০৪:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
জাপানের জাতীয় নিরাপত্তার পুনর্মূল্যায়ন: কিভাবে টোকিও আরও বিপজ্জনক বিশ্বের সাথে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে ইইউ ঋণ আটকে দিল হাঙ্গেরি, তেল সংকটে ইউক্রেন নিয়ে উত্তেজনা চরমে চীনের ভঙ্গুর ভবিষ্যত: সিপিপি কতটা নিরাপদ? ইউক্রেনকে জরুরি বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করল স্লোভাকিয়া, তেল পাইপলাইন ঘিরে উত্তেজনা আমির হামজার বিরুদ্ধে মোরাল পুলিশিংয়ের অভিযোগ, কী বলছেন কুষ্টিয়ার এই সংসদ সদস্য? চীনা পর্যটক টোকিও ছেড়ে সিউলে ছুটছেন: কূটনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব পানামা খালে হংকং কোম্পানির নিয়ন্ত্রণ শেষ, দুই বন্দরের দায়িত্ব সরকারের হাতে ফ্রান্সে ডানপন্থী বিক্ষোভে উত্তেজনা, ছাত্র ন্যাশনালিস্টের মৃত্যুতে সাড়া ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত, ট্রাম্পের শুল্ক রদে প্রভাব হংকং’য়ে নতুন একাডেমি ও পেটেন্ট মূল্যায়ন সহায়তার মাধ্যমে আইপি অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা হবে

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৯)

  • Sarakhon Report
  • ০৬:০৮:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০২৪
  • 58

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

এই বিশেষ উৎসবের দিনে আজকের মায়ারাও তাঁদের শ্রদ্ধার বেদী বা মিনার তৈরি করে। এই বেদী বা মিনারকে এমনসব জিনিস দিয়ে সাজায় যা পূর্বপুরুষদের কাছে খুব পছন্দের ছিল। এইসব প্রিয় জিনিসের মধ্যে ছিল নানা রকমের খাবার, ফুল এবং অন্যান্য নিত্য ব্যবহার্য দ্রব্য যা মৃতরা তাদের জীবিতকালে খুব ভালবাসত।

এসব লোকাচার, লোক-উৎসব করার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল পূর্বপুরুষদের সন্তুষ্ট করা এবং তাদের আত্মা যে এই স্মরণ অনুষ্ঠানে ফিরে আসে সেই বিষয়টিকে সুনিশ্চিত করা। মৃতদের দিন উৎসবটিকে বর্তমান প্রজন্মের মায়ারা একটি সাংস্কৃতিক উৎসব হিসেবে দেখে এবং এর মধ্য থেকে একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক দায়িত্ববোধের ব্যঞ্জনা গড়ে ওঠে।

উৎসবের আরেকটি দিক উজ্জ্বল হয়ে আছে বর্ষপঞ্জী বা ক্যালেন্ডারের সঙ্গে যুক্ত লোক-অনুষ্ঠানকে ঘিরে। মায়া জনসমাজের বর্ষপঞ্জী বা ক্যালেন্ডার (পূর্ববর্তী অধ্যায়ে আলোচিত) একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই ক্যালেন্ডার তৈরি করার বিশেষ কৌশল ছিল নিজস্ব ঘরনায় সমৃদ্ধ এবং এই ক্ষেত্রে গণিতশাস্ত্র এবং তার চর্চা প্রয়োগ করত। এই বর্ষপঞ্জীর নাম ২৬০ দিনের এক উৎসব।

এই উৎসবে পুরোহিতদের গুরুত্ব খুব বেশি ছিল। পুরোহিত এবং লেখক (Scribes) নিজেদের শাস্ত্র-পাণ্ডিত্য লোক-উৎসবের মধ্যে ব্যবহার করত। এই উৎসব অনুষ্ঠানে সাধারণ মানুষরাও তাদের ক্ষমতা অনুযায়ী অংশগ্রহণ করতে পারত। বর্ষপঞ্জী বা ক্যালেন্ডারের কাজে তারা জ্যোতির্বিদ্যার জ্ঞানও কাজে লাগাত।

(চলবে)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৮)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৮)

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানের জাতীয় নিরাপত্তার পুনর্মূল্যায়ন: কিভাবে টোকিও আরও বিপজ্জনক বিশ্বের সাথে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৯)

০৬:০৮:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০২৪

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

এই বিশেষ উৎসবের দিনে আজকের মায়ারাও তাঁদের শ্রদ্ধার বেদী বা মিনার তৈরি করে। এই বেদী বা মিনারকে এমনসব জিনিস দিয়ে সাজায় যা পূর্বপুরুষদের কাছে খুব পছন্দের ছিল। এইসব প্রিয় জিনিসের মধ্যে ছিল নানা রকমের খাবার, ফুল এবং অন্যান্য নিত্য ব্যবহার্য দ্রব্য যা মৃতরা তাদের জীবিতকালে খুব ভালবাসত।

এসব লোকাচার, লোক-উৎসব করার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল পূর্বপুরুষদের সন্তুষ্ট করা এবং তাদের আত্মা যে এই স্মরণ অনুষ্ঠানে ফিরে আসে সেই বিষয়টিকে সুনিশ্চিত করা। মৃতদের দিন উৎসবটিকে বর্তমান প্রজন্মের মায়ারা একটি সাংস্কৃতিক উৎসব হিসেবে দেখে এবং এর মধ্য থেকে একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক দায়িত্ববোধের ব্যঞ্জনা গড়ে ওঠে।

উৎসবের আরেকটি দিক উজ্জ্বল হয়ে আছে বর্ষপঞ্জী বা ক্যালেন্ডারের সঙ্গে যুক্ত লোক-অনুষ্ঠানকে ঘিরে। মায়া জনসমাজের বর্ষপঞ্জী বা ক্যালেন্ডার (পূর্ববর্তী অধ্যায়ে আলোচিত) একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই ক্যালেন্ডার তৈরি করার বিশেষ কৌশল ছিল নিজস্ব ঘরনায় সমৃদ্ধ এবং এই ক্ষেত্রে গণিতশাস্ত্র এবং তার চর্চা প্রয়োগ করত। এই বর্ষপঞ্জীর নাম ২৬০ দিনের এক উৎসব।

এই উৎসবে পুরোহিতদের গুরুত্ব খুব বেশি ছিল। পুরোহিত এবং লেখক (Scribes) নিজেদের শাস্ত্র-পাণ্ডিত্য লোক-উৎসবের মধ্যে ব্যবহার করত। এই উৎসব অনুষ্ঠানে সাধারণ মানুষরাও তাদের ক্ষমতা অনুযায়ী অংশগ্রহণ করতে পারত। বর্ষপঞ্জী বা ক্যালেন্ডারের কাজে তারা জ্যোতির্বিদ্যার জ্ঞানও কাজে লাগাত।

(চলবে)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৮)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৮)