হংকংয়ের প্রধান নির্বাহী জন লি কা-চিউ তার মেয়াদের শেষ নীতি ভাষণে শহরের প্রথম পাঁচসালা পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন, যেখানে ২০৩০ সালের মধ্যে গবেষণা ও উদ্ভাবন খাতে ব্যয় বর্তমানের প্রায় দ্বিগুণে উন্নীত করে তা মোট অর্থনীতির প্রায় তিন শতাংশে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। উৎপাদন ও নতুন শিল্পখাতকে অর্থনীতির সাড়ে পাঁচ শতাংশে উন্নীত করারও পরিকল্পনা রয়েছে।
পরিকল্পনায় অর্থ ও প্রযুক্তি খাতের কোম্পানিগুলোকে আকৃষ্ট করতে নতুন করছাড়, বায়োটেক ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক কোম্পানিগুলোকে সীমান্ত-পারাপার তথ্য আদান-প্রদানে অগ্রাধিকার এবং দুর্যোগ মোকাবিলা ও জনস্বার্থে একটি এআই সিটি ব্রেইন গড়ে তোলার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বিদেশি পেশাজীবীদের স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণের জন্য নতুন একটি ভিসা ক্যাটাগরি ২০২৭ সালের প্রথম প্রান্তিকের মধ্যে চালু হতে পারে।
চীনের জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি এই পরিকল্পনায় স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের মুনাফা কর অর্ধেক করার সিদ্ধান্তও রয়েছে, যা হংকংকে আঞ্চলিক আর্থিক ও প্রযুক্তি কেন্দ্র হিসেবে আরও শক্তিশালী করার কৌশলের অংশ। প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী দেওয়া এই ভাষণে জীবনযাত্রার মান, আবাসন সংকট নিরসন ও স্বাস্থ্যসেবা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতিও এসেছে।
![]()
দক্ষিণ এশিয়ার জন্য এই পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ কারণ হংকং তথা চীনের প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ কৌশল অঞ্চলের সরবরাহ শৃঙ্খল ও বৈদেশিক বিনিয়োগ প্রবাহে প্রভাব ফেলতে পারে। বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর জন্য হংকংয়ের এই নীতি একদিকে যেমন প্রযুক্তি সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে, তেমনি আঞ্চলিক বিনিয়োগ প্রতিযোগিতাও বাড়িয়ে দিতে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















