০৮:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মার্কিন নাগরিককে মুক্ত করতে বিরল সফরে মিয়ানমারে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা ফিলিপাইনের স্কুলে বন্দুক হামলায় নিহত অন্তত তিন, বন্দুকধারীও নিহত উত্তর-পশ্চিম পাকিস্তানে জুমার নামাজের সময় বিস্ফোরণ, নিহত ১৬ রোহিঙ্গা ফেরত পাঠানো বন্ধের আহ্বান, মালয়েশিয়াকে সতর্ক করল ফরটিফাই রাইটস বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে যাত্রীদের হাতাহাতি, ভিডিও ভাইরাল এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের হকি ম্যাচে ভুলে বাজল উত্তর কোরিয়ার সংগীত আরাকানে রোহিঙ্গাদের ভূমি দখল নিয়ে জাতিসংঘ প্রতিবেদনে নতুন তথ্য রাখাইনে সিত্তওয়ে ঘিরে মিয়ানমার সেনার হামলা, দুই নৌকা ধ্বংস রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিন অং হ্লাইংকে মালয়েশিয়ার আমন্ত্রণ ‘দ্য হোলস’-এ পুরুষের একাকিত্বের অন্ধকারে ঢুকছেন ম্যাক্স উলফ ফ্রিডলিখ

পাকিস্তান-চীন সীমান্ত কমিশন প্রত্যাখ্যান করল ভারত, বলল আইনি ভিত্তি নেই

পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে নতুন গঠিত সীমান্ত যৌথ কমিশনকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে কোনো সীমান্তই নেই, তাই এই কমিশনের কোনো আইনি ভিত্তি থাকতে পারে না।

জয়সওয়াল জোর দিয়ে বলেন, জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ চিরকাল ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে এবং থাকবে। ভারত ১৯৬৩ সালের তথাকথিত চীন-পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তিকে কখনও স্বীকৃতি দেয়নি বলে পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে, এবং পাকিস্তানের অবৈধ দখলে থাকা এলাকা নিয়ে কোনো সমঝোতায় যাওয়ার এখতিয়ার ইসলামাবাদের নেই বলে দাবি করেছে দিল্লি।

ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত কমিশনের প্রথম বৈঠকে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বাড়ানোর কথা বলা হলেও ভারত এটিকে নিছক প্রতীকী উদ্যোগ হিসেবে দেখছে। দিল্লি পাকিস্তানকে অবিলম্বে দখলকৃত এলাকা ছেড়ে দেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে এই বিরোধ দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে, কারণ চীন-পাকিস্তান অক্ষ শক্তিশালী হলে তা ভারতের সঙ্গে আঞ্চলিক ভারসাম্যে নতুন উত্তেজনা তৈরি করতে পারে। বাংলাদেশের মতো প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্যও এ ধরনের সীমান্ত-বিরোধ অঞ্চলের কূটনৈতিক পরিমণ্ডলে সতর্ক ভারসাম্য বজায় রাখার গুরুত্ব আরও স্পষ্ট করে তোলে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মার্কিন নাগরিককে মুক্ত করতে বিরল সফরে মিয়ানমারে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা

পাকিস্তান-চীন সীমান্ত কমিশন প্রত্যাখ্যান করল ভারত, বলল আইনি ভিত্তি নেই

০৪:৪৯:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে নতুন গঠিত সীমান্ত যৌথ কমিশনকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে কোনো সীমান্তই নেই, তাই এই কমিশনের কোনো আইনি ভিত্তি থাকতে পারে না।

জয়সওয়াল জোর দিয়ে বলেন, জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ চিরকাল ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে এবং থাকবে। ভারত ১৯৬৩ সালের তথাকথিত চীন-পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তিকে কখনও স্বীকৃতি দেয়নি বলে পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে, এবং পাকিস্তানের অবৈধ দখলে থাকা এলাকা নিয়ে কোনো সমঝোতায় যাওয়ার এখতিয়ার ইসলামাবাদের নেই বলে দাবি করেছে দিল্লি।

ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত কমিশনের প্রথম বৈঠকে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বাড়ানোর কথা বলা হলেও ভারত এটিকে নিছক প্রতীকী উদ্যোগ হিসেবে দেখছে। দিল্লি পাকিস্তানকে অবিলম্বে দখলকৃত এলাকা ছেড়ে দেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে এই বিরোধ দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে, কারণ চীন-পাকিস্তান অক্ষ শক্তিশালী হলে তা ভারতের সঙ্গে আঞ্চলিক ভারসাম্যে নতুন উত্তেজনা তৈরি করতে পারে। বাংলাদেশের মতো প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্যও এ ধরনের সীমান্ত-বিরোধ অঞ্চলের কূটনৈতিক পরিমণ্ডলে সতর্ক ভারসাম্য বজায় রাখার গুরুত্ব আরও স্পষ্ট করে তোলে।