ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিনিধিত্ব না থাকার পরপরই প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে মনোযোগী হয়েছে দিল্লি। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর দুই দিনের সফরে ভুটান পৌঁছেছেন, যেখানে তিনি দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক ও প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগেয়ের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সফরকে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত উচ্চপর্যায়ের বিনিময়ের ধারাবাহিকতা এবং প্রতিবেশী-প্রথম নীতির অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছে। আগস্ট মাসে দুই দেশের কর্মকর্তারা সীমান্ত-নদী ব্যবস্থাপনা ও জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে আলোচনা করেছিলেন, যা এই সফরের প্রেক্ষাপট তৈরি করেছে।

একই সময়ে নেপালের অর্থমন্ত্রী সতেরো সেপ্টেম্বর দিল্লি সফরে আসছেন, যা প্রতিবেশী কূটনীতির এই সামগ্রিক তৎপরতার আরেকটি অংশ। বিশ্লেষকদের মতে, ব্রিকসের মতো বৈশ্বিক মঞ্চে প্রতিনিধিত্বহীনতার পর দক্ষিণ এশীয় প্রতিবেশীদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে দিল্লি, যাতে আঞ্চলিক প্রভাব বলয় অক্ষুণ্ন থাকে।
বাংলাদেশের জন্য এই তৎপরতা তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক কূটনীতিতে ভারতের এই সক্রিয়তা প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ঢাকার নিজস্ব সম্পর্ক ব্যবস্থাপনার প্রেক্ষাপটও প্রভাবিত করে। সার্কের কার্যকারিতা হ্রাসের পটভূমিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের এই ধরনের সক্রিয়তা অঞ্চলজুড়ে কূটনৈতিক অগ্রাধিকারের পরিবর্তিত ধরন সম্পর্কে ইঙ্গিত দেয়।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















