দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো হিউন শুক্রবার ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠক করছেন, যা গত ফেব্রুয়ারির পর দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক। বৈঠকের অন্যতম মূল বিষয় হরমুজ প্রণালীতে নৌ চলাচলের নিরাপত্তা রক্ষায় দক্ষিণ কোরিয়ার সম্ভাব্য সামরিক অবদান নিয়ে ওয়াশিংটনের অনুরোধ।
সিউলের প্রেসিডেনশিয়াল কার্যালয় বৃহস্পতিবার জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের একটি বৈঠক ডেকেছে, যেখানে সম্ভাব্য সামরিক অংশগ্রহণের ধরন নিয়ে আলোচনা হবে। তবে সরকার স্পষ্ট করেছে, সৈন্য মোতায়েন নিয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ইরান ইতিমধ্যে সামরিক অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে গুরুতর পরিণতির হুঁশিয়ারি দিয়েছে, আর দেশটির অভ্যন্তরেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সংগঠন সেনা পাঠানোর বিরোধিতা করছে।
বৈঠকে প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ংয়ের সঙ্গে ট্রাম্পের গত বছরের শীর্ষ বৈঠকে সম্মত সাড়ে তিনশো বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতির প্রথম প্রকল্প ঘোষণা হতে পারে বলেও জানা গেছে। এছাড়া পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন উন্নয়ন এবং দ্বিপাক্ষিক বেসামরিক পারমাণবিক চুক্তি সংশোধনের বিষয়েও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সংকটে পূর্ব এশীয় মিত্রদের সম্পৃক্ততার এই প্রবণতা দক্ষিণ এশিয়ার জন্যও তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ হরমুজ প্রণালীর অস্থিরতা বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ ও মূল্যের ওপর প্রত্যক্ষ প্রভাব ফেলে, যার আঁচ বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর অর্থনীতিতেও পৌঁছাতে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















