মার্কিন সিনেট বুধবার ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজার কাঠামো নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ক্ল্যারিটি অ্যাক্ট প্রত্যাখ্যান করেছে। সিনেটর এলিসা স্লটকিন বিলটির নৈতিকতা-সংক্রান্ত বিধানকে দুর্বল আখ্যা দিয়ে অভিযোগ করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই ক্রিপ্টো কার্যক্রম থেকে লাভবান হচ্ছেন।
শিল্প বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ওয়াশিংটনের এই নিয়ন্ত্রক ধাক্কা হংকংয়ের জন্য নিজেদের ডিজিটাল সম্পদ কেন্দ্র হিসেবে এগিয়ে যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সুযোগ তৈরি করেছে। মূল ভূখণ্ড চীনে ক্রিপ্টোকারেন্সির ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকলেও হংকংকে ডিজিটাল সম্পদ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার অনুমোদন দিয়েছে বেইজিং।
বাজারে অব্যাহত অস্থিরতা সত্ত্বেও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রক গতি স্থবির থাকা অবস্থায়ই হংকংয়ের এগিয়ে যাওয়া উচিত, কারণ ওয়াশিংটন নিয়ন্ত্রক গতি পুনরুদ্ধার করলে এই সুযোগের জানালা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। স্পষ্ট নিয়ন্ত্রক কাঠামোর খোঁজে থাকা ক্রিপ্টো ব্যবসা ও প্রতিভা আকৃষ্ট করার সুযোগ তাই এখনই কাজে লাগাতে চাইছে হংকং।
আন্তর্জাতিক ডিজিটাল সম্পদ ক্ষেত্রে এই প্রতিযোগিতা দক্ষিণ এশিয়ার আর্থিক প্রযুক্তি খাতের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আঞ্চলিক নিয়ন্ত্রক কাঠামো নির্ধারণে হংকংয়ের মতো কেন্দ্রগুলোর নীতি প্রায়ই দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়, যা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ডিজিটাল মুদ্রা নীতি নিয়ে আলোচনাতেও প্রাসঙ্গিক হতে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















