মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার একটি বাড়ি থেকে একই পরিবারের তিন সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ৪০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি, তার স্ত্রী এবং ১৮ মাস বয়সী শিশুকন্যা। শনিবার দুপুরে উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের বারাহী জান্নাকান্দি গ্রামের বাড়ি থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন—একই গ্রামের নুর হক ডাক্তারের ছেলে একরাম মোল্লা (৪০), তার স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা এবং তাদের ১৮ মাস বয়সী মেয়ে আলিজা।
পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, একরামের মরদেহ ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে স্কার্ফ দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। অন্যদিকে তার স্ত্রী ও শিশুকন্যার মরদেহ ঘরের ভেতরে পড়ে ছিল। তাদের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মানিকগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) মোহরাম আলী জানান, প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, একরাম তার স্ত্রী ও মেয়েকে মাথায় আঘাত করে হত্যা করার পর নিজে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন।
তবে ঘটনাটিকে এখনই চূড়ান্তভাবে হত্যা ও আত্মহত্যা হিসেবে নিশ্চিত করছে না পুলিশ। কীভাবে এবং কী কারণে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এএসপি মোহরাম আলী বলেন, ঘটনাটি তদন্তাধীন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
পুলিশ মরদেহ তিনটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পেছনে পারিবারিক কোনো বিরোধ, মানসিক চাপ বা অন্য কোনো কারণ ছিল কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















