০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬
এশীয় রান্নাঘরের আট অপরিহার্য সস, স্বাদের গভীরে ইতিহাসের ছোঁয়া উচ্চ অ্যাপার্টমেন্টের গল্প ভবিষ্যতের হাঁটু সুরক্ষায় আজই প্রস্তুতি নিন, ছোট অভ্যাসেই বড় স্বস্তির পথ বীজের তেল নিয়ে ভয় কতটা সত্য, কতটা ভুল: বিজ্ঞান কী বলছে ডিজনির ইতিহাসে নতুন মাইলফলক অ্যানিমেশন দুনিয়ায় রেকর্ড গড়ল জুটোপিয়া টু চীনের কারখানায় ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত, আট মাসের মন্দা ভেঙে ডিসেম্বরে উৎপাদন বাড়ল তাইওয়ান ঘিরে চীনের সামরিক মহড়া, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দৃঢ় অবস্থানের বার্তা ধান রপ্তানিতে ভারতের আধিপত্য, নীরবে গভীর হচ্ছে পানির সংকট সিগারেটে নতুন করের ধাক্কা, ধসে ভারতের তামাক শেয়ার বাজার মার্কিন শ্রমবাজারে বছরের শেষে স্বস্তির ইঙ্গিত, তবে অনিশ্চয়তা কাটেনি

কান্না আটকে রাখতে পারিনি: আবুল হায়াত

  • Sarakhon Report
  • ০৪:৪৩:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪
  • 84

সারাক্ষণ প্রতিবেদক
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে স্থবির হয়ে গিয়েছিল দেশ। গত সপ্তাহে চলেছে নৈরাজ্য-সহিংসতা। পরিস্থিতি হয়ে পড়েছিল অস্থিতিশীল। এদিকে এই আন্দোলনে প্রাণ হারিয়েছেন অভিনেতা আবুল হায়াতের ভবনে বসবাসরত ফারহান ফাইয়াজ নামের এক তরুণ। এই মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না বর্ষীয়ান অভিনেতা।

বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমকে আবুল হায়াত বলেন, ‘১৮ জুলাই আমি কেঁদেছি। মৃত্যুর খবরে আমার কান্না থামাতে পারছিলাম না। বাচ্চাগুলোর একটার পর একটা মৃত্যুর খবর আসছিল, কিছুতেই কান্না আটকে রাখতে পারিনি। আমি অসুস্থ, এখন বেশির ভাগ সময় বাসায় থাকি, কোথাও বের হই না—আমি তো ভাবতেই পারি না, ছোট ছোট বাচ্চাদের সঙ্গে এমনটা হতে পারে!’

তিনি আরও বলেন, সেই একই সমাধানে তো এল তারা, যেটা বলেছিল সম্ভব না, সেটাই তো তারা এক দিনের ব্যবধানে করল! সুতরাং এটা সেদিনই সম্ভব ছিল, প্রথম দিন না হলে দ্বিতীয় দিনে সম্ভব হতো। এ জন্যই বলি, সময়ের এক ফোঁড় অসময়ের দশ ফোঁড়। অনেক কষ্ট পেয়েছি। আমি আসলে এই কষ্ট প্রকাশ করতে পারব না। আমার চোখ এখনো ছলছল করছে। আমি এমন মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারিনি

জনপ্রিয় সংবাদ

এশীয় রান্নাঘরের আট অপরিহার্য সস, স্বাদের গভীরে ইতিহাসের ছোঁয়া

কান্না আটকে রাখতে পারিনি: আবুল হায়াত

০৪:৪৩:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪

সারাক্ষণ প্রতিবেদক
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে স্থবির হয়ে গিয়েছিল দেশ। গত সপ্তাহে চলেছে নৈরাজ্য-সহিংসতা। পরিস্থিতি হয়ে পড়েছিল অস্থিতিশীল। এদিকে এই আন্দোলনে প্রাণ হারিয়েছেন অভিনেতা আবুল হায়াতের ভবনে বসবাসরত ফারহান ফাইয়াজ নামের এক তরুণ। এই মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না বর্ষীয়ান অভিনেতা।

বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমকে আবুল হায়াত বলেন, ‘১৮ জুলাই আমি কেঁদেছি। মৃত্যুর খবরে আমার কান্না থামাতে পারছিলাম না। বাচ্চাগুলোর একটার পর একটা মৃত্যুর খবর আসছিল, কিছুতেই কান্না আটকে রাখতে পারিনি। আমি অসুস্থ, এখন বেশির ভাগ সময় বাসায় থাকি, কোথাও বের হই না—আমি তো ভাবতেই পারি না, ছোট ছোট বাচ্চাদের সঙ্গে এমনটা হতে পারে!’

তিনি আরও বলেন, সেই একই সমাধানে তো এল তারা, যেটা বলেছিল সম্ভব না, সেটাই তো তারা এক দিনের ব্যবধানে করল! সুতরাং এটা সেদিনই সম্ভব ছিল, প্রথম দিন না হলে দ্বিতীয় দিনে সম্ভব হতো। এ জন্যই বলি, সময়ের এক ফোঁড় অসময়ের দশ ফোঁড়। অনেক কষ্ট পেয়েছি। আমি আসলে এই কষ্ট প্রকাশ করতে পারব না। আমার চোখ এখনো ছলছল করছে। আমি এমন মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারিনি