পে ২৭০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন। পরবর্তী ভূমিধস ও ভারী বৃষ্টিতেও বহু প্রাণহানি ঘটে। মঙ্গলবারের ভূমিকম্পও একই অঞ্চলে আঘাত হেনেছে।

১৮ জুন ২০১৮:
ওসাকায় ৬.১ মাত্রার ভূমিকম্পে চারজন নিহত এবং শতাধিক মানুষ আহত হন। শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন কারখানায় উৎপাদনও বন্ধ হয়ে যায়।

৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮:
হোক্কাইদোতে ৬.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ৪০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন। ভূমিধসের পাশাপাশি পুরো দ্বীপে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, যার প্রভাব পড়ে ৫৩ লাখ বাসিন্দার ওপর।

১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১:
ফুকুশিমা উপকূলে ৭.৩ মাত্রার ভূমিকম্পে কয়েক ডজন মানুষ আহত হন। বৃহত্তর টোকিও অঞ্চলে ব্যাপক বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দেয়।

Japan's major earthquakes in the past 15 years | Reuters

১৬ মার্চ ২০২২:
ফুকুশিমা উপকূলে আবারও ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে তিনজন নিহত এবং ২০০ জনের বেশি আহত হন। এক দশকেরও বেশি আগে একই অঞ্চলে সংঘটিত বিধ্বংসী ভূমিকম্প ও সুনামির স্মৃতি আবারও ফিরে আসে।

১ জানুয়ারি ২০২৪:
নববর্ষের প্রথম দিন নোতো উপদ্বীপে ৭.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন।

৮ আগস্ট ২০২৪:
মিয়াজাকি প্রিফেকচারের উপকূলে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পের পর জাপান ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সম্ভাব্য ‘মেগা ভূমিকম্প’-এর স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্কতা জারি করে। এক সপ্তাহ পর সেই সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়।