১১:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
ওবায়দুল কাদেরকে জেনারেল সেক্রেটারি করাই ছিলো আওয়ামী লীগের অন্যতম বড় ভুল শাকের পাতায় লুকিয়ে থাকা প্রোটিন, খাদ্য জগতে নতুন সম্ভাবনার নাম রুবিসকো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে আগেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে বাংলাদেশ ঠাকুরগাঁওয়ে ট্রাক্টরের ধাক্কায় সাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফেরার পথে নবম শ্রেণির ছাত্রীর মৃত্যু বেলফাস্টে অভিবাসীবিরোধী হামলায় আতঙ্ক, ঘরবন্দি ৩ হাজারের বেশি বাংলাদেশি ‘ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে ব্যাপক বন উজাড় হয়েছে’, মন্তব্য প্রতিমন্ত্রী টুকুর ওনাকে কিনে নিচ্ছে ওপেনএআই, এআই বাজারে নতুন সংযোজন ঢাকায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রান৪আর্থ ম্যারাথন, জলবায়ু সচেতনতার বার্তা ইনভিক্টাস গেমসের মাধ্যমে নতুন জীবন পাচ্ছেন আহত সেনারা: প্রিন্স হ্যারির স্বপ্ন আরও বড় অলিম্পিক সোনা জয়ের পরও আলোচনায় অ্যালিসা লিউ, আনন্দেই খুঁজে পেলেন সাফল্যের নতুন অর্থ

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৭)

  • Sarakhon Report
  • ০৬:০০:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ নভেম্বর ২০২৪
  • 136

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

মায়ারা সাধারণত ধাতুর তৈরি কোনো যন্ত্র দিয়ে জমি চাষ করত না। সেক্ষেত্রে যতটা সম্ভব হাত এবং নিজস্ব কায়দায় তৈরি যন্ত্র ব্যবহার করতে পছন্দ করত। অনেক সময় হাত দিয়ে চাষ করতে প্রায় সাত বছর সময় লাগত। চাষের এই বিশেষ পদ্ধতি গ্রহণ করার জন্য জমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হত। একসঙ্গে অনেক পরিমাণ ফসল ঘরে তোলাও সম্ভব হত না।

পুরাতাত্ত্বিকদের অভিমত অনুসরণ করে বলা যায় একটি পরিবারের সারা বছরের ফসল তুলতে অনেক বেশি জমির প্রয়োজন হত। একটি হিসেব থেকে জানা যায় প্রতি পাঁচ জনের পরিবারের জন্য কমবেশি সত্তর একর জমির প্রয়োজন হত। পোড়ানো পদ্ধতিতে কৃষিকাজকে মায়া-ভাষায় বলা হত মিলপা (Milpa) এবং মিলগা চাষের কাজে বেশি সংখ্যক কৃষি-শ্রমিকের দরকার হত।

গুয়াতেমালার বিভিন্ন অঞ্চলে আমেরিকান মানুষ এই ধরনের কৃষিকাজ করেন। এবং বছরে প্রায় ১৯০ দিন এই কৃষিকাজ চলে। এছাড়া বছরের প্রায় ১৭০ দিন তারা অন্যান্য পেশায় নিযুক্ত থাকে। এই বাকি ১৭০ দিনের নানাবিধ কাজের মধ্যে আছে শহর বা ছোট নগরাঞ্চলে ছোট ছোট শ্রমের কাজ। নগরে নানা ধরনের মেরামতি, গৃহ সম্প্রসারণ, গৃহ নির্মাণ ইত্যাদি দিন মজুরের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করত গ্রাম থেকে আসা সাধারণ মানুষ।

এই পেশা-জীবিকার বৈচিত্র্য গড়ে উঠত নানা ধরনের হাতের কাজ, চারুকলা, হস্তশিল্প দিয়ে। এছাড়া নগর এবং ছোট শহরাঞ্চলে পুরোহিত সম্প্রদায়ের নানাবিধ কাজে সাহায্য করার জন্য থাকত কৃষি-শ্রমিক সম্প্রদায়ের মানুষ।

(চলবে)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৬)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৬)

জনপ্রিয় সংবাদ

ওবায়দুল কাদেরকে জেনারেল সেক্রেটারি করাই ছিলো আওয়ামী লীগের অন্যতম বড় ভুল

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৭)

০৬:০০:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ নভেম্বর ২০২৪

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

মায়ারা সাধারণত ধাতুর তৈরি কোনো যন্ত্র দিয়ে জমি চাষ করত না। সেক্ষেত্রে যতটা সম্ভব হাত এবং নিজস্ব কায়দায় তৈরি যন্ত্র ব্যবহার করতে পছন্দ করত। অনেক সময় হাত দিয়ে চাষ করতে প্রায় সাত বছর সময় লাগত। চাষের এই বিশেষ পদ্ধতি গ্রহণ করার জন্য জমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হত। একসঙ্গে অনেক পরিমাণ ফসল ঘরে তোলাও সম্ভব হত না।

পুরাতাত্ত্বিকদের অভিমত অনুসরণ করে বলা যায় একটি পরিবারের সারা বছরের ফসল তুলতে অনেক বেশি জমির প্রয়োজন হত। একটি হিসেব থেকে জানা যায় প্রতি পাঁচ জনের পরিবারের জন্য কমবেশি সত্তর একর জমির প্রয়োজন হত। পোড়ানো পদ্ধতিতে কৃষিকাজকে মায়া-ভাষায় বলা হত মিলপা (Milpa) এবং মিলগা চাষের কাজে বেশি সংখ্যক কৃষি-শ্রমিকের দরকার হত।

গুয়াতেমালার বিভিন্ন অঞ্চলে আমেরিকান মানুষ এই ধরনের কৃষিকাজ করেন। এবং বছরে প্রায় ১৯০ দিন এই কৃষিকাজ চলে। এছাড়া বছরের প্রায় ১৭০ দিন তারা অন্যান্য পেশায় নিযুক্ত থাকে। এই বাকি ১৭০ দিনের নানাবিধ কাজের মধ্যে আছে শহর বা ছোট নগরাঞ্চলে ছোট ছোট শ্রমের কাজ। নগরে নানা ধরনের মেরামতি, গৃহ সম্প্রসারণ, গৃহ নির্মাণ ইত্যাদি দিন মজুরের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করত গ্রাম থেকে আসা সাধারণ মানুষ।

এই পেশা-জীবিকার বৈচিত্র্য গড়ে উঠত নানা ধরনের হাতের কাজ, চারুকলা, হস্তশিল্প দিয়ে। এছাড়া নগর এবং ছোট শহরাঞ্চলে পুরোহিত সম্প্রদায়ের নানাবিধ কাজে সাহায্য করার জন্য থাকত কৃষি-শ্রমিক সম্প্রদায়ের মানুষ।

(চলবে)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৬)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৬)