অস্কারজয়ী সুরকার এ আর রহমান এবার নিজের জীবন, সংগীত ও সৃজনশীলতার গল্প নিয়ে আত্মজীবনী লিখছেন। বইটির নাম ‘রহমান: অ্যা রেনেসাঁ’। লেখিকা রূপা চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে বইটি লিখছেন তিনি।
জীবনের গল্পে থাকবে সুরের নেপথ্যকথা
আত্মজীবনীতে এ আর রহমানের শৈশব থেকে শুরু করে শিল্পী হিসেবে তাঁর বিকাশ, সংগীতজীবনের নানা অভিজ্ঞতা, সাফল্য-সংগ্রাম, প্রভাব ও সৃষ্টিশীলতার পেছনের ভাবনা উঠে আসবে।
বইটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় রহমান জানান, তাঁর জীবনে নতুন একটি অধ্যায় শুরু হচ্ছে। রূপা চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে লেখা এই বইয়ে তাঁর সংগীত, চিন্তা, চ্যালেঞ্জ, প্রভাব এবং সৃজনশীল যাত্রার নানা দিক তুলে ধরা হবে।
‘আমার সংগীত আমার চিন্তার বিবর্তন থেকে আসে’

রহমান বলেন, তাঁর সংগীতের সঙ্গে তাঁর চিন্তা ও জীবনের অভিজ্ঞতার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। জীবনের নানা চ্যালেঞ্জ, আকাঙ্ক্ষা, দ্বিধা, মানসিক টানাপোড়েন এবং মানুষের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক—সবকিছুই তাঁর সৃষ্টিশীলতার সঙ্গে পরস্পর জড়িয়ে আছে।
তাঁর ভাষায়, নিজের মনের ক্রমাগত পরিবর্তনের মধ্য থেকেই তাঁর সংগীতের জন্ম। জীবনের নানা পরীক্ষা, আকাঙ্ক্ষা ও মানসিক দ্বন্দ্ব তাঁর সৃষ্টির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।
‘রোজা’ থেকে অস্কারের মঞ্চ
১৯৯২ সালে মণি রত্নমের ‘রোজা’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে চলচ্চিত্রের সুরকার হিসেবে রহমানের যাত্রা শুরু হয়। এরপর ‘বোম্বে’, ‘দিল সে’, ‘লগান’, ‘রং দে বাসন্তী’ ও **‘রকস্টার’**সহ অসংখ্য জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে সংগীত পরিচালনা করেন তিনি।
সংগীতের অসাধারণ অবদানের জন্য তিনি ছয়বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। ড্যানি বয়েলের ‘স্লামডগ মিলিয়নিয়ার’ চলচ্চিত্রের সংগীতের জন্য তাঁর ঝুলিতে রয়েছে দুটি অস্কার, দুটি গ্র্যামি, একটি বাফটা ও একটি গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার।
নতুন আত্মজীবনীতে এবার সেই দীর্ঘ পথচলার নেপথ্যের গল্প, ব্যক্তিগত উপলব্ধি ও সৃষ্টিশীলতার অজানা অধ্যায় পাঠকদের সামনে তুলে ধরার অপেক্ষায় আছেন বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় এই সুরকার।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















