১১:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
আসিয়ান জ্বালানি সংকটে তড়িঘড়ি তেল ভাগাভাগি চুক্তির পথে, হরমুজ ইস্যুতে বাড়ছে উদ্বেগ রেস্তোরাঁ খাত বাঁচাতে কর কমানো ও গ্যাস সংযোগ চালুর দাবি হাওরে ভেজা ধান নিয়ে কৃষকের কান্না, মিলছে না ক্রেতা বা সরকারি সহায়তা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের আসল সংকট সীমান্তে, না অবিশ্বাসে? জ্বালানি সংকটে সংযমের আহ্বান মোদির, আমদানি নির্ভরতা কমাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জোর বিজয়ের উত্থান, কংগ্রেসের সংকট এবং ভারতের বিরোধী রাজনীতির নতুন সমীকরণ জাহানারা ইমাম: এক মায়ের শোক থেকে জাতির বিবেক হয়ে ওঠার গল্প টিকের কামড়ে বাড়ছে ঝুঁকি, যুক্তরাষ্ট্রে ছড়াচ্ছে ছয় বিপজ্জনক রোগ ১৯২৬ সালের ব্রিটিশ সাধারণ ধর্মঘট: শ্রমিকদের হার, না কি শাসকশ্রেণির নৈতিক পরাজয়? মা: ভালোবাসার প্রথম ঠিকানা

সেন্টমার্টিন দ্বীপে ভ্রমণ বিধিনিষেধ প্রত্যাহার হচ্ছে না

  • Sarakhon Report
  • ০৬:৩৭:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 116

নিজস্ব প্রতিনিধি 

সেন্টমার্টিন দ্বীপে ভ্রমণ বিধিনিষেধ প্রত্যাহর হচ্ছে না। পরিবেশ রক্ষায় সেন্টমার্টিন দ্বীপে যাতায়াত ও ভ্রমণে আরোপিত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার চেয়ে দায়ের করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মুবিনা আসাফের হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মাহফুজ বিন ইউসুফ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল একরামুল কবীর।

আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মাহফুজ বিন ইউসুফ। গত ২৮ অক্টোবর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আসমা শাহীন স্বাক্ষরিত এক স্মারকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে অনিয়ন্ত্রিত পর্যটন ও সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিকের দূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের পাঁচটি সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরে ১৮ নভেম্বর মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর ২৮ অক্টোবরের নির্দেশনা প্রত্যাহার চেয়ে একটি আবেদন দেন আবদুল মালেক।

রিট আবেদনে বলা হয়, পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের উপস্থিতিতে সিদ্ধান্ত হয় যে নভেম্বর মাসে পর্যটকরা দিনের বেলা সেন্টমার্টিন যাওয়ার অনুমতি পেলেও রাত্রিযাপন করতে পারবেন না। এ ছাড়া গড়ে প্রতিদিন ২০০০ (দুই হাজার) এর অধিক পর্যটক যাতায়াত করতে পারবেন না এবং কোনো প্রকার আলোকসজ্জাসহ বারবিকিউ পার্টি করতে পারবেন না।

এসব সিদ্ধান্তের ফলে আমার এলাকার (সেন্টমার্টিন) মানুষজনের কর্মসংস্থান অতি সীমিত হয়ে গেছে। অনেকেই বেকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। পর্যটনের মাধ্যমে যেখানে দেশের অর্থনীতি বর্ধিত হওয়ার কথা, সেখানে এসব সিদ্ধান্তের ফলে পর্যটন শিল্পে ধস নামছে। এজন্য জরুরি ভিত্তিতে এ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা জরুরি। এই আবেদনের পরও ব্যবস্থা না নেওয়ায় হাইকোর্টে রিট করেন আব্দুল মালেক।

জনপ্রিয় সংবাদ

আসিয়ান জ্বালানি সংকটে তড়িঘড়ি তেল ভাগাভাগি চুক্তির পথে, হরমুজ ইস্যুতে বাড়ছে উদ্বেগ

সেন্টমার্টিন দ্বীপে ভ্রমণ বিধিনিষেধ প্রত্যাহার হচ্ছে না

০৬:৩৭:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি 

সেন্টমার্টিন দ্বীপে ভ্রমণ বিধিনিষেধ প্রত্যাহর হচ্ছে না। পরিবেশ রক্ষায় সেন্টমার্টিন দ্বীপে যাতায়াত ও ভ্রমণে আরোপিত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার চেয়ে দায়ের করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মুবিনা আসাফের হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মাহফুজ বিন ইউসুফ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল একরামুল কবীর।

আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মাহফুজ বিন ইউসুফ। গত ২৮ অক্টোবর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আসমা শাহীন স্বাক্ষরিত এক স্মারকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে অনিয়ন্ত্রিত পর্যটন ও সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিকের দূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের পাঁচটি সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরে ১৮ নভেম্বর মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর ২৮ অক্টোবরের নির্দেশনা প্রত্যাহার চেয়ে একটি আবেদন দেন আবদুল মালেক।

রিট আবেদনে বলা হয়, পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের উপস্থিতিতে সিদ্ধান্ত হয় যে নভেম্বর মাসে পর্যটকরা দিনের বেলা সেন্টমার্টিন যাওয়ার অনুমতি পেলেও রাত্রিযাপন করতে পারবেন না। এ ছাড়া গড়ে প্রতিদিন ২০০০ (দুই হাজার) এর অধিক পর্যটক যাতায়াত করতে পারবেন না এবং কোনো প্রকার আলোকসজ্জাসহ বারবিকিউ পার্টি করতে পারবেন না।

এসব সিদ্ধান্তের ফলে আমার এলাকার (সেন্টমার্টিন) মানুষজনের কর্মসংস্থান অতি সীমিত হয়ে গেছে। অনেকেই বেকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। পর্যটনের মাধ্যমে যেখানে দেশের অর্থনীতি বর্ধিত হওয়ার কথা, সেখানে এসব সিদ্ধান্তের ফলে পর্যটন শিল্পে ধস নামছে। এজন্য জরুরি ভিত্তিতে এ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা জরুরি। এই আবেদনের পরও ব্যবস্থা না নেওয়ায় হাইকোর্টে রিট করেন আব্দুল মালেক।