০১:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
ট্রাম্প-শি বৈঠক ও ইরান যুদ্ধের টানাপোড়েনে বাড়ল স্বর্ণের দাম ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় চাপে এয়ার ইন্ডিয়া, সুযোগ নিচ্ছে বিদেশি বিমান সংস্থাগুলো ভারতে স্বর্ণের দামে আগুন, রুপির রেকর্ড পতন ও মদের লাইসেন্স বিতর্কে নতুন চাপ সিসকোতে বড় ছাঁটাই, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় জোর দিয়ে আয় বাড়ার আশা এআই চিপের জোয়ারে এক ট্রিলিয়ন ডলারের পথে এসকে হাইনিক্স, দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে নতুন ইতিহাস ট্রাম্প-শি বৈঠকে ছায়া ফেলেছে ইরান যুদ্ধ, বদলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের জোট রাজনীতি সৌদি যুদ্ধবিমান থেকে ইরাকে হামলা, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা ট্রাম্প-শি বৈঠকে নতুন বাণিজ্য সমঝোতার ইঙ্গিত, কমতে পারে শুল্ক যুদ্ধের চাপ ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ থামাতে চীনের সহায়তা চায় যুক্তরাষ্ট্র, তবে বেইজিংয়ের হিসাব ভিন্ন ট্রাম্প-শি বৈঠকে বাণিজ্য অগ্রগতি, তাইওয়ান নিয়ে কড়া বার্তা চীনের

কান্না আটকে রাখতে পারিনি: আবুল হায়াত

  • Sarakhon Report
  • ০৪:৪৩:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪
  • 126

সারাক্ষণ প্রতিবেদক
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে স্থবির হয়ে গিয়েছিল দেশ। গত সপ্তাহে চলেছে নৈরাজ্য-সহিংসতা। পরিস্থিতি হয়ে পড়েছিল অস্থিতিশীল। এদিকে এই আন্দোলনে প্রাণ হারিয়েছেন অভিনেতা আবুল হায়াতের ভবনে বসবাসরত ফারহান ফাইয়াজ নামের এক তরুণ। এই মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না বর্ষীয়ান অভিনেতা।

বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমকে আবুল হায়াত বলেন, ‘১৮ জুলাই আমি কেঁদেছি। মৃত্যুর খবরে আমার কান্না থামাতে পারছিলাম না। বাচ্চাগুলোর একটার পর একটা মৃত্যুর খবর আসছিল, কিছুতেই কান্না আটকে রাখতে পারিনি। আমি অসুস্থ, এখন বেশির ভাগ সময় বাসায় থাকি, কোথাও বের হই না—আমি তো ভাবতেই পারি না, ছোট ছোট বাচ্চাদের সঙ্গে এমনটা হতে পারে!’

তিনি আরও বলেন, সেই একই সমাধানে তো এল তারা, যেটা বলেছিল সম্ভব না, সেটাই তো তারা এক দিনের ব্যবধানে করল! সুতরাং এটা সেদিনই সম্ভব ছিল, প্রথম দিন না হলে দ্বিতীয় দিনে সম্ভব হতো। এ জন্যই বলি, সময়ের এক ফোঁড় অসময়ের দশ ফোঁড়। অনেক কষ্ট পেয়েছি। আমি আসলে এই কষ্ট প্রকাশ করতে পারব না। আমার চোখ এখনো ছলছল করছে। আমি এমন মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারিনি

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্প-শি বৈঠক ও ইরান যুদ্ধের টানাপোড়েনে বাড়ল স্বর্ণের দাম

কান্না আটকে রাখতে পারিনি: আবুল হায়াত

০৪:৪৩:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪

সারাক্ষণ প্রতিবেদক
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে স্থবির হয়ে গিয়েছিল দেশ। গত সপ্তাহে চলেছে নৈরাজ্য-সহিংসতা। পরিস্থিতি হয়ে পড়েছিল অস্থিতিশীল। এদিকে এই আন্দোলনে প্রাণ হারিয়েছেন অভিনেতা আবুল হায়াতের ভবনে বসবাসরত ফারহান ফাইয়াজ নামের এক তরুণ। এই মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না বর্ষীয়ান অভিনেতা।

বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমকে আবুল হায়াত বলেন, ‘১৮ জুলাই আমি কেঁদেছি। মৃত্যুর খবরে আমার কান্না থামাতে পারছিলাম না। বাচ্চাগুলোর একটার পর একটা মৃত্যুর খবর আসছিল, কিছুতেই কান্না আটকে রাখতে পারিনি। আমি অসুস্থ, এখন বেশির ভাগ সময় বাসায় থাকি, কোথাও বের হই না—আমি তো ভাবতেই পারি না, ছোট ছোট বাচ্চাদের সঙ্গে এমনটা হতে পারে!’

তিনি আরও বলেন, সেই একই সমাধানে তো এল তারা, যেটা বলেছিল সম্ভব না, সেটাই তো তারা এক দিনের ব্যবধানে করল! সুতরাং এটা সেদিনই সম্ভব ছিল, প্রথম দিন না হলে দ্বিতীয় দিনে সম্ভব হতো। এ জন্যই বলি, সময়ের এক ফোঁড় অসময়ের দশ ফোঁড়। অনেক কষ্ট পেয়েছি। আমি আসলে এই কষ্ট প্রকাশ করতে পারব না। আমার চোখ এখনো ছলছল করছে। আমি এমন মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারিনি