০৭:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
কিশোরদের মানসিক আশ্রয় যখন এআই: সহায়ক প্রযুক্তি নাকি নতুন ঝুঁকি? নেপালের মরদেহ শনাক্ত সংকট: এখনো নিখোঁজ ২,৪২৬ জন; ৫১৭ বিদেশি নাগরিক রাজধানীতে গ্যাস সংকট তীব্র, ৪০-৫০ টাকার গ্যাসের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা রংপুরে অটোরিকশাচালককে গলা কেটে হত্যা, নিখোঁজ গাড়ি উদ্ধারে অভিযান ঢাকার যানজট কমাতে ৪ মাসের সময়সীমা, করওয়ান বাজারের কাঁচাবাজার যাবে গাবতলীতে ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে এখন থেকেই মানুন ৫টি সহজ অভ্যাস নিজ দলের কর্মীর সঙ্গে বিরোধ, মারধরের পর যুবদল নেতার মৃত্যু একই দিনে মনপুরার ৩ শিশু নিখোঁজ, উৎকণ্ঠায় পরিবার সেমিফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত, লড়াই হবে ভিক্টোরিয়ার সঙ্গে নেপাল-তিব্বত সীমান্তের বন্যায় নিখোঁজ বন্ধু, ভেসে গেল গ্ল্যান্সির পরিচিত গ্রাম

কান্না আটকে রাখতে পারিনি: আবুল হায়াত

  • Sarakhon Report
  • ০৪:৪৩:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪
  • 152

সারাক্ষণ প্রতিবেদক
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে স্থবির হয়ে গিয়েছিল দেশ। গত সপ্তাহে চলেছে নৈরাজ্য-সহিংসতা। পরিস্থিতি হয়ে পড়েছিল অস্থিতিশীল। এদিকে এই আন্দোলনে প্রাণ হারিয়েছেন অভিনেতা আবুল হায়াতের ভবনে বসবাসরত ফারহান ফাইয়াজ নামের এক তরুণ। এই মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না বর্ষীয়ান অভিনেতা।

বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমকে আবুল হায়াত বলেন, ‘১৮ জুলাই আমি কেঁদেছি। মৃত্যুর খবরে আমার কান্না থামাতে পারছিলাম না। বাচ্চাগুলোর একটার পর একটা মৃত্যুর খবর আসছিল, কিছুতেই কান্না আটকে রাখতে পারিনি। আমি অসুস্থ, এখন বেশির ভাগ সময় বাসায় থাকি, কোথাও বের হই না—আমি তো ভাবতেই পারি না, ছোট ছোট বাচ্চাদের সঙ্গে এমনটা হতে পারে!’

তিনি আরও বলেন, সেই একই সমাধানে তো এল তারা, যেটা বলেছিল সম্ভব না, সেটাই তো তারা এক দিনের ব্যবধানে করল! সুতরাং এটা সেদিনই সম্ভব ছিল, প্রথম দিন না হলে দ্বিতীয় দিনে সম্ভব হতো। এ জন্যই বলি, সময়ের এক ফোঁড় অসময়ের দশ ফোঁড়। অনেক কষ্ট পেয়েছি। আমি আসলে এই কষ্ট প্রকাশ করতে পারব না। আমার চোখ এখনো ছলছল করছে। আমি এমন মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারিনি

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরদের মানসিক আশ্রয় যখন এআই: সহায়ক প্রযুক্তি নাকি নতুন ঝুঁকি?

কান্না আটকে রাখতে পারিনি: আবুল হায়াত

০৪:৪৩:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪

সারাক্ষণ প্রতিবেদক
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে স্থবির হয়ে গিয়েছিল দেশ। গত সপ্তাহে চলেছে নৈরাজ্য-সহিংসতা। পরিস্থিতি হয়ে পড়েছিল অস্থিতিশীল। এদিকে এই আন্দোলনে প্রাণ হারিয়েছেন অভিনেতা আবুল হায়াতের ভবনে বসবাসরত ফারহান ফাইয়াজ নামের এক তরুণ। এই মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না বর্ষীয়ান অভিনেতা।

বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমকে আবুল হায়াত বলেন, ‘১৮ জুলাই আমি কেঁদেছি। মৃত্যুর খবরে আমার কান্না থামাতে পারছিলাম না। বাচ্চাগুলোর একটার পর একটা মৃত্যুর খবর আসছিল, কিছুতেই কান্না আটকে রাখতে পারিনি। আমি অসুস্থ, এখন বেশির ভাগ সময় বাসায় থাকি, কোথাও বের হই না—আমি তো ভাবতেই পারি না, ছোট ছোট বাচ্চাদের সঙ্গে এমনটা হতে পারে!’

তিনি আরও বলেন, সেই একই সমাধানে তো এল তারা, যেটা বলেছিল সম্ভব না, সেটাই তো তারা এক দিনের ব্যবধানে করল! সুতরাং এটা সেদিনই সম্ভব ছিল, প্রথম দিন না হলে দ্বিতীয় দিনে সম্ভব হতো। এ জন্যই বলি, সময়ের এক ফোঁড় অসময়ের দশ ফোঁড়। অনেক কষ্ট পেয়েছি। আমি আসলে এই কষ্ট প্রকাশ করতে পারব না। আমার চোখ এখনো ছলছল করছে। আমি এমন মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারিনি