০২:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা: শান্তির আশা নাকি নতুন অনিশ্চয়তার সূচনা? বিশ্বকাপের উন্মাদনায় এক হচ্ছে বিশ্ব, ফুটবলের ভাষায় গড়ে উঠছে সম্মান ও সহমর্মিতা সৃজনশীলতা চাই, কিন্তু কতটা সহনশীল আমরা? সিঙ্গাপুরে শিল্পচর্চা নিয়ে নতুন বিতর্ক জাপানের নগর উন্নয়ন প্রকল্পে বড় ধাক্কা, ব্যয় বৃদ্ধি ও শ্রমিক সংকটে থমকে যাচ্ছে একের পর এক পরিকল্পনা এশিয়াজুড়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ, ছয় আঞ্চলিক সংস্থার চুক্তি ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি চুক্তি: স্বস্তির বার্তা পেলেও বেশি সুবিধায় থাকতে পারে ইরান সিঙ্গাপুরে চাকরির বাজারে চাপ বাড়ছে, ছাঁটাই সর্বোচ্চ পর্যায়ে; ডিগ্রিধারীদের উদ্বেগ বেশি ভারতে ডিজেল ও বিমান জ্বালানি রপ্তানিতে বাড়ল অতিরিক্ত কর, অপরিবর্তিত পেট্রোল ‘আংটি আছে তো আসুন, না থাকলে একাই আসুন’—টেলর-ট্রাভিসের বিয়ের নিয়মে চাঞ্চল্য ঘুমের সমস্যায় স্বস্তি দিচ্ছে ভারী কম্বল, বাড়ছে জনপ্রিয়তা

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৯)

  • Sarakhon Report
  • ০৬:০৮:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০২৪
  • 93

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

এই বিশেষ উৎসবের দিনে আজকের মায়ারাও তাঁদের শ্রদ্ধার বেদী বা মিনার তৈরি করে। এই বেদী বা মিনারকে এমনসব জিনিস দিয়ে সাজায় যা পূর্বপুরুষদের কাছে খুব পছন্দের ছিল। এইসব প্রিয় জিনিসের মধ্যে ছিল নানা রকমের খাবার, ফুল এবং অন্যান্য নিত্য ব্যবহার্য দ্রব্য যা মৃতরা তাদের জীবিতকালে খুব ভালবাসত।

এসব লোকাচার, লোক-উৎসব করার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল পূর্বপুরুষদের সন্তুষ্ট করা এবং তাদের আত্মা যে এই স্মরণ অনুষ্ঠানে ফিরে আসে সেই বিষয়টিকে সুনিশ্চিত করা। মৃতদের দিন উৎসবটিকে বর্তমান প্রজন্মের মায়ারা একটি সাংস্কৃতিক উৎসব হিসেবে দেখে এবং এর মধ্য থেকে একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক দায়িত্ববোধের ব্যঞ্জনা গড়ে ওঠে।

উৎসবের আরেকটি দিক উজ্জ্বল হয়ে আছে বর্ষপঞ্জী বা ক্যালেন্ডারের সঙ্গে যুক্ত লোক-অনুষ্ঠানকে ঘিরে। মায়া জনসমাজের বর্ষপঞ্জী বা ক্যালেন্ডার (পূর্ববর্তী অধ্যায়ে আলোচিত) একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই ক্যালেন্ডার তৈরি করার বিশেষ কৌশল ছিল নিজস্ব ঘরনায় সমৃদ্ধ এবং এই ক্ষেত্রে গণিতশাস্ত্র এবং তার চর্চা প্রয়োগ করত। এই বর্ষপঞ্জীর নাম ২৬০ দিনের এক উৎসব।

এই উৎসবে পুরোহিতদের গুরুত্ব খুব বেশি ছিল। পুরোহিত এবং লেখক (Scribes) নিজেদের শাস্ত্র-পাণ্ডিত্য লোক-উৎসবের মধ্যে ব্যবহার করত। এই উৎসব অনুষ্ঠানে সাধারণ মানুষরাও তাদের ক্ষমতা অনুযায়ী অংশগ্রহণ করতে পারত। বর্ষপঞ্জী বা ক্যালেন্ডারের কাজে তারা জ্যোতির্বিদ্যার জ্ঞানও কাজে লাগাত।

(চলবে)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৮)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৮)

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা: শান্তির আশা নাকি নতুন অনিশ্চয়তার সূচনা?

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৯)

০৬:০৮:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০২৪

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

এই বিশেষ উৎসবের দিনে আজকের মায়ারাও তাঁদের শ্রদ্ধার বেদী বা মিনার তৈরি করে। এই বেদী বা মিনারকে এমনসব জিনিস দিয়ে সাজায় যা পূর্বপুরুষদের কাছে খুব পছন্দের ছিল। এইসব প্রিয় জিনিসের মধ্যে ছিল নানা রকমের খাবার, ফুল এবং অন্যান্য নিত্য ব্যবহার্য দ্রব্য যা মৃতরা তাদের জীবিতকালে খুব ভালবাসত।

এসব লোকাচার, লোক-উৎসব করার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল পূর্বপুরুষদের সন্তুষ্ট করা এবং তাদের আত্মা যে এই স্মরণ অনুষ্ঠানে ফিরে আসে সেই বিষয়টিকে সুনিশ্চিত করা। মৃতদের দিন উৎসবটিকে বর্তমান প্রজন্মের মায়ারা একটি সাংস্কৃতিক উৎসব হিসেবে দেখে এবং এর মধ্য থেকে একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক দায়িত্ববোধের ব্যঞ্জনা গড়ে ওঠে।

উৎসবের আরেকটি দিক উজ্জ্বল হয়ে আছে বর্ষপঞ্জী বা ক্যালেন্ডারের সঙ্গে যুক্ত লোক-অনুষ্ঠানকে ঘিরে। মায়া জনসমাজের বর্ষপঞ্জী বা ক্যালেন্ডার (পূর্ববর্তী অধ্যায়ে আলোচিত) একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই ক্যালেন্ডার তৈরি করার বিশেষ কৌশল ছিল নিজস্ব ঘরনায় সমৃদ্ধ এবং এই ক্ষেত্রে গণিতশাস্ত্র এবং তার চর্চা প্রয়োগ করত। এই বর্ষপঞ্জীর নাম ২৬০ দিনের এক উৎসব।

এই উৎসবে পুরোহিতদের গুরুত্ব খুব বেশি ছিল। পুরোহিত এবং লেখক (Scribes) নিজেদের শাস্ত্র-পাণ্ডিত্য লোক-উৎসবের মধ্যে ব্যবহার করত। এই উৎসব অনুষ্ঠানে সাধারণ মানুষরাও তাদের ক্ষমতা অনুযায়ী অংশগ্রহণ করতে পারত। বর্ষপঞ্জী বা ক্যালেন্ডারের কাজে তারা জ্যোতির্বিদ্যার জ্ঞানও কাজে লাগাত।

(চলবে)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৮)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৮)