০২:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬
হরমুজ ও বাব এল-মান্দেবে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক, শান্তি আলোচনার অনিশ্চয়তা কাটেনি তাইওয়ানের বৃহৎ যুদ্ধমহড়া শুরু, যুদ্ধক্ষেত্রের অনিশ্চয়তা মোকাবিলায় নতুন কৌশলের পরীক্ষা বসনিয়া-হার্জেগোভিনার ইউরোপযাত্রা: স্থিতিশীলতার পরীক্ষায় দেশীয় নেতৃত্ব ও আন্তর্জাতিক আস্থার প্রশ্ন জ্বালানি নিরাপত্তায় ৪২ বিলিয়ন ডলারের তহবিল গড়ছে ভারত, গ্যাস ব্যবহারকারীদের ওপর নতুন শুল্কের পরিকল্পনা ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগ, প্রায় ৫৮ হাজার শিক্ষার্থীকে আবার পরীক্ষা দিতে বলল মেক্সিকোর শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় হরমুজ ও বাব এল-মান্দেবে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক, শান্তি আলোচনার অনিশ্চয়তা কাটেনি সাইবার প্রতারণা দমনে কঠোর আইন, মৃত্যুদণ্ডের বিধান অনুমোদন করল মিয়ানমারের জান্তা যুক্তরাষ্ট্রের ছাতার নিচে কতটা নিরাপদ জাপানের ইয়েন? রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কাঁপল কিয়েভ, নিহত অন্তত ১৭ মিয়ানমারের পাহাড়ে শুরু হয়েছে ২১ শতকের নতুন ‘গ্রেট গেম’  ও বাংলাদেশ   

ঈদে ‘তিথিডোর’ নিয়ে আসছে মেহজাবীন চৌধুরী

  • Sarakhon Report
  • ০৬:০৭:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪
  • 124

সারাক্ষণ  প্রতিবেদক

বাংলাদেশের এই প্রজন্মের অন্যতম জনপ্রিয় ও নন্দিত অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী সম্প্রতি তার ফেসবুকে ওপার বাংলার কিংবদন্তী অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক ও তার স্ত্রীর একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। যেখানে রঞ্জিত মল্লিকের স্ত্রী বাংলাদেশের এই প্রজন্মের অভিনেত্রীদের মধ্যে শুধুমাত্র মেহজাবীনের অভিনয়ের প্রতি তার এবং তার স্বামী রঞ্জিত মল্লিকের ভালোলাগার কথা প্রকাশ করেছেন।

 

রঞ্জিত মল্লিকের স্ত্রী দীপা মল্লিক যেমন মেহজাবীনের অভিনয়ের প্রশংসা করেছেন, অনুরূপভাবে রঞ্জিত মল্লিকও মেহজাবীনের অভিনয়ের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তাদের দু’জনের এমন কথায় ভীষণ অনুপ্রাণিত হয়েছেন এবং মেহজাবীন তার নাটক ভক্ত দর্শকদের জন্য সুখবর দিলেন যে এবারের ঈদে তাকে চ্যানেল আইতে একটি নাটকে অভিনয়ে দেখা যাবে। নাটকের নাম ‘তিথিডোর’। নাটকটি রচনা করেছেন জাহান সুলতানা এবং পরিচালনা করেছেন ভিকি জাহেদ।

 

 

এরইমধ্যে নাটকটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েচে বলে জানান মেহজাবীন। নাটকটিতে অভিনয় করা প্রসঙ্গে মেহজাবীন বলেন,‘ তিথিডোর নাটকটি মূলত একটি চরিত্রকে ঘিরে। আত্নহত্যার প্রবণতায় ভূগছেন এমন একজন মানুষ নিশাতকে ঘিরেই এই নাটকের গল্প। গল্পটা এই সময়ের জন্য উপযোগী একটি গল্প। আত্নহত্যা করার প্রবণতা যাদের মধ্যে থাকে তাদের কারণে সমাজে এবং পারিবারের উপর যে প্রভাব পড়ে তা তুলে ধরার চেষ্টা  করা হয়েছে। দেখা যায যে আমাদের সমাজে এমন অনেক মেয়েই আছে দেখতে বেশ হাসি খুশী।

 

কিন্তু ভেতরে ভেতরে সে যে কী এক যন্ত্রণায় সময় পার করছে তা বাইরে থেকে কেউউ অনুধাবন করতে পারবেনা।  আমার কাছে মনে হয়েছে এই ধরনের গল্প এই সময়েই বলা উচিত। আমি নাটক এখন খুবই কম করি। কিন্তু তারপরও এই ধরনের গল্প সমাজের মানুষের কাছে তুলে ধরার জন্য শিল্পী হিসেবে আমার দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে এই নাটকে অভিনয় করা। আর আমি ভীষণভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি ওপার বাংলার কিংবদন্তী অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক স্যার ও তার সহধর্মিনী শ্রীমতি দীপা মল্লিক ম্যাডামের কাছে। তারা আমার অভিনীত নাটক দেখেন, এটা আমার জন্য সত্যিই অনেক আনন্দের এবং অনুপ্রেরণারও বটে। আমাকে নিয়ে তাদের কথা এবং ভালোবাসা আমাকে খুব স্পর্শ করেছে।’

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ ও বাব এল-মান্দেবে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক, শান্তি আলোচনার অনিশ্চয়তা কাটেনি

ঈদে ‘তিথিডোর’ নিয়ে আসছে মেহজাবীন চৌধুরী

০৬:০৭:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪

সারাক্ষণ  প্রতিবেদক

বাংলাদেশের এই প্রজন্মের অন্যতম জনপ্রিয় ও নন্দিত অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী সম্প্রতি তার ফেসবুকে ওপার বাংলার কিংবদন্তী অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক ও তার স্ত্রীর একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। যেখানে রঞ্জিত মল্লিকের স্ত্রী বাংলাদেশের এই প্রজন্মের অভিনেত্রীদের মধ্যে শুধুমাত্র মেহজাবীনের অভিনয়ের প্রতি তার এবং তার স্বামী রঞ্জিত মল্লিকের ভালোলাগার কথা প্রকাশ করেছেন।

 

রঞ্জিত মল্লিকের স্ত্রী দীপা মল্লিক যেমন মেহজাবীনের অভিনয়ের প্রশংসা করেছেন, অনুরূপভাবে রঞ্জিত মল্লিকও মেহজাবীনের অভিনয়ের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তাদের দু’জনের এমন কথায় ভীষণ অনুপ্রাণিত হয়েছেন এবং মেহজাবীন তার নাটক ভক্ত দর্শকদের জন্য সুখবর দিলেন যে এবারের ঈদে তাকে চ্যানেল আইতে একটি নাটকে অভিনয়ে দেখা যাবে। নাটকের নাম ‘তিথিডোর’। নাটকটি রচনা করেছেন জাহান সুলতানা এবং পরিচালনা করেছেন ভিকি জাহেদ।

 

 

এরইমধ্যে নাটকটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েচে বলে জানান মেহজাবীন। নাটকটিতে অভিনয় করা প্রসঙ্গে মেহজাবীন বলেন,‘ তিথিডোর নাটকটি মূলত একটি চরিত্রকে ঘিরে। আত্নহত্যার প্রবণতায় ভূগছেন এমন একজন মানুষ নিশাতকে ঘিরেই এই নাটকের গল্প। গল্পটা এই সময়ের জন্য উপযোগী একটি গল্প। আত্নহত্যা করার প্রবণতা যাদের মধ্যে থাকে তাদের কারণে সমাজে এবং পারিবারের উপর যে প্রভাব পড়ে তা তুলে ধরার চেষ্টা  করা হয়েছে। দেখা যায যে আমাদের সমাজে এমন অনেক মেয়েই আছে দেখতে বেশ হাসি খুশী।

 

কিন্তু ভেতরে ভেতরে সে যে কী এক যন্ত্রণায় সময় পার করছে তা বাইরে থেকে কেউউ অনুধাবন করতে পারবেনা।  আমার কাছে মনে হয়েছে এই ধরনের গল্প এই সময়েই বলা উচিত। আমি নাটক এখন খুবই কম করি। কিন্তু তারপরও এই ধরনের গল্প সমাজের মানুষের কাছে তুলে ধরার জন্য শিল্পী হিসেবে আমার দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে এই নাটকে অভিনয় করা। আর আমি ভীষণভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি ওপার বাংলার কিংবদন্তী অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক স্যার ও তার সহধর্মিনী শ্রীমতি দীপা মল্লিক ম্যাডামের কাছে। তারা আমার অভিনীত নাটক দেখেন, এটা আমার জন্য সত্যিই অনেক আনন্দের এবং অনুপ্রেরণারও বটে। আমাকে নিয়ে তাদের কথা এবং ভালোবাসা আমাকে খুব স্পর্শ করেছে।’