০১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি, তবে প্রকাশ্যে নীরবতা কেন পারস্য উপসাগরে মার্কিন ও ইসরায়েলি ব্যাংককে লক্ষ্য করার হুমকি, অফিস বন্ধ করল বড় আন্তর্জাতিক ব্যাংক ট্রাম্পের দাবি—১১ দিনের যুদ্ধেই ইরানের শক্তি প্রায় ধ্বংস জ্বালানি বাজারে চাপ কমাতে মজুত তেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত হরমুজ প্রণালির কাছে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা, উত্তেজনা বাড়ছে উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানে মৃতের সংখ্যা নিয়ে ধোঁয়াশা, জাতিসংঘে দাবি ১,৩৪৮ বেসামরিক নিহত যুদ্ধের আশঙ্কায় তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়াল পারস্য উপসাগরের কয়েক দেশে ইরানের হামলা , তেহরানে ড্রোন আক্রমণে আতঙ্ক লেবাননে একের পর এক ইসরায়েলি হামলা, নিহত অন্তত ৭ মুরগির দাম বেড়ে বাজারে উত্তাপ, সেমাই–চিনির দোকানে ক্রেতার ভিড়

লুডো থেকে জেঙ্গা: কীভাবে বোর্ড গেম পরিবারগুলোকে এক করে

  • Sarakhon Report
  • ০৮:০০:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ অক্টোবর ২০২৪
  • 111

রামিসা আনজুম

মজার ব্যাপার হলো, ছোট ছোট কিছু জিনিসই আমাদের শৈশবে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। আমার জন্য, সেটা বোর্ডে পাশা ফেলার শব্দ বা জেঙ্গায় ব্লকগুলো ঠিকঠাক করে রাখার উত্তেজনা। ঢাকায় বড় হওয়ার সময়, শুক্রবারগুলোতে—যখন স্কুল থাকত না—আমার সবচেয়ে প্রিয় কাজ ছিল আমার বাবা-মায়ের সাথে গেম খেলা, বিশেষ করে আব্বুর সাথে। আব্বু সেই কড়া ধাঁচের বাবা ছিলেন না, যাদের কথা শুনে শুনে বড় হয়েছি। তিনি বরং আমাকে আর আম্মুকে নিয়ে সময় কাটাতে ভালোবাসতেন। আমরা কখনো লুডো খেলতাম, কখনো জেঙ্গা দিয়ে টাওয়ার বানাতাম, বা আমার কম্পিউটারে নতুন কোনো গেম চালানোর চেষ্টা করতাম। এসব মুহূর্ত ছিল হাসি, প্রতিযোগিতা, আর সত্যি বলতে গেলে, কিছুটা ঠাট্টা-তামাশায় ভরা।

লুডো নিয়ে আরও কিছু কথা

ছোটবেলায় লুডো আর জেঙ্গার মতো গেমগুলো শুধু জেতার জন্য ছিল না। এগুলো ছিল একসাথে সময় কাটানোর, হেসে ওঠার, আর হ্যাঁ, মাঝে মাঝে একটু বাড়াবাড়ি করে গর্ব করার (জিতলে কে না গর্ব করে, বলুন তো?)। আমরা প্রায়ই শুক্রবার সন্ধ্যায় জেঙ্গা সেট বের করতাম। টাওয়ার যত বড় হতো, সেটা আরও নড়বড়ে হয়ে উঠত, আর উত্তেজনা তত বাড়ত। আব্বু মজার ছলে প্রায়ই এমন ভাব করতেন যেন তিনি ইচ্ছা করে টাওয়ারটা ফেলে দেবেন, শুধু আমাকে চিৎকার করতে দেখার জন্য। এখনো ভাবলে হাসি পায়।

কিছু বছর পরে, আমি যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলাম, তখনও আব্বুর সাথে সেই স্পেশাল সংযোগ ধরে রাখার চেষ্টা করতাম। যতই জীবনের চাপে ব্যস্ত হয়ে পড়ি না কেন, আমাদের জন্য গেম খেলা একটা বড় ব্যাপারই ছিল। তখন এল লুডো স্টার—আমাদের প্রিয় বোর্ড গেমের অনলাইন ভার্সন। প্রথমে এটি ডাউনলোড করেছিলাম এক কঠিন দিনে, যখন বিশাল ট্র্যাফিক জ্যামে আটকা পড়েছিলাম। তারপর থেকে এটা আমাদের নতুন সংযোগের একটা মাধ্যম হয়ে গেল। ক্লাসে যাওয়ার পথে হঠাৎ করে একটা নোটিফিকেশন আসত: “আব্বু তোমাকে গেমে চ্যালেঞ্জ করেছে।” মজার ব্যাপার? আব্বু এ নিয়ে বেশ সিরিয়াস হয়ে যেতেন। ফেসবুকে মেসেজ করে বলতেন, “আমি এই রাউন্ডে জিতব,” আর বেশিরভাগ সময় ঠিকই জিততেন। ট্র্যাফিকের মধ্যে বসে স্ট্র্যাটেজি ঠিক করা সহজ ছিল না, বিশেষ করে যখন ফোন সামলাতে হতো আর আশেপাশের বিশৃঙ্খলাও। কিন্তু সেই মেসেজ, আমাদের শেষ না হওয়া ম্যাচগুলো সব সময় আমাকে মনে করিয়ে দিত, কিভাবে এই গেমগুলো আমাদের জন্য একসাথে থাকার একটা মাধ্যম ছিল, সময় যতই পাল্টে যাক না কেন।

লোডশেডিংয়ের সময় গেম খেলা (আমাদের রক্ষাকর্তা)

২০০০-এর দশকের শুরুতে ঢাকায় লোডশেডিং ছিল নিত্যসঙ্গী—যে কোনো সময় বিদ্যুৎ চলে যেতে পারত। কিন্তু সেই দীর্ঘ গরমের সন্ধ্যাগুলোতে, যখন আলো চলে যেত, তখন গেমগুলো শুধু বিনোদনের জন্য ছিল না—এগুলো ছিল আমাদের সময় পার করার একমাত্র উপায়। যখন বিদ্যুৎ চলে যেত, আর পুরো বাড়ি অন্ধকারে ডুবে যেত, তখন আব্বু মোমবাতি জ্বালাতেন, বা রিচার্জেবল লাইট বের করতেন, আর আমরা লুডো বোর্ড বা জেঙ্গা সেট নিয়ে বসতাম। এটা শুধু সময় কাটানোর ব্যাপার ছিল না, বরং সরলতার মধ্যে আনন্দ খোঁজার ব্যাপার ছিল। সেই মোমবাতির আলোয় বসে থাকা মুহূর্তগুলো আমাদের সেরা পারিবারিক স্মৃতিগুলোর একটি হয়ে উঠেছিল—হাসি, ঠাট্টা-তামাশা, আর মাঝেমধ্যে কেউ হারলে হতাশাও ছিল।

পারিবারিক গেম: একটা পরামর্শ!

লুডো আর জেঙ্গার বাইরে, আমাদের পারিবারিক গেম রাতগুলোতে কিছু ক্লাসিক গেম ছিল। এখানে পাঁচটি বোর্ড গেমের কথা বলছি, যা সবাই খেলতে পছন্দ করবে বা আপনার পরবর্তী পারিবারিক সময়ের জন্য উপযুক্ত হতে পারে:

  1. লুডো: পরিবারে সবচেয়ে প্রিয় গেম, কখনো পুরনো হয় না, যতবারই কেউ বোর্ডে গোপনে কয়েক ধাপ এগিয়ে যাক না কেন।
  2. জেঙ্গা: স্থির হাত আর সাহসের চূড়ান্ত পরীক্ষা—মজার এবং অনেক হাসির কারণ হতে পারে।
  3. মনোপলি: আমাদের দীর্ঘ গেম রাতের জন্য পছন্দের গেম, যদিও প্রায়ই এটি কাউকে হারানো সম্পত্তির জন্য হতাশ করে তুলত।
  4. স্ক্র্যাবল: মজার প্রতিযোগিতা—দেখা যেত কে সবচেয়ে চমৎকার শব্দ বানাতে পারে। তবে মাঝে মাঝে নিয়মগুলো একটু এদিক-ওদিক করতাম, যখন শব্দগুলো বেশি কঠিন হয়ে যেত।
  5. ক্যারাম: এই টেবিলটপ গেমটি প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই ছিল। আজও, আমার আঙুলগুলো সেই চাপ থেকে পুরোপুরি সেরে ওঠেনি, মনে হয়!
  6. উনো: সেই কার্ড গেম, যা হাসি আর হতাশায় ডুবে যেত, বিশেষ করে যখন কেউ হঠাৎ রিভার্স বা স্কিপ কার্ড ফেলে দিত।

একটা স্থায়ী সংযোগ

পেছনে তাকালে মনে হয়, একটা সাধারণ বোর্ড গেম কেমন করে এত অর্থপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। গেমগুলো বদলেছে, প্রযুক্তিও আরও উন্নত হয়েছে, কিন্তু মূল ব্যাপারটা থেকে গেছে একই—একসাথে সময় কাটানো, হাসি, আর মাঝে মাঝে ঠাট্টা করা রাগ, যখন কেউ (হ্যাঁ, আব্বু আর আম্মু!) লুডোতে কয়েক ধাপ চুপিচুপি এগিয়ে যেত। এটা কখনোই জেতা বা হারার জন্য ছিল না; এটা ছিল আমাদের প্রিয় কিছু ধরে রাখার জন্য—একসাথে সময় কাটানোর জন্য।

 

রামিসা আনজুম একজন প্রথম বর্ষের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, যিনি সিনেমা, সিরিজ এবং সব ধরনের বিনোদন ভালোবাসেন

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি, তবে প্রকাশ্যে নীরবতা কেন

লুডো থেকে জেঙ্গা: কীভাবে বোর্ড গেম পরিবারগুলোকে এক করে

০৮:০০:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ অক্টোবর ২০২৪

রামিসা আনজুম

মজার ব্যাপার হলো, ছোট ছোট কিছু জিনিসই আমাদের শৈশবে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। আমার জন্য, সেটা বোর্ডে পাশা ফেলার শব্দ বা জেঙ্গায় ব্লকগুলো ঠিকঠাক করে রাখার উত্তেজনা। ঢাকায় বড় হওয়ার সময়, শুক্রবারগুলোতে—যখন স্কুল থাকত না—আমার সবচেয়ে প্রিয় কাজ ছিল আমার বাবা-মায়ের সাথে গেম খেলা, বিশেষ করে আব্বুর সাথে। আব্বু সেই কড়া ধাঁচের বাবা ছিলেন না, যাদের কথা শুনে শুনে বড় হয়েছি। তিনি বরং আমাকে আর আম্মুকে নিয়ে সময় কাটাতে ভালোবাসতেন। আমরা কখনো লুডো খেলতাম, কখনো জেঙ্গা দিয়ে টাওয়ার বানাতাম, বা আমার কম্পিউটারে নতুন কোনো গেম চালানোর চেষ্টা করতাম। এসব মুহূর্ত ছিল হাসি, প্রতিযোগিতা, আর সত্যি বলতে গেলে, কিছুটা ঠাট্টা-তামাশায় ভরা।

লুডো নিয়ে আরও কিছু কথা

ছোটবেলায় লুডো আর জেঙ্গার মতো গেমগুলো শুধু জেতার জন্য ছিল না। এগুলো ছিল একসাথে সময় কাটানোর, হেসে ওঠার, আর হ্যাঁ, মাঝে মাঝে একটু বাড়াবাড়ি করে গর্ব করার (জিতলে কে না গর্ব করে, বলুন তো?)। আমরা প্রায়ই শুক্রবার সন্ধ্যায় জেঙ্গা সেট বের করতাম। টাওয়ার যত বড় হতো, সেটা আরও নড়বড়ে হয়ে উঠত, আর উত্তেজনা তত বাড়ত। আব্বু মজার ছলে প্রায়ই এমন ভাব করতেন যেন তিনি ইচ্ছা করে টাওয়ারটা ফেলে দেবেন, শুধু আমাকে চিৎকার করতে দেখার জন্য। এখনো ভাবলে হাসি পায়।

কিছু বছর পরে, আমি যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলাম, তখনও আব্বুর সাথে সেই স্পেশাল সংযোগ ধরে রাখার চেষ্টা করতাম। যতই জীবনের চাপে ব্যস্ত হয়ে পড়ি না কেন, আমাদের জন্য গেম খেলা একটা বড় ব্যাপারই ছিল। তখন এল লুডো স্টার—আমাদের প্রিয় বোর্ড গেমের অনলাইন ভার্সন। প্রথমে এটি ডাউনলোড করেছিলাম এক কঠিন দিনে, যখন বিশাল ট্র্যাফিক জ্যামে আটকা পড়েছিলাম। তারপর থেকে এটা আমাদের নতুন সংযোগের একটা মাধ্যম হয়ে গেল। ক্লাসে যাওয়ার পথে হঠাৎ করে একটা নোটিফিকেশন আসত: “আব্বু তোমাকে গেমে চ্যালেঞ্জ করেছে।” মজার ব্যাপার? আব্বু এ নিয়ে বেশ সিরিয়াস হয়ে যেতেন। ফেসবুকে মেসেজ করে বলতেন, “আমি এই রাউন্ডে জিতব,” আর বেশিরভাগ সময় ঠিকই জিততেন। ট্র্যাফিকের মধ্যে বসে স্ট্র্যাটেজি ঠিক করা সহজ ছিল না, বিশেষ করে যখন ফোন সামলাতে হতো আর আশেপাশের বিশৃঙ্খলাও। কিন্তু সেই মেসেজ, আমাদের শেষ না হওয়া ম্যাচগুলো সব সময় আমাকে মনে করিয়ে দিত, কিভাবে এই গেমগুলো আমাদের জন্য একসাথে থাকার একটা মাধ্যম ছিল, সময় যতই পাল্টে যাক না কেন।

লোডশেডিংয়ের সময় গেম খেলা (আমাদের রক্ষাকর্তা)

২০০০-এর দশকের শুরুতে ঢাকায় লোডশেডিং ছিল নিত্যসঙ্গী—যে কোনো সময় বিদ্যুৎ চলে যেতে পারত। কিন্তু সেই দীর্ঘ গরমের সন্ধ্যাগুলোতে, যখন আলো চলে যেত, তখন গেমগুলো শুধু বিনোদনের জন্য ছিল না—এগুলো ছিল আমাদের সময় পার করার একমাত্র উপায়। যখন বিদ্যুৎ চলে যেত, আর পুরো বাড়ি অন্ধকারে ডুবে যেত, তখন আব্বু মোমবাতি জ্বালাতেন, বা রিচার্জেবল লাইট বের করতেন, আর আমরা লুডো বোর্ড বা জেঙ্গা সেট নিয়ে বসতাম। এটা শুধু সময় কাটানোর ব্যাপার ছিল না, বরং সরলতার মধ্যে আনন্দ খোঁজার ব্যাপার ছিল। সেই মোমবাতির আলোয় বসে থাকা মুহূর্তগুলো আমাদের সেরা পারিবারিক স্মৃতিগুলোর একটি হয়ে উঠেছিল—হাসি, ঠাট্টা-তামাশা, আর মাঝেমধ্যে কেউ হারলে হতাশাও ছিল।

পারিবারিক গেম: একটা পরামর্শ!

লুডো আর জেঙ্গার বাইরে, আমাদের পারিবারিক গেম রাতগুলোতে কিছু ক্লাসিক গেম ছিল। এখানে পাঁচটি বোর্ড গেমের কথা বলছি, যা সবাই খেলতে পছন্দ করবে বা আপনার পরবর্তী পারিবারিক সময়ের জন্য উপযুক্ত হতে পারে:

  1. লুডো: পরিবারে সবচেয়ে প্রিয় গেম, কখনো পুরনো হয় না, যতবারই কেউ বোর্ডে গোপনে কয়েক ধাপ এগিয়ে যাক না কেন।
  2. জেঙ্গা: স্থির হাত আর সাহসের চূড়ান্ত পরীক্ষা—মজার এবং অনেক হাসির কারণ হতে পারে।
  3. মনোপলি: আমাদের দীর্ঘ গেম রাতের জন্য পছন্দের গেম, যদিও প্রায়ই এটি কাউকে হারানো সম্পত্তির জন্য হতাশ করে তুলত।
  4. স্ক্র্যাবল: মজার প্রতিযোগিতা—দেখা যেত কে সবচেয়ে চমৎকার শব্দ বানাতে পারে। তবে মাঝে মাঝে নিয়মগুলো একটু এদিক-ওদিক করতাম, যখন শব্দগুলো বেশি কঠিন হয়ে যেত।
  5. ক্যারাম: এই টেবিলটপ গেমটি প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই ছিল। আজও, আমার আঙুলগুলো সেই চাপ থেকে পুরোপুরি সেরে ওঠেনি, মনে হয়!
  6. উনো: সেই কার্ড গেম, যা হাসি আর হতাশায় ডুবে যেত, বিশেষ করে যখন কেউ হঠাৎ রিভার্স বা স্কিপ কার্ড ফেলে দিত।

একটা স্থায়ী সংযোগ

পেছনে তাকালে মনে হয়, একটা সাধারণ বোর্ড গেম কেমন করে এত অর্থপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। গেমগুলো বদলেছে, প্রযুক্তিও আরও উন্নত হয়েছে, কিন্তু মূল ব্যাপারটা থেকে গেছে একই—একসাথে সময় কাটানো, হাসি, আর মাঝে মাঝে ঠাট্টা করা রাগ, যখন কেউ (হ্যাঁ, আব্বু আর আম্মু!) লুডোতে কয়েক ধাপ চুপিচুপি এগিয়ে যেত। এটা কখনোই জেতা বা হারার জন্য ছিল না; এটা ছিল আমাদের প্রিয় কিছু ধরে রাখার জন্য—একসাথে সময় কাটানোর জন্য।

 

রামিসা আনজুম একজন প্রথম বর্ষের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, যিনি সিনেমা, সিরিজ এবং সব ধরনের বিনোদন ভালোবাসেন