০৭:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ডলি পার্টন: ভালোবাসা, গান আর মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক অনন্য জীবন নরওয়ের রাজা হারাল্ড পঞ্চমের মৃত্যু, শোকে ওসলো বিতর্ক পেরিয়ে নতুন উচ্চতায় র‍্যাচেল জেগলার, এবার ব্রডওয়েতে ইভা পেরন শিল্পের নতুন প্রভাবশালীদের খোঁজে টাইম, ৫০ বছর পর প্রচ্ছদে জীবিত চিত্রশিল্পী ৯/১১-এর ২৫ বছর: যে ক্ষত আজও বয়ে বেড়াচ্ছে এক প্রজন্ম নিজের ঘরেও পরবাসী: ‘কারা আমাদের মানুষ’—এই প্রশ্নের রাজনীতি ট্রাম্প-শির নৈশভোজে জাঁকজমক, আড়ালে যুক্তরাষ্ট্র-চীনের গভীর টানাপোড়েন ব্রিকস সম্মেলনে না যাওয়ায় লাভবান তারেক রহমান, ক্ষতি বাংলাদেশের জানুয়ারিতে শুরু হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, পরীক্ষার সময় এড়িয়ে ইসির প্রস্তুতি ইতালির ব্যাংকিং খাতে নতুন শক্তি, আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান থেকে জাতীয় জায়ান্ট বিএপিইআর

মোটরসাইকেল ও গাড়ি চালকদের সড়কে মানতে হবে ১২ নিয়ম

সড়ক দুর্ঘটনা কমানো এবং নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে মোটরসাইকেল ও গাড়িচালকদের জন্য ১২টি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। হেলমেট ও সিটবেল্ট ব্যবহার, নির্ধারিত গতিসীমা মেনে চলা, মোবাইল ফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকা এবং ঝুঁকিপূর্ণভাবে ওভারটেকিং না করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে বাংলাদেশ পুলিশের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা জানানো হয়। সড়কে নিজের পাশাপাশি অন্যদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে প্রত্যেক চালককে নিয়মগুলো মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ।

মোটরসাইকেল চালকদের জন্য

পুলিশের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মোটরসাইকেল চালানোর সময় চালক ও আরোহী—উভয়কেই হেলমেট পরতে হবে। একটি মোটরসাইকেলে চালকসহ সর্বোচ্চ দুজন চলাচল করতে পারবেন। হেলমেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে মানসম্মত ও নিরাপদ হেলমেট ব্যবহারের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

গাড়িতে সিটবেল্ট বাধ্যতামূলকভাবে ব্যবহার

মোটরসাইকেল ও গাড়ি চালকদের জন্য ১২ নির্দেশনা

গাড়ি চালানোর সময় চালক ও যাত্রীদের সিটবেল্ট ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনার সময় সিটবেল্ট গুরুতর আঘাতের ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই গাড়িতে ওঠার পর সিটবেল্ট ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ।

মোবাইল ফোন ও অপ্রয়োজনীয় হর্ন এড়িয়ে চলা

গাড়ি বা মোটরসাইকেল চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। চালানোর সময় ফোনে কথা বলা বা অন্য কাজে মনোযোগ দেওয়া দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনে হর্ন না বাজানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

গতিসীমা ও ট্রাফিক সিগন্যাল মানা

সড়কে নির্ধারিত গতিসীমা মেনে চলতে হবে। পরিস্থিতি অনুযায়ী নিরাপদ গতিতে যানবাহন চালানোর পাশাপাশি ট্রাফিক সিগন্যাল যথাযথভাবে অনুসরণ করার নির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ।

ভারী যানবাহনের ‘ব্লাইন্ড স্পট’ থেকে সতর্ক থাকা

বড় ও ভারী যানবাহনের আশপাশে চলাচলের সময় চালকদের বিশেষ সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এসব যানবাহনের ‘ব্লাইন্ড স্পট’ বা চালকের দৃষ্টিসীমার বাইরে থাকা জায়গায় অবস্থান করলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই ভারী যানবাহনের কাছাকাছি চলার সময় পর্যাপ্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।

লেন পরিবর্তন ও মোড় নেওয়ার আগে ইন্ডিকেটর

লেন পরিবর্তন কিংবা মোড় নেওয়ার আগে ইন্ডিকেটর ব্যবহার করতে হবে। এতে আশপাশের যানবাহনের চালকরা আগে থেকেই গন্তব্য বা দিক পরিবর্তনের বিষয়টি বুঝতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা নিতে পারেন।

নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা

সামনের যানবাহনের সঙ্গে পর্যাপ্ত নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে চলার পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। সামনে থাকা যান হঠাৎ গতি কমালে বা থামলে যাতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সংঘর্ষ না ঘটে, সে জন্য নিরাপদ দূরত্ব রাখা জরুরি।

প্রতিকূল আবহাওয়ায় গতি কমানো

কুয়াশা, বৃষ্টি কিংবা অন্য কোনো প্রতিকূল আবহাওয়ায় স্বাভাবিকের চেয়ে কম গতিতে সতর্কতার সঙ্গে যানবাহন চালাতে বলা হয়েছে। দৃশ্যমানতা কমে গেলে অতিরিক্ত গতি দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে।

যানজটে ধৈর্য ধরে গাড়ি চালানো

যানজট কিংবা অন্য কোনো চালকের ভুল আচরণের কারণে মেজাজ হারানো থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং অন্য চালকের ভুলের প্রতিক্রিয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ না করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

মাদক বা তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় গাড়ি নয়

মোটরসাইকেল ও গাড়ি চালকদের জন্য পুলিশের ১২ নির্দেশনা

মাদক সেবনের পর কিংবা তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় কোনো ধরনের যানবাহন চালানো থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকতে হবে। এ ধরনের অবস্থায় চালকের মনোযোগ ও দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা কমে যেতে পারে, ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ে।

উল্টো পথে ও ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং নয়

উল্টো পথে যানবাহন চালানো থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি মহাসড়কে ঝুঁকিপূর্ণভাবে ওভারটেকিং না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত লেন অনুসরণ করে নিরাপদ উপায়ে যানবাহন চালাতে বলা হয়েছে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখা

চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পাশাপাশি যানবাহনের প্রয়োজনীয় সব হালনাগাদ কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ।

সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দায়িত্ব নয়; চালক, যাত্রী ও পথচারী—সবার সচেতন ও দায়িত্বশীল আচরণ এর সঙ্গে জড়িত। নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার পাশাপাশি অন্য সড়ক ব্যবহারকারীদের জীবন রক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশের এসব নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সড়কে মানার ১২টি মূল নির্দেশনা হলো—
১. চালক ও মোটরসাইকেল আরোহী উভয়কে হেলমেট পরতে হবে।
২. মোটরসাইকেলে চালকসহ সর্বোচ্চ দুজন চলাচল করতে পারবেন।
৩. গাড়িতে চালক ও যাত্রীদের সিটবেল্ট ব্যবহার করতে হবে।
৪. গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যাবে না।
৫. অপ্রয়োজনে হর্ন বাজানো থেকে বিরত থাকতে হবে।
৬. নির্ধারিত গতিসীমা ও ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলতে হবে।
৭. বড় ও ভারী যানবাহনের ‘ব্লাইন্ড স্পট’ সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে।
৮. লেন পরিবর্তন বা মোড় নেওয়ার আগে ইন্ডিকেটর ব্যবহার করতে হবে।
৯. অন্য যানবাহনের সঙ্গে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।
১০. কুয়াশা, বৃষ্টি বা প্রতিকূল আবহাওয়ায় গতি কমিয়ে সতর্কভাবে চলতে হবে।
১১. মাদক বা তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় এবং উল্টো পথে গাড়ি চালানো যাবে না।
১২. মহাসড়কে ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং না করে নির্ধারিত লেন অনুসরণ করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় হালনাগাদ কাগজপত্র সঙ্গে রাখতে হবে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ডলি পার্টন: ভালোবাসা, গান আর মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক অনন্য জীবন

মোটরসাইকেল ও গাড়ি চালকদের সড়কে মানতে হবে ১২ নিয়ম

০৩:৩৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সড়ক দুর্ঘটনা কমানো এবং নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে মোটরসাইকেল ও গাড়িচালকদের জন্য ১২টি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। হেলমেট ও সিটবেল্ট ব্যবহার, নির্ধারিত গতিসীমা মেনে চলা, মোবাইল ফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকা এবং ঝুঁকিপূর্ণভাবে ওভারটেকিং না করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে বাংলাদেশ পুলিশের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা জানানো হয়। সড়কে নিজের পাশাপাশি অন্যদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে প্রত্যেক চালককে নিয়মগুলো মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ।

মোটরসাইকেল চালকদের জন্য

পুলিশের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মোটরসাইকেল চালানোর সময় চালক ও আরোহী—উভয়কেই হেলমেট পরতে হবে। একটি মোটরসাইকেলে চালকসহ সর্বোচ্চ দুজন চলাচল করতে পারবেন। হেলমেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে মানসম্মত ও নিরাপদ হেলমেট ব্যবহারের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

গাড়িতে সিটবেল্ট বাধ্যতামূলকভাবে ব্যবহার

মোটরসাইকেল ও গাড়ি চালকদের জন্য ১২ নির্দেশনা

গাড়ি চালানোর সময় চালক ও যাত্রীদের সিটবেল্ট ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনার সময় সিটবেল্ট গুরুতর আঘাতের ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই গাড়িতে ওঠার পর সিটবেল্ট ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ।

মোবাইল ফোন ও অপ্রয়োজনীয় হর্ন এড়িয়ে চলা

গাড়ি বা মোটরসাইকেল চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। চালানোর সময় ফোনে কথা বলা বা অন্য কাজে মনোযোগ দেওয়া দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনে হর্ন না বাজানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

গতিসীমা ও ট্রাফিক সিগন্যাল মানা

সড়কে নির্ধারিত গতিসীমা মেনে চলতে হবে। পরিস্থিতি অনুযায়ী নিরাপদ গতিতে যানবাহন চালানোর পাশাপাশি ট্রাফিক সিগন্যাল যথাযথভাবে অনুসরণ করার নির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ।

ভারী যানবাহনের ‘ব্লাইন্ড স্পট’ থেকে সতর্ক থাকা

বড় ও ভারী যানবাহনের আশপাশে চলাচলের সময় চালকদের বিশেষ সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এসব যানবাহনের ‘ব্লাইন্ড স্পট’ বা চালকের দৃষ্টিসীমার বাইরে থাকা জায়গায় অবস্থান করলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই ভারী যানবাহনের কাছাকাছি চলার সময় পর্যাপ্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।

লেন পরিবর্তন ও মোড় নেওয়ার আগে ইন্ডিকেটর

লেন পরিবর্তন কিংবা মোড় নেওয়ার আগে ইন্ডিকেটর ব্যবহার করতে হবে। এতে আশপাশের যানবাহনের চালকরা আগে থেকেই গন্তব্য বা দিক পরিবর্তনের বিষয়টি বুঝতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা নিতে পারেন।

নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা

সামনের যানবাহনের সঙ্গে পর্যাপ্ত নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে চলার পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। সামনে থাকা যান হঠাৎ গতি কমালে বা থামলে যাতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সংঘর্ষ না ঘটে, সে জন্য নিরাপদ দূরত্ব রাখা জরুরি।

প্রতিকূল আবহাওয়ায় গতি কমানো

কুয়াশা, বৃষ্টি কিংবা অন্য কোনো প্রতিকূল আবহাওয়ায় স্বাভাবিকের চেয়ে কম গতিতে সতর্কতার সঙ্গে যানবাহন চালাতে বলা হয়েছে। দৃশ্যমানতা কমে গেলে অতিরিক্ত গতি দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে।

যানজটে ধৈর্য ধরে গাড়ি চালানো

যানজট কিংবা অন্য কোনো চালকের ভুল আচরণের কারণে মেজাজ হারানো থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং অন্য চালকের ভুলের প্রতিক্রিয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ না করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

মাদক বা তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় গাড়ি নয়

মোটরসাইকেল ও গাড়ি চালকদের জন্য পুলিশের ১২ নির্দেশনা

মাদক সেবনের পর কিংবা তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় কোনো ধরনের যানবাহন চালানো থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকতে হবে। এ ধরনের অবস্থায় চালকের মনোযোগ ও দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা কমে যেতে পারে, ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ে।

উল্টো পথে ও ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং নয়

উল্টো পথে যানবাহন চালানো থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি মহাসড়কে ঝুঁকিপূর্ণভাবে ওভারটেকিং না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত লেন অনুসরণ করে নিরাপদ উপায়ে যানবাহন চালাতে বলা হয়েছে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখা

চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পাশাপাশি যানবাহনের প্রয়োজনীয় সব হালনাগাদ কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ।

সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দায়িত্ব নয়; চালক, যাত্রী ও পথচারী—সবার সচেতন ও দায়িত্বশীল আচরণ এর সঙ্গে জড়িত। নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার পাশাপাশি অন্য সড়ক ব্যবহারকারীদের জীবন রক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশের এসব নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সড়কে মানার ১২টি মূল নির্দেশনা হলো—
১. চালক ও মোটরসাইকেল আরোহী উভয়কে হেলমেট পরতে হবে।
২. মোটরসাইকেলে চালকসহ সর্বোচ্চ দুজন চলাচল করতে পারবেন।
৩. গাড়িতে চালক ও যাত্রীদের সিটবেল্ট ব্যবহার করতে হবে।
৪. গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যাবে না।
৫. অপ্রয়োজনে হর্ন বাজানো থেকে বিরত থাকতে হবে।
৬. নির্ধারিত গতিসীমা ও ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলতে হবে।
৭. বড় ও ভারী যানবাহনের ‘ব্লাইন্ড স্পট’ সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে।
৮. লেন পরিবর্তন বা মোড় নেওয়ার আগে ইন্ডিকেটর ব্যবহার করতে হবে।
৯. অন্য যানবাহনের সঙ্গে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।
১০. কুয়াশা, বৃষ্টি বা প্রতিকূল আবহাওয়ায় গতি কমিয়ে সতর্কভাবে চলতে হবে।
১১. মাদক বা তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় এবং উল্টো পথে গাড়ি চালানো যাবে না।
১২. মহাসড়কে ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং না করে নির্ধারিত লেন অনুসরণ করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় হালনাগাদ কাগজপত্র সঙ্গে রাখতে হবে।