ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৃহস্পতিবার দিল্লির দ্বারকায় যশোভূমিতে সেমিকন ইন্ডিয়া ২০২৬ সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন, যা এই সম্মেলনের পঞ্চম আসর। এর আগে বুধবার তিনি বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানির নির্বাহীদের সঙ্গে এক গোলটেবিল বৈঠকেও অংশ নেন।
বর্তমানে ভারত তার সেমিকন্ডাক্টর চাহিদার প্রায় নব্বই শতাংশ আমদানি করে, যাতে বছরে খরচ হয় প্রায় ত্রিশ বিলিয়ন ডলার। সরকারের লক্ষ্য দেশীয় উৎপাদন ক্ষমতা বাড়িয়ে এই নির্ভরতা কমানো। আগামী কয়েক বছরে ভারতের সেমিকন্ডাক্টর বাজার একশো বিলিয়ন থেকে দুইশো বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, যেখানে বৈশ্বিক চাহিদা এক ট্রিলিয়ন থেকে দুই ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সরকার সম্প্রতি সেমিকন মিশনের দ্বিতীয় ধাপ অনুমোদন করেছে, যার বরাদ্দ প্রথম ধাপের ছিয়াত্তর হাজার কোটি রুপি থেকে বাড়িয়ে এক লাখ সাতাশ হাজার পাঁচশো কোটি রুপি করা হয়েছে। গুজরাটে ইতিমধ্যে মাইক্রন, কাইনেস ও সিজি সেমির তিনটি কারখানা বাণিজ্যিক উৎপাদনে গেছে, আর ধোলেরায় টাটা-পাওয়ারচিপের কারখানা ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হওয়ার কথা, যা হবে ভারতের প্রথম সিলিকন ফ্যাব্রিকেশন প্ল্যান্ট।
দক্ষিণ এশিয়ার প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ভারতের এই সেমিকন্ডাক্টর উচ্চাকাঙ্ক্ষা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আঞ্চলিক সরবরাহ শৃঙ্খলে ভারতের অবস্থান শক্তিশালী হলে তা বাংলাদেশের প্রযুক্তি ও রপ্তানি খাতের জন্যও নতুন সহযোগিতার সুযোগ তৈরি করতে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















