০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
জেসন আরডের বেদনাময় পরিণতি: মেধা, বর্ণ ও অভিজাত একাডেমিয়ার অদৃশ্য দেয়াল এশীয় ক্রিকেট কাউন্সিলে পাকিস্তানের বড় জয়, ভারতকে হারিয়ে তিন পদই দখলে সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে ভারত-চীন বৈঠক, বেইজিং যাচ্ছেন অজিত ডোভাল বিজেপির ‘জেন জি’ প্রচারে কটাক্ষ, ‘ভাইরাস-ককরোচ’ মন্তব্য টেনে নিশানা সৌরভ দাসের ঝিনাইদহে ২০০ শিশুর চিকিৎসায় হিমশিম হাসপাতাল, লোডশেডিংয়ে দুর্ভোগ চরম ঢাকার কূটনৈতিক জোনে নিরাপত্তা জোরদার, দূতাবাসে অর্থ দাবির ই-মেইল ডেঙ্গুতে আরও ৫ মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণহানি বেড়ে ৮২ চুয়াডাঙ্গায় প্রণোদনার ৫৪ বস্তা সার গায়েব, স্বাক্ষর নিয়েও সার পেলেন না কৃষকরা গ্যাস সংকটে ছয় মাসের জন্য কারখানা বন্ধ করল ফু-ওয়াং ফুডস গ্যাসের তীব্র সংকটে রাজধানীতে গাড়ির দীর্ঘ সারি, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় চালকেরা

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৭)

  • Sarakhon Report
  • ০৬:০০:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ নভেম্বর ২০২৪
  • 146

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

মায়ারা সাধারণত ধাতুর তৈরি কোনো যন্ত্র দিয়ে জমি চাষ করত না। সেক্ষেত্রে যতটা সম্ভব হাত এবং নিজস্ব কায়দায় তৈরি যন্ত্র ব্যবহার করতে পছন্দ করত। অনেক সময় হাত দিয়ে চাষ করতে প্রায় সাত বছর সময় লাগত। চাষের এই বিশেষ পদ্ধতি গ্রহণ করার জন্য জমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হত। একসঙ্গে অনেক পরিমাণ ফসল ঘরে তোলাও সম্ভব হত না।

পুরাতাত্ত্বিকদের অভিমত অনুসরণ করে বলা যায় একটি পরিবারের সারা বছরের ফসল তুলতে অনেক বেশি জমির প্রয়োজন হত। একটি হিসেব থেকে জানা যায় প্রতি পাঁচ জনের পরিবারের জন্য কমবেশি সত্তর একর জমির প্রয়োজন হত। পোড়ানো পদ্ধতিতে কৃষিকাজকে মায়া-ভাষায় বলা হত মিলপা (Milpa) এবং মিলগা চাষের কাজে বেশি সংখ্যক কৃষি-শ্রমিকের দরকার হত।

গুয়াতেমালার বিভিন্ন অঞ্চলে আমেরিকান মানুষ এই ধরনের কৃষিকাজ করেন। এবং বছরে প্রায় ১৯০ দিন এই কৃষিকাজ চলে। এছাড়া বছরের প্রায় ১৭০ দিন তারা অন্যান্য পেশায় নিযুক্ত থাকে। এই বাকি ১৭০ দিনের নানাবিধ কাজের মধ্যে আছে শহর বা ছোট নগরাঞ্চলে ছোট ছোট শ্রমের কাজ। নগরে নানা ধরনের মেরামতি, গৃহ সম্প্রসারণ, গৃহ নির্মাণ ইত্যাদি দিন মজুরের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করত গ্রাম থেকে আসা সাধারণ মানুষ।

এই পেশা-জীবিকার বৈচিত্র্য গড়ে উঠত নানা ধরনের হাতের কাজ, চারুকলা, হস্তশিল্প দিয়ে। এছাড়া নগর এবং ছোট শহরাঞ্চলে পুরোহিত সম্প্রদায়ের নানাবিধ কাজে সাহায্য করার জন্য থাকত কৃষি-শ্রমিক সম্প্রদায়ের মানুষ।

(চলবে)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৬)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৬)

জনপ্রিয় সংবাদ

জেসন আরডের বেদনাময় পরিণতি: মেধা, বর্ণ ও অভিজাত একাডেমিয়ার অদৃশ্য দেয়াল

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৭)

০৬:০০:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ নভেম্বর ২০২৪

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

মায়ারা সাধারণত ধাতুর তৈরি কোনো যন্ত্র দিয়ে জমি চাষ করত না। সেক্ষেত্রে যতটা সম্ভব হাত এবং নিজস্ব কায়দায় তৈরি যন্ত্র ব্যবহার করতে পছন্দ করত। অনেক সময় হাত দিয়ে চাষ করতে প্রায় সাত বছর সময় লাগত। চাষের এই বিশেষ পদ্ধতি গ্রহণ করার জন্য জমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হত। একসঙ্গে অনেক পরিমাণ ফসল ঘরে তোলাও সম্ভব হত না।

পুরাতাত্ত্বিকদের অভিমত অনুসরণ করে বলা যায় একটি পরিবারের সারা বছরের ফসল তুলতে অনেক বেশি জমির প্রয়োজন হত। একটি হিসেব থেকে জানা যায় প্রতি পাঁচ জনের পরিবারের জন্য কমবেশি সত্তর একর জমির প্রয়োজন হত। পোড়ানো পদ্ধতিতে কৃষিকাজকে মায়া-ভাষায় বলা হত মিলপা (Milpa) এবং মিলগা চাষের কাজে বেশি সংখ্যক কৃষি-শ্রমিকের দরকার হত।

গুয়াতেমালার বিভিন্ন অঞ্চলে আমেরিকান মানুষ এই ধরনের কৃষিকাজ করেন। এবং বছরে প্রায় ১৯০ দিন এই কৃষিকাজ চলে। এছাড়া বছরের প্রায় ১৭০ দিন তারা অন্যান্য পেশায় নিযুক্ত থাকে। এই বাকি ১৭০ দিনের নানাবিধ কাজের মধ্যে আছে শহর বা ছোট নগরাঞ্চলে ছোট ছোট শ্রমের কাজ। নগরে নানা ধরনের মেরামতি, গৃহ সম্প্রসারণ, গৃহ নির্মাণ ইত্যাদি দিন মজুরের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করত গ্রাম থেকে আসা সাধারণ মানুষ।

এই পেশা-জীবিকার বৈচিত্র্য গড়ে উঠত নানা ধরনের হাতের কাজ, চারুকলা, হস্তশিল্প দিয়ে। এছাড়া নগর এবং ছোট শহরাঞ্চলে পুরোহিত সম্প্রদায়ের নানাবিধ কাজে সাহায্য করার জন্য থাকত কৃষি-শ্রমিক সম্প্রদায়ের মানুষ।

(চলবে)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৬)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৬)