০৩:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
সৌদি উপকূলে ট্যাংকারে অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাত, আগুন; নিরাপদে সব নাবিক মোদি-ট্রাম্প বৈঠকে প্রশ্ন না করার অনুরোধ, ‘ভিভিআইপি সফরে এটাই স্বাভাবিক’ বলল ভারত পারান্দুরে দ্বিতীয় চেন্নাই বিমানবন্দর বাতিল, বিজয়ের সিদ্ধান্তে স্ট্যালিনের তীব্র ক্ষোভ দিল্লিতে ভারী বৃষ্টি-ঝড়, ১৫টি ফ্লাইট অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হলো ব্রাজিলে কংগ্রেসের ক্ষমতার দাপট: প্রেসিডেন্টের চেয়েও শক্তিশালী আইনসভা উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত বহাল যুক্তরাষ্ট্রের পানি অবকাঠামোই এখন সাইবার হামলার সহজ লক্ষ্য যত্রতত্র বালু তোলায় ভয়াবহ নদীভাঙন, বিলীন হচ্ছে বসতভিটা-ফসলি জমি ভালো ফলনেও আউশের দামে হতাশ হবিগঞ্জের কৃষক, মণ ৭০০–৮০০ টাকা সুন্দরবনে বনদস্যুদের হানা, ট্রলারসহ ৫ জেলে অপহরণ

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২০)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 95

প্রদীপ কুমার মজুমদার

এ থেকে বোঝা যাচ্ছে এখানে সংখ্যাগুলি হচ্ছে-এক, দশ, শত, সহস্র, অযুত, লক্ষ, প্রযুত, কোটি, অর্বদ, অজ, খর্ব, নিখর্ব, মহাসরোজ, শম্ভু, সরিতাপতি, অন্ত, মধ্য, পরাধ।

মহাবীর প্রথম অধ্যায়ের ৬৩-৬৮ শ্লোকগুলিতে বলেছেন-

একং তু প্রথম স্থানং দ্বিতীয়ং দশসংক্তিকম্।

তৃতীয় শতমিত্যাহুঃ চতুর্থং তু সহস্রকম্।

পঞ্চমং দশসাহস্রং যষ্ঠং স্যাল্পক্ষমেব চ।

সপ্তমং দশলক্ষং তু অষ্টমং কোটিরচ্যতে।

নবমং দশকোট্যস্ত দশমং শতকোটয়ঃ।

অবদং রুদ্রসংযুক্তং ব্যর্ব দং দ্বাদশং ভবেত ।

খর্বং ত্রয়োদশস্থানং মহাখবং চতুর্দশম্।

পদ্মং পঞ্চদশং চৈব মহাপদ্ম তু ষোড়শম্।

ক্ষোণী সপ্তদশং চৈব মহাক্ষোণী দশাষ্টকম্।

শঙ্খং নবদশং স্থানং মহাশঙ্খং তু বিংশকম্।

ক্ষিত্যৈকবিংশতি স্থানং মহাক্ষিত্যা দ্বিবিংশকম্।

ত্রিবিংশকমথ ক্ষোভং মহাক্ষোভং চতুর্ন য়ম্।

এ থেকে আমরা যে সমস্ত সংখ্যার সাক্ষাত পাই তা হচ্ছে-

এক, দশ, শত, সহস্র, দশ সহস্র, লক্ষ, দশ লক্ষ, কোটি, দশকোটি, শত কোটি, অর্বদ, ন্যর্বদ, খর্ব, মহাখর্ব, পদ্ম, মহাপদ্ম, ক্ষণী, মহাক্ষণী, শঙ্খ, মহাশঙ্খ, ক্ষিতি, মহাক্ষিতি, ক্ষোভ, মহাক্ষোভ।

দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য লীলাবতীর দ্বিতীয় অধ্যায়ের ১০-১১ শ্লোকে বলেছেন- “একদশশতসহস্রাযুস্তলক্ষপ্রযুতকোটয়ঃ ক্রমশঃ। অর্বুদমজং খর্বঃ নিখর্বঃ নিখর্বমহাপদ্ম- শঙ্কবস্তস্মাত। জলধিশ্চান্তং মধ্যং পরার্দ্ধমিতি দশগুণ সংজ্ঞা।” এর অর্থ সুস্পষ্ট।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-১৯)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-১৯)

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি উপকূলে ট্যাংকারে অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাত, আগুন; নিরাপদে সব নাবিক

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২০)

১০:০০:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৪

প্রদীপ কুমার মজুমদার

এ থেকে বোঝা যাচ্ছে এখানে সংখ্যাগুলি হচ্ছে-এক, দশ, শত, সহস্র, অযুত, লক্ষ, প্রযুত, কোটি, অর্বদ, অজ, খর্ব, নিখর্ব, মহাসরোজ, শম্ভু, সরিতাপতি, অন্ত, মধ্য, পরাধ।

মহাবীর প্রথম অধ্যায়ের ৬৩-৬৮ শ্লোকগুলিতে বলেছেন-

একং তু প্রথম স্থানং দ্বিতীয়ং দশসংক্তিকম্।

তৃতীয় শতমিত্যাহুঃ চতুর্থং তু সহস্রকম্।

পঞ্চমং দশসাহস্রং যষ্ঠং স্যাল্পক্ষমেব চ।

সপ্তমং দশলক্ষং তু অষ্টমং কোটিরচ্যতে।

নবমং দশকোট্যস্ত দশমং শতকোটয়ঃ।

অবদং রুদ্রসংযুক্তং ব্যর্ব দং দ্বাদশং ভবেত ।

খর্বং ত্রয়োদশস্থানং মহাখবং চতুর্দশম্।

পদ্মং পঞ্চদশং চৈব মহাপদ্ম তু ষোড়শম্।

ক্ষোণী সপ্তদশং চৈব মহাক্ষোণী দশাষ্টকম্।

শঙ্খং নবদশং স্থানং মহাশঙ্খং তু বিংশকম্।

ক্ষিত্যৈকবিংশতি স্থানং মহাক্ষিত্যা দ্বিবিংশকম্।

ত্রিবিংশকমথ ক্ষোভং মহাক্ষোভং চতুর্ন য়ম্।

এ থেকে আমরা যে সমস্ত সংখ্যার সাক্ষাত পাই তা হচ্ছে-

এক, দশ, শত, সহস্র, দশ সহস্র, লক্ষ, দশ লক্ষ, কোটি, দশকোটি, শত কোটি, অর্বদ, ন্যর্বদ, খর্ব, মহাখর্ব, পদ্ম, মহাপদ্ম, ক্ষণী, মহাক্ষণী, শঙ্খ, মহাশঙ্খ, ক্ষিতি, মহাক্ষিতি, ক্ষোভ, মহাক্ষোভ।

দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য লীলাবতীর দ্বিতীয় অধ্যায়ের ১০-১১ শ্লোকে বলেছেন- “একদশশতসহস্রাযুস্তলক্ষপ্রযুতকোটয়ঃ ক্রমশঃ। অর্বুদমজং খর্বঃ নিখর্বঃ নিখর্বমহাপদ্ম- শঙ্কবস্তস্মাত। জলধিশ্চান্তং মধ্যং পরার্দ্ধমিতি দশগুণ সংজ্ঞা।” এর অর্থ সুস্পষ্ট।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-১৯)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-১৯)