০৭:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
ইরানপন্থী সমাবেশের আশঙ্কা, লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থী মিছিল নিষিদ্ধ করলেন ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোমানিয়ায় মার্কিন সেনা উপস্থিতি বাড়ানোর অনুমোদন হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ; তেল ছাড়তে প্রস্তুত জাপান ও জার্মানি সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই থাইল্যান্ডের জাহাজে হরমুজ প্রণালীতে অজ্ঞাত হামলা, নিখোঁজ তিন নাবিক ইরান যুদ্ধে বেসামরিক ও শিশু মৃত্যুর ঘটনায় শোক প্রকাশ পোপ লিওর তেলের বাজারে অস্থিরতা: ইরান যুদ্ধের প্রভাবে জরুরি মজুত থেকে তেল ছাড়ার সুপারিশ আইইএর ইরানে নতুন করে ‘ব্যাপক হামলা’ শুরু করেছে ইসরাইল, একই সঙ্গে বৈরুতেও আঘাত ইরান যুদ্ধ: যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৭টি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত প্রয়োজন হলে সৌদি আরবের পাশে থাকবে পাকিস্তান

কান্না আটকে রাখতে পারিনি: আবুল হায়াত

  • Sarakhon Report
  • ০৪:৪৩:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪
  • 103

সারাক্ষণ প্রতিবেদক
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে স্থবির হয়ে গিয়েছিল দেশ। গত সপ্তাহে চলেছে নৈরাজ্য-সহিংসতা। পরিস্থিতি হয়ে পড়েছিল অস্থিতিশীল। এদিকে এই আন্দোলনে প্রাণ হারিয়েছেন অভিনেতা আবুল হায়াতের ভবনে বসবাসরত ফারহান ফাইয়াজ নামের এক তরুণ। এই মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না বর্ষীয়ান অভিনেতা।

বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমকে আবুল হায়াত বলেন, ‘১৮ জুলাই আমি কেঁদেছি। মৃত্যুর খবরে আমার কান্না থামাতে পারছিলাম না। বাচ্চাগুলোর একটার পর একটা মৃত্যুর খবর আসছিল, কিছুতেই কান্না আটকে রাখতে পারিনি। আমি অসুস্থ, এখন বেশির ভাগ সময় বাসায় থাকি, কোথাও বের হই না—আমি তো ভাবতেই পারি না, ছোট ছোট বাচ্চাদের সঙ্গে এমনটা হতে পারে!’

তিনি আরও বলেন, সেই একই সমাধানে তো এল তারা, যেটা বলেছিল সম্ভব না, সেটাই তো তারা এক দিনের ব্যবধানে করল! সুতরাং এটা সেদিনই সম্ভব ছিল, প্রথম দিন না হলে দ্বিতীয় দিনে সম্ভব হতো। এ জন্যই বলি, সময়ের এক ফোঁড় অসময়ের দশ ফোঁড়। অনেক কষ্ট পেয়েছি। আমি আসলে এই কষ্ট প্রকাশ করতে পারব না। আমার চোখ এখনো ছলছল করছে। আমি এমন মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারিনি

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানপন্থী সমাবেশের আশঙ্কা, লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থী মিছিল নিষিদ্ধ করলেন ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কান্না আটকে রাখতে পারিনি: আবুল হায়াত

০৪:৪৩:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪

সারাক্ষণ প্রতিবেদক
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে স্থবির হয়ে গিয়েছিল দেশ। গত সপ্তাহে চলেছে নৈরাজ্য-সহিংসতা। পরিস্থিতি হয়ে পড়েছিল অস্থিতিশীল। এদিকে এই আন্দোলনে প্রাণ হারিয়েছেন অভিনেতা আবুল হায়াতের ভবনে বসবাসরত ফারহান ফাইয়াজ নামের এক তরুণ। এই মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না বর্ষীয়ান অভিনেতা।

বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমকে আবুল হায়াত বলেন, ‘১৮ জুলাই আমি কেঁদেছি। মৃত্যুর খবরে আমার কান্না থামাতে পারছিলাম না। বাচ্চাগুলোর একটার পর একটা মৃত্যুর খবর আসছিল, কিছুতেই কান্না আটকে রাখতে পারিনি। আমি অসুস্থ, এখন বেশির ভাগ সময় বাসায় থাকি, কোথাও বের হই না—আমি তো ভাবতেই পারি না, ছোট ছোট বাচ্চাদের সঙ্গে এমনটা হতে পারে!’

তিনি আরও বলেন, সেই একই সমাধানে তো এল তারা, যেটা বলেছিল সম্ভব না, সেটাই তো তারা এক দিনের ব্যবধানে করল! সুতরাং এটা সেদিনই সম্ভব ছিল, প্রথম দিন না হলে দ্বিতীয় দিনে সম্ভব হতো। এ জন্যই বলি, সময়ের এক ফোঁড় অসময়ের দশ ফোঁড়। অনেক কষ্ট পেয়েছি। আমি আসলে এই কষ্ট প্রকাশ করতে পারব না। আমার চোখ এখনো ছলছল করছে। আমি এমন মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারিনি