মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে জারি করা এক বিবৃতিতে অবিলম্বে অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক সংলাপ শুরু, বেসামরিক জনগণের বিরুদ্ধে সহিংসতা বন্ধ এবং সকল রাজনৈতিক বন্দির মুক্তির দাবি জানিয়েছে। দলটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি বলেছে, কেবল একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রক্রিয়াই শান্তি, জাতীয় পুনর্মিলন ও ফেডারেল গণতান্ত্রিক ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠার ভিত্তি তৈরি করতে পারে।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারির সামরিক অভ্যুত্থানে নির্বাচনে বিপুল বিজয়ী এনএলডির নেতা প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট ও স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চিকে গ্রেপ্তার করেছিল জান্তা। উইন মিন্ট এ বছরের এপ্রিলে মুক্তি পেলেও আঠারো বছরের সাজাপ্রাপ্ত সু চি এখনও কারাবন্দি রয়েছেন।
মানবাধিকার সংগঠন অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনার্সের হিসাবে, অভ্যুত্থানের পর থেকে বর্তমানে চৌদ্দ হাজার আটশো সতেরো জন রাজনৈতিক বন্দি আটক রয়েছেন। এনইউজি ও সদ্য গঠিত এসসিইএফ জোটও গণতন্ত্র দিবসে একই ধরনের বার্তা দিয়েছে, যা প্রতিরোধ শিবিরগুলোর মধ্যে অভিন্ন রাজনৈতিক অবস্থানের ইঙ্গিত দেয়।
মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এই ধারাবাহিকতা বাংলাদেশের জন্য প্রাসঙ্গিক, কারণ দেশটিতে গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতা ফিরে আসা ছাড়া রোহিঙ্গা সংকটের কোনো টেকসই সমাধান কল্পনা করা কঠিন। চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এই রাজনৈতিক অচলাবস্থা প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিকল্পনায়ও প্রভাব ফেলছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















