০৩:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
ইউরোপের প্রযুক্তিখাতে নতুন ভোর: বিনিয়োগ, প্রতিভা ও উদ্ভাবনে বদলে যাচ্ছে শক্তির সমীকরণ ‘ধুরন্ধর ২’ পাকিস্তানে নিষিদ্ধ হতে পারে—তবু চিন্তিত নন পরিচালক আদিত্য ধর জার্মানির শিল্পশক্তি ব্যাডেন-ভুর্টেমবার্গে নির্বাচনী আতঙ্ক, গাড়ি শিল্পের সংকটে ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ ব্রিটেনের অর্থনীতিতে ঝড়ের ইঙ্গিত, শান্ত ঘোষণার আড়ালে বাড়ছে বড় সংকটের আশঙ্কা ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন শ্রেণি বিভাজন: মূলধারার দল ছেড়ে জনতার ঝোঁক নতুন শক্তির দিকে ভারতের ‘পিছিয়ে পড়া’ মেয়েদের স্কুলে ফেরানোর লড়াই, সাফিনা হুসাইনের আন্দোলনে বদলাচ্ছে লক্ষ জীবন শিনজিয়াং ও তিব্বতে শক্তি প্রদর্শনের প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন: সীমান্তে বাড়ছে কৌশলগত যোগাযোগ ব্যবস্থা রাশিয়ার যুদ্ধে আফ্রিকার তরুণরা—চাকরির প্রলোভনে ইউক্রেনের রণক্ষেত্রে মৃত্যুফাঁদ স্থিতিশীলতাই অগ্রাধিকার: কৌশলগত সতর্কতার ইঙ্গিত দিলেন চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভারতের অর্থনীতির নতুন হিসাব: আকার কিছুটা ছোট, কিন্তু প্রবৃদ্ধি আরও দ্রুত

ঈদে ‘তিথিডোর’ নিয়ে আসছে মেহজাবীন চৌধুরী

  • Sarakhon Report
  • ০৬:০৭:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪
  • 78

সারাক্ষণ  প্রতিবেদক

বাংলাদেশের এই প্রজন্মের অন্যতম জনপ্রিয় ও নন্দিত অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী সম্প্রতি তার ফেসবুকে ওপার বাংলার কিংবদন্তী অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক ও তার স্ত্রীর একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। যেখানে রঞ্জিত মল্লিকের স্ত্রী বাংলাদেশের এই প্রজন্মের অভিনেত্রীদের মধ্যে শুধুমাত্র মেহজাবীনের অভিনয়ের প্রতি তার এবং তার স্বামী রঞ্জিত মল্লিকের ভালোলাগার কথা প্রকাশ করেছেন।

 

রঞ্জিত মল্লিকের স্ত্রী দীপা মল্লিক যেমন মেহজাবীনের অভিনয়ের প্রশংসা করেছেন, অনুরূপভাবে রঞ্জিত মল্লিকও মেহজাবীনের অভিনয়ের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তাদের দু’জনের এমন কথায় ভীষণ অনুপ্রাণিত হয়েছেন এবং মেহজাবীন তার নাটক ভক্ত দর্শকদের জন্য সুখবর দিলেন যে এবারের ঈদে তাকে চ্যানেল আইতে একটি নাটকে অভিনয়ে দেখা যাবে। নাটকের নাম ‘তিথিডোর’। নাটকটি রচনা করেছেন জাহান সুলতানা এবং পরিচালনা করেছেন ভিকি জাহেদ।

 

 

এরইমধ্যে নাটকটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েচে বলে জানান মেহজাবীন। নাটকটিতে অভিনয় করা প্রসঙ্গে মেহজাবীন বলেন,‘ তিথিডোর নাটকটি মূলত একটি চরিত্রকে ঘিরে। আত্নহত্যার প্রবণতায় ভূগছেন এমন একজন মানুষ নিশাতকে ঘিরেই এই নাটকের গল্প। গল্পটা এই সময়ের জন্য উপযোগী একটি গল্প। আত্নহত্যা করার প্রবণতা যাদের মধ্যে থাকে তাদের কারণে সমাজে এবং পারিবারের উপর যে প্রভাব পড়ে তা তুলে ধরার চেষ্টা  করা হয়েছে। দেখা যায যে আমাদের সমাজে এমন অনেক মেয়েই আছে দেখতে বেশ হাসি খুশী।

 

কিন্তু ভেতরে ভেতরে সে যে কী এক যন্ত্রণায় সময় পার করছে তা বাইরে থেকে কেউউ অনুধাবন করতে পারবেনা।  আমার কাছে মনে হয়েছে এই ধরনের গল্প এই সময়েই বলা উচিত। আমি নাটক এখন খুবই কম করি। কিন্তু তারপরও এই ধরনের গল্প সমাজের মানুষের কাছে তুলে ধরার জন্য শিল্পী হিসেবে আমার দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে এই নাটকে অভিনয় করা। আর আমি ভীষণভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি ওপার বাংলার কিংবদন্তী অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক স্যার ও তার সহধর্মিনী শ্রীমতি দীপা মল্লিক ম্যাডামের কাছে। তারা আমার অভিনীত নাটক দেখেন, এটা আমার জন্য সত্যিই অনেক আনন্দের এবং অনুপ্রেরণারও বটে। আমাকে নিয়ে তাদের কথা এবং ভালোবাসা আমাকে খুব স্পর্শ করেছে।’

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউরোপের প্রযুক্তিখাতে নতুন ভোর: বিনিয়োগ, প্রতিভা ও উদ্ভাবনে বদলে যাচ্ছে শক্তির সমীকরণ

ঈদে ‘তিথিডোর’ নিয়ে আসছে মেহজাবীন চৌধুরী

০৬:০৭:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪

সারাক্ষণ  প্রতিবেদক

বাংলাদেশের এই প্রজন্মের অন্যতম জনপ্রিয় ও নন্দিত অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী সম্প্রতি তার ফেসবুকে ওপার বাংলার কিংবদন্তী অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক ও তার স্ত্রীর একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। যেখানে রঞ্জিত মল্লিকের স্ত্রী বাংলাদেশের এই প্রজন্মের অভিনেত্রীদের মধ্যে শুধুমাত্র মেহজাবীনের অভিনয়ের প্রতি তার এবং তার স্বামী রঞ্জিত মল্লিকের ভালোলাগার কথা প্রকাশ করেছেন।

 

রঞ্জিত মল্লিকের স্ত্রী দীপা মল্লিক যেমন মেহজাবীনের অভিনয়ের প্রশংসা করেছেন, অনুরূপভাবে রঞ্জিত মল্লিকও মেহজাবীনের অভিনয়ের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তাদের দু’জনের এমন কথায় ভীষণ অনুপ্রাণিত হয়েছেন এবং মেহজাবীন তার নাটক ভক্ত দর্শকদের জন্য সুখবর দিলেন যে এবারের ঈদে তাকে চ্যানেল আইতে একটি নাটকে অভিনয়ে দেখা যাবে। নাটকের নাম ‘তিথিডোর’। নাটকটি রচনা করেছেন জাহান সুলতানা এবং পরিচালনা করেছেন ভিকি জাহেদ।

 

 

এরইমধ্যে নাটকটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েচে বলে জানান মেহজাবীন। নাটকটিতে অভিনয় করা প্রসঙ্গে মেহজাবীন বলেন,‘ তিথিডোর নাটকটি মূলত একটি চরিত্রকে ঘিরে। আত্নহত্যার প্রবণতায় ভূগছেন এমন একজন মানুষ নিশাতকে ঘিরেই এই নাটকের গল্প। গল্পটা এই সময়ের জন্য উপযোগী একটি গল্প। আত্নহত্যা করার প্রবণতা যাদের মধ্যে থাকে তাদের কারণে সমাজে এবং পারিবারের উপর যে প্রভাব পড়ে তা তুলে ধরার চেষ্টা  করা হয়েছে। দেখা যায যে আমাদের সমাজে এমন অনেক মেয়েই আছে দেখতে বেশ হাসি খুশী।

 

কিন্তু ভেতরে ভেতরে সে যে কী এক যন্ত্রণায় সময় পার করছে তা বাইরে থেকে কেউউ অনুধাবন করতে পারবেনা।  আমার কাছে মনে হয়েছে এই ধরনের গল্প এই সময়েই বলা উচিত। আমি নাটক এখন খুবই কম করি। কিন্তু তারপরও এই ধরনের গল্প সমাজের মানুষের কাছে তুলে ধরার জন্য শিল্পী হিসেবে আমার দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে এই নাটকে অভিনয় করা। আর আমি ভীষণভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি ওপার বাংলার কিংবদন্তী অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক স্যার ও তার সহধর্মিনী শ্রীমতি দীপা মল্লিক ম্যাডামের কাছে। তারা আমার অভিনীত নাটক দেখেন, এটা আমার জন্য সত্যিই অনেক আনন্দের এবং অনুপ্রেরণারও বটে। আমাকে নিয়ে তাদের কথা এবং ভালোবাসা আমাকে খুব স্পর্শ করেছে।’