০৭:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গরের সঙ্গে ঢাকায় বৈঠক করলেন ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী আকাশে আতঙ্ক, হিথ্রোতে জরুরি অবতরণ: ‘আমি মরতে চাই না’—চিৎকারে কেঁপে ওঠে পুরো কেবিন ডেমোক্র্যাটদের পুরোনো ‘পুলিশের তহবিল কমানোর’ অবস্থান ফের বিতর্কে, মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে নতুন চাপে দল চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে মাছের ঘের দখলকে কেন্দ্র করে গোলাগুলি, নিহত ১, আহত ২ যুবলীগ কর্মীকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা, খুলনায় থমথমে পরিস্থিতি লন্ডনে চীনের ‘মেগা দূতাবাস’ নির্মাণে আইনি বাধা কাটল, হাইকোর্টে খারিজ বাসিন্দাদের আবেদন আল ফায়েদের যৌন নির্যাতনকাণ্ডে তদন্তে নতুন মোড়, আরও দুই সন্দেহভাজনকে জিজ্ঞাসাবাদ হাম-সদৃশ উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, দেশে মোট প্রাণহানি বেড়ে ৮৩৭ নেদারল্যান্ডসে ওজন কমানোর ওষুধ: আন্তর্জাতিক বাসিন্দাদের জন্য কীভাবে মিলবে বৈধ প্রেসক্রিপশন মোদিকে লক্ষ্য করে ফেসবুক ভিডিও, মেটা ইন্ডিয়ার প্রধানের বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা

চিকিৎসাবিজ্ঞানের ‘বাইবেল’-এর আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা বোর্ডে বাংলাদেশের অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ

বাংলাদেশের চিকিৎসাবিজ্ঞানের জন্য এক গৌরবময় স্বীকৃতি হিসেবে বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ মেডিকেল পাঠ্যগ্রন্থ Davidson’s Principles and Practice of Medicine-এর ২৫তম সংস্করণের International Advisory Board-এ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন দেশের বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ।

বিশ্বজুড়ে চিকিৎসক, মেডিকেল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কাছে ‘ডেভিডসন’ শুধু একটি পাঠ্যবই নয়, আধুনিক অভ্যন্তরীণ চিকিৎসাবিজ্ঞানের অন্যতম নির্ভরযোগ্য মানদণ্ড। চিকিৎসা শিক্ষায় এর দীর্ঘ ঐতিহ্য এবং ক্লিনিক্যাল সিদ্ধান্ত গ্রহণে এর প্রভাবের কারণে একে প্রায়ই ‘মেডিসিনের বাইবেল’ বলা হয়। বহু দেশের মেডিকেল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশেষজ্ঞ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে এটি প্রধান রেফারেন্স গ্রন্থ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ সুখবর জানিয়ে মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, “আমি Davidson’s Principles and Practice of Medicine-এর ২৫তম সংস্করণের International Advisory Board-এর সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি। এটি আমার জীবনের একটি বড় অর্জন। আমি মহান আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ। দেশের সব অধ্যাপক, সহকর্মী, চিকিৎসক, মেডিকেল শিক্ষার্থী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে আমার জন্য দোয়া কামনা করছি।”

কেন গুরুত্বপূর্ণ এই স্বীকৃতি

১৮৫৬ সালে স্কটিশ চিকিৎসক স্যার স্ট্যানলি ডেভিডসনের উদ্যোগে যাত্রা শুরু করা এই গ্রন্থটি কয়েক দশক ধরে বিশ্বব্যাপী মেডিসিন শিক্ষার অন্যতম ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা, প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসাবিজ্ঞান (Evidence-based Medicine), নতুন গবেষণার ফলাফল এবং ক্লিনিক্যাল গাইডলাইনকে একত্র করে এটি নিয়মিত হালনাগাদ করা হয়।

প্রতিটি নতুন সংস্করণ তৈরির সময় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্বনামধন্য চিকিৎসক, গবেষক ও শিক্ষাবিদদের মতামত নেওয়া হয়, যাতে বইটি বিভিন্ন অঞ্চলের স্বাস্থ্যব্যবস্থা, রোগের ধরন এবং চিকিৎসা বাস্তবতার সঙ্গে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। সেই আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা বোর্ডে বাংলাদেশের একজন চিকিৎসকের অন্তর্ভুক্তি দেশের চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণার জন্যও একটি তাৎপর্যপূর্ণ স্বীকৃতি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা বোর্ডে সদস্য হওয়া মানে শুধু ব্যক্তিগত সম্মান নয়; বরং বৈশ্বিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের জ্ঞানভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার প্রক্রিয়ায় সরাসরি অবদান রাখার সুযোগ।

বাংলাদেশের জন্য একটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

বাংলাদেশ থেকে বহু চিকিৎসক আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখলেও বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী মেডিকেল পাঠ্যগ্রন্থগুলোর একটির উপদেষ্টা বোর্ডে অন্তর্ভুক্তি একটি বিশেষ অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। চিকিৎসা শিক্ষার মানোন্নয়ন, গবেষণা এবং আন্তর্জাতিক একাডেমিক সহযোগিতার ক্ষেত্রেও এটি ইতিবাচক বার্তা বহন করে।

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির আগে দেশে বিতর্ক

এই আন্তর্জাতিক সম্মান পাওয়ার অল্প কিছুদিন আগেই অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহকে ঘিরে দেশে একটি আলোচিত বিতর্কের জন্ম হয়। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) তাঁর ইমেরিটাস অধ্যাপক পদ বাতিল করে এবং ওই পদে প্রাপ্ত বেতন-ভাতা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ছিল, ইমেরিটাস নিয়োগের প্রক্রিয়াটি বিদ্যমান বিধিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। অন্যদিকে অধ্যাপক আব্দুল্লাহ এ সিদ্ধান্তকে “অন্যায়, অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন” বলে মন্তব্য করেন।

এ সিদ্ধান্তের পর দেশের বিভিন্ন চিকিৎসক, তাঁর সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী, বহু রোগী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা প্রকাশ্যে তাঁর প্রতি সংহতি জানান এবং তাঁর দীর্ঘ চিকিৎসাসেবা, শিক্ষকতা ও জনস্বাস্থ্যে অবদানের কথা তুলে ধরে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান। একই সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং জনপরিসরে বিভিন্ন ব্যক্তি ও গোষ্ঠী এ সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন; তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ এটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও মন্তব্য করেন। তবে এই অভিযোগ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করেনি; তারা সিদ্ধান্তটিকে প্রশাসনিক ও বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়ার অংশ বলেই ব্যাখ্যা করেছে।

চিকিৎসক সমাজের প্রত্যাশা

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই স্বীকৃতিকে দেশের চিকিৎসাবিদ্যার জন্য ইতিবাচক অর্জন হিসেবে দেখছেন অনেক চিকিৎসক ও শিক্ষাবিদ। তাঁদের মতে, বাংলাদেশের চিকিৎসকদের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও গবেষণাকে বিশ্বমঞ্চে আরও দৃশ্যমান করার ক্ষেত্রে এমন অর্জন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে এটি দেশের তরুণ চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষার্থীদের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গরের সঙ্গে ঢাকায় বৈঠক করলেন ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী

চিকিৎসাবিজ্ঞানের ‘বাইবেল’-এর আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা বোর্ডে বাংলাদেশের অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ

০৩:৪৪:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশের চিকিৎসাবিজ্ঞানের জন্য এক গৌরবময় স্বীকৃতি হিসেবে বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ মেডিকেল পাঠ্যগ্রন্থ Davidson’s Principles and Practice of Medicine-এর ২৫তম সংস্করণের International Advisory Board-এ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন দেশের বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ।

বিশ্বজুড়ে চিকিৎসক, মেডিকেল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কাছে ‘ডেভিডসন’ শুধু একটি পাঠ্যবই নয়, আধুনিক অভ্যন্তরীণ চিকিৎসাবিজ্ঞানের অন্যতম নির্ভরযোগ্য মানদণ্ড। চিকিৎসা শিক্ষায় এর দীর্ঘ ঐতিহ্য এবং ক্লিনিক্যাল সিদ্ধান্ত গ্রহণে এর প্রভাবের কারণে একে প্রায়ই ‘মেডিসিনের বাইবেল’ বলা হয়। বহু দেশের মেডিকেল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশেষজ্ঞ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে এটি প্রধান রেফারেন্স গ্রন্থ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ সুখবর জানিয়ে মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, “আমি Davidson’s Principles and Practice of Medicine-এর ২৫তম সংস্করণের International Advisory Board-এর সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি। এটি আমার জীবনের একটি বড় অর্জন। আমি মহান আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ। দেশের সব অধ্যাপক, সহকর্মী, চিকিৎসক, মেডিকেল শিক্ষার্থী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে আমার জন্য দোয়া কামনা করছি।”

কেন গুরুত্বপূর্ণ এই স্বীকৃতি

১৮৫৬ সালে স্কটিশ চিকিৎসক স্যার স্ট্যানলি ডেভিডসনের উদ্যোগে যাত্রা শুরু করা এই গ্রন্থটি কয়েক দশক ধরে বিশ্বব্যাপী মেডিসিন শিক্ষার অন্যতম ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা, প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসাবিজ্ঞান (Evidence-based Medicine), নতুন গবেষণার ফলাফল এবং ক্লিনিক্যাল গাইডলাইনকে একত্র করে এটি নিয়মিত হালনাগাদ করা হয়।

প্রতিটি নতুন সংস্করণ তৈরির সময় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্বনামধন্য চিকিৎসক, গবেষক ও শিক্ষাবিদদের মতামত নেওয়া হয়, যাতে বইটি বিভিন্ন অঞ্চলের স্বাস্থ্যব্যবস্থা, রোগের ধরন এবং চিকিৎসা বাস্তবতার সঙ্গে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। সেই আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা বোর্ডে বাংলাদেশের একজন চিকিৎসকের অন্তর্ভুক্তি দেশের চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণার জন্যও একটি তাৎপর্যপূর্ণ স্বীকৃতি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা বোর্ডে সদস্য হওয়া মানে শুধু ব্যক্তিগত সম্মান নয়; বরং বৈশ্বিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের জ্ঞানভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার প্রক্রিয়ায় সরাসরি অবদান রাখার সুযোগ।

বাংলাদেশের জন্য একটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

বাংলাদেশ থেকে বহু চিকিৎসক আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখলেও বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী মেডিকেল পাঠ্যগ্রন্থগুলোর একটির উপদেষ্টা বোর্ডে অন্তর্ভুক্তি একটি বিশেষ অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। চিকিৎসা শিক্ষার মানোন্নয়ন, গবেষণা এবং আন্তর্জাতিক একাডেমিক সহযোগিতার ক্ষেত্রেও এটি ইতিবাচক বার্তা বহন করে।

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির আগে দেশে বিতর্ক

এই আন্তর্জাতিক সম্মান পাওয়ার অল্প কিছুদিন আগেই অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহকে ঘিরে দেশে একটি আলোচিত বিতর্কের জন্ম হয়। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) তাঁর ইমেরিটাস অধ্যাপক পদ বাতিল করে এবং ওই পদে প্রাপ্ত বেতন-ভাতা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ছিল, ইমেরিটাস নিয়োগের প্রক্রিয়াটি বিদ্যমান বিধিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। অন্যদিকে অধ্যাপক আব্দুল্লাহ এ সিদ্ধান্তকে “অন্যায়, অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন” বলে মন্তব্য করেন।

এ সিদ্ধান্তের পর দেশের বিভিন্ন চিকিৎসক, তাঁর সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী, বহু রোগী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা প্রকাশ্যে তাঁর প্রতি সংহতি জানান এবং তাঁর দীর্ঘ চিকিৎসাসেবা, শিক্ষকতা ও জনস্বাস্থ্যে অবদানের কথা তুলে ধরে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান। একই সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং জনপরিসরে বিভিন্ন ব্যক্তি ও গোষ্ঠী এ সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন; তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ এটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও মন্তব্য করেন। তবে এই অভিযোগ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করেনি; তারা সিদ্ধান্তটিকে প্রশাসনিক ও বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়ার অংশ বলেই ব্যাখ্যা করেছে।

চিকিৎসক সমাজের প্রত্যাশা

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই স্বীকৃতিকে দেশের চিকিৎসাবিদ্যার জন্য ইতিবাচক অর্জন হিসেবে দেখছেন অনেক চিকিৎসক ও শিক্ষাবিদ। তাঁদের মতে, বাংলাদেশের চিকিৎসকদের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও গবেষণাকে বিশ্বমঞ্চে আরও দৃশ্যমান করার ক্ষেত্রে এমন অর্জন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে এটি দেশের তরুণ চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষার্থীদের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।