০৩:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা: শান্তির আশা নাকি নতুন অনিশ্চয়তার সূচনা? বিশ্বকাপের উন্মাদনায় এক হচ্ছে বিশ্ব, ফুটবলের ভাষায় গড়ে উঠছে সম্মান ও সহমর্মিতা সৃজনশীলতা চাই, কিন্তু কতটা সহনশীল আমরা? সিঙ্গাপুরে শিল্পচর্চা নিয়ে নতুন বিতর্ক জাপানের নগর উন্নয়ন প্রকল্পে বড় ধাক্কা, ব্যয় বৃদ্ধি ও শ্রমিক সংকটে থমকে যাচ্ছে একের পর এক পরিকল্পনা এশিয়াজুড়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ, ছয় আঞ্চলিক সংস্থার চুক্তি ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি চুক্তি: স্বস্তির বার্তা পেলেও বেশি সুবিধায় থাকতে পারে ইরান সিঙ্গাপুরে চাকরির বাজারে চাপ বাড়ছে, ছাঁটাই সর্বোচ্চ পর্যায়ে; ডিগ্রিধারীদের উদ্বেগ বেশি ভারতে ডিজেল ও বিমান জ্বালানি রপ্তানিতে বাড়ল অতিরিক্ত কর, অপরিবর্তিত পেট্রোল ‘আংটি আছে তো আসুন, না থাকলে একাই আসুন’—টেলর-ট্রাভিসের বিয়ের নিয়মে চাঞ্চল্য ঘুমের সমস্যায় স্বস্তি দিচ্ছে ভারী কম্বল, বাড়ছে জনপ্রিয়তা

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২৮)

  • Sarakhon Report
  • ০৫:৩৮:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর ২০২৪
  • 100

. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

মায়াদের মধ্যে কিছু মানুষ এখনো বিশ্বাস করেন যে তাঁদের বহু আগের পূর্বপুরুষরা আজ থেকে প্রায় কুড়ি হাজার বছর আগে বেরিং প্রণালী অতিক্রম করে এসেছিল। এরা ছিল প্রধানত যাযাবর শ্রেণির এবং শিকারী।মেক্সিকোতে মায়াদের জনবসতি গড়ার চিহ্ন এখনো বোঝা যায়। এই সময়টা আনুমানিক ৫০০০-১৫০০ খ্রিস্টপূর্ব। এই সময়ের প্রধান জীবিকা ছিল মৃৎপাত্র তৈরি, শস্যর চাষ এবং পাথরের নানা ধরনের যন্ত্রাংশ তৈরি।

তবে এসব আদি প্রাক্- মায়া জনসমাজের কথা বাদ দিয়ে মূল এবং প্রমাণিত প্রাক্-ক্লাসিক মায়া-সভ্যতার সূচনা হয়েছিল খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ শতকে।এই সময়েই মনে করা হয় ওলমেকরা উপসাগরীয় তীরে বাসা বেঁধেছিল। ঐ সময়কার ওলমেক জনগোষ্ঠী এবং তাদের জীবনযাত্রা সম্পর্কে বিশেষ কিছু জানা যায় না।অন্য দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যায় মায়ারা মেসোআমেরিকান সংস্কৃতির অনেক কিছু আয়ত্ত করেছিল। কিছু কিছু ক্ষেত্রে আরো উন্নত রূপ দিয়েছিল। বিশেষ করে বর্ষপঞ্জী তৈরি করা এবং প্রস্তরলিপি লিখন পদ্ধতিতে বিশেষ পারদর্শিতা দেখিয়েছিল।

তবে মায়াদের প্রাক্-পুরুষ ওলমেক ছিল কিনা এ সম্পর্কে নৃতত্ত্ববিদ এবং পুরাতত্ত্ববিদগণ কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেননি। তবে একথা মোটামুটিভাবে বলা যায় মায়ারা ক্যালেন্ডার এবং প্রস্তর লিপির মধ্যে ওলমেকদের প্রভাব আছে। তবে মায়াদের প্রথম অনুপ্রবেশ সম্পর্কে বলা হয় মায়ারা প্রথমে পশ্চিমদিক থেকে ইউকাতান অঞ্চলে প্রবেশ করেছিল।

এছাড়া সূর্যদেবতা ইতজামনা (Itzamna) বীরের মত পূর্বদিক থেকে সমুদ্রের থেকে প্রবেশ করেছিলেন। দ্বিতীয় পরিয়ান ঘটেছিল যাকে কার্যত ঐতিহাসিক বলা যায়। এক্ষেত্রে বীর প্রবেশকারী হলেন কুকুক্লান (Kukuclan)। পুরোহিত এবং শিক্ষক ছিলেন এই মায়া জনজাতির বীরপুরুষ। কুকুক্লানকে মায়া-সভ্যতার প্রতিষ্ঠাতাও বলা হয়ে থাকে। ২য় খ্রিস্টশতকে তার রাজত্ব শুরু হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়।

(চলবে)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২৭)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২৭)

 

 

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা: শান্তির আশা নাকি নতুন অনিশ্চয়তার সূচনা?

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২৮)

০৫:৩৮:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর ২০২৪

. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

মায়াদের মধ্যে কিছু মানুষ এখনো বিশ্বাস করেন যে তাঁদের বহু আগের পূর্বপুরুষরা আজ থেকে প্রায় কুড়ি হাজার বছর আগে বেরিং প্রণালী অতিক্রম করে এসেছিল। এরা ছিল প্রধানত যাযাবর শ্রেণির এবং শিকারী।মেক্সিকোতে মায়াদের জনবসতি গড়ার চিহ্ন এখনো বোঝা যায়। এই সময়টা আনুমানিক ৫০০০-১৫০০ খ্রিস্টপূর্ব। এই সময়ের প্রধান জীবিকা ছিল মৃৎপাত্র তৈরি, শস্যর চাষ এবং পাথরের নানা ধরনের যন্ত্রাংশ তৈরি।

তবে এসব আদি প্রাক্- মায়া জনসমাজের কথা বাদ দিয়ে মূল এবং প্রমাণিত প্রাক্-ক্লাসিক মায়া-সভ্যতার সূচনা হয়েছিল খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ শতকে।এই সময়েই মনে করা হয় ওলমেকরা উপসাগরীয় তীরে বাসা বেঁধেছিল। ঐ সময়কার ওলমেক জনগোষ্ঠী এবং তাদের জীবনযাত্রা সম্পর্কে বিশেষ কিছু জানা যায় না।অন্য দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যায় মায়ারা মেসোআমেরিকান সংস্কৃতির অনেক কিছু আয়ত্ত করেছিল। কিছু কিছু ক্ষেত্রে আরো উন্নত রূপ দিয়েছিল। বিশেষ করে বর্ষপঞ্জী তৈরি করা এবং প্রস্তরলিপি লিখন পদ্ধতিতে বিশেষ পারদর্শিতা দেখিয়েছিল।

তবে মায়াদের প্রাক্-পুরুষ ওলমেক ছিল কিনা এ সম্পর্কে নৃতত্ত্ববিদ এবং পুরাতত্ত্ববিদগণ কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেননি। তবে একথা মোটামুটিভাবে বলা যায় মায়ারা ক্যালেন্ডার এবং প্রস্তর লিপির মধ্যে ওলমেকদের প্রভাব আছে। তবে মায়াদের প্রথম অনুপ্রবেশ সম্পর্কে বলা হয় মায়ারা প্রথমে পশ্চিমদিক থেকে ইউকাতান অঞ্চলে প্রবেশ করেছিল।

এছাড়া সূর্যদেবতা ইতজামনা (Itzamna) বীরের মত পূর্বদিক থেকে সমুদ্রের থেকে প্রবেশ করেছিলেন। দ্বিতীয় পরিয়ান ঘটেছিল যাকে কার্যত ঐতিহাসিক বলা যায়। এক্ষেত্রে বীর প্রবেশকারী হলেন কুকুক্লান (Kukuclan)। পুরোহিত এবং শিক্ষক ছিলেন এই মায়া জনজাতির বীরপুরুষ। কুকুক্লানকে মায়া-সভ্যতার প্রতিষ্ঠাতাও বলা হয়ে থাকে। ২য় খ্রিস্টশতকে তার রাজত্ব শুরু হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়।

(চলবে)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২৭)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২৭)