০৮:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
চীন বনাম পশ্চিমা দেশ? ওয়াং ই বললেন, কোনো দেশ ‘মানবাধিকার শিক্ষক’ নয় ঈদুল ফিতরে টানা চার দিনের ছুটি, সম্ভাব্য তারিখ জানাল বিশেষজ্ঞরা সারওয়ার আলম আবার রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব এনবিআর গঠন করল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তুতি কমিটি ইরান উত্তেজনা চরমে, ভারতীয়দের দেশ ছাড়ার নির্দেশ; বৈরুতে মার্কিন দূতাবাসে কর্মী প্রত্যাহার ভারত ‘আইইএ’‑তে পূর্ণ সদস্যপদ অর্জনের পথে, সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া আলোচনার কেন্দ্রে রাষ্ট্রপতির  বক্তব্যে অনেক কিছুই চেপে গেছেন: জামায়াত আমির মুকুল রায়ের মৃত্যু: বাংলার কৌশলী রাজনীতিকের শেষ অধ্যায় নগদকে ব্যক্তিখাতে দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত সরকারের নীতির ওপর নির্ভর করবে বাংলাদেশ ব্যাংক ঈদ উপলক্ষে নগদ সংকটে পড়া পোশাক রপ্তানিকারকদের সমর্থনের অঙ্গীকার করল

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২০)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 50

প্রদীপ কুমার মজুমদার

এ থেকে বোঝা যাচ্ছে এখানে সংখ্যাগুলি হচ্ছে-এক, দশ, শত, সহস্র, অযুত, লক্ষ, প্রযুত, কোটি, অর্বদ, অজ, খর্ব, নিখর্ব, মহাসরোজ, শম্ভু, সরিতাপতি, অন্ত, মধ্য, পরাধ।

মহাবীর প্রথম অধ্যায়ের ৬৩-৬৮ শ্লোকগুলিতে বলেছেন-

একং তু প্রথম স্থানং দ্বিতীয়ং দশসংক্তিকম্।

তৃতীয় শতমিত্যাহুঃ চতুর্থং তু সহস্রকম্।

পঞ্চমং দশসাহস্রং যষ্ঠং স্যাল্পক্ষমেব চ।

সপ্তমং দশলক্ষং তু অষ্টমং কোটিরচ্যতে।

নবমং দশকোট্যস্ত দশমং শতকোটয়ঃ।

অবদং রুদ্রসংযুক্তং ব্যর্ব দং দ্বাদশং ভবেত ।

খর্বং ত্রয়োদশস্থানং মহাখবং চতুর্দশম্।

পদ্মং পঞ্চদশং চৈব মহাপদ্ম তু ষোড়শম্।

ক্ষোণী সপ্তদশং চৈব মহাক্ষোণী দশাষ্টকম্।

শঙ্খং নবদশং স্থানং মহাশঙ্খং তু বিংশকম্।

ক্ষিত্যৈকবিংশতি স্থানং মহাক্ষিত্যা দ্বিবিংশকম্।

ত্রিবিংশকমথ ক্ষোভং মহাক্ষোভং চতুর্ন য়ম্।

এ থেকে আমরা যে সমস্ত সংখ্যার সাক্ষাত পাই তা হচ্ছে-

এক, দশ, শত, সহস্র, দশ সহস্র, লক্ষ, দশ লক্ষ, কোটি, দশকোটি, শত কোটি, অর্বদ, ন্যর্বদ, খর্ব, মহাখর্ব, পদ্ম, মহাপদ্ম, ক্ষণী, মহাক্ষণী, শঙ্খ, মহাশঙ্খ, ক্ষিতি, মহাক্ষিতি, ক্ষোভ, মহাক্ষোভ।

দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য লীলাবতীর দ্বিতীয় অধ্যায়ের ১০-১১ শ্লোকে বলেছেন- “একদশশতসহস্রাযুস্তলক্ষপ্রযুতকোটয়ঃ ক্রমশঃ। অর্বুদমজং খর্বঃ নিখর্বঃ নিখর্বমহাপদ্ম- শঙ্কবস্তস্মাত। জলধিশ্চান্তং মধ্যং পরার্দ্ধমিতি দশগুণ সংজ্ঞা।” এর অর্থ সুস্পষ্ট।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-১৯)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-১৯)

জনপ্রিয় সংবাদ

চীন বনাম পশ্চিমা দেশ? ওয়াং ই বললেন, কোনো দেশ ‘মানবাধিকার শিক্ষক’ নয়

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২০)

১০:০০:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৪

প্রদীপ কুমার মজুমদার

এ থেকে বোঝা যাচ্ছে এখানে সংখ্যাগুলি হচ্ছে-এক, দশ, শত, সহস্র, অযুত, লক্ষ, প্রযুত, কোটি, অর্বদ, অজ, খর্ব, নিখর্ব, মহাসরোজ, শম্ভু, সরিতাপতি, অন্ত, মধ্য, পরাধ।

মহাবীর প্রথম অধ্যায়ের ৬৩-৬৮ শ্লোকগুলিতে বলেছেন-

একং তু প্রথম স্থানং দ্বিতীয়ং দশসংক্তিকম্।

তৃতীয় শতমিত্যাহুঃ চতুর্থং তু সহস্রকম্।

পঞ্চমং দশসাহস্রং যষ্ঠং স্যাল্পক্ষমেব চ।

সপ্তমং দশলক্ষং তু অষ্টমং কোটিরচ্যতে।

নবমং দশকোট্যস্ত দশমং শতকোটয়ঃ।

অবদং রুদ্রসংযুক্তং ব্যর্ব দং দ্বাদশং ভবেত ।

খর্বং ত্রয়োদশস্থানং মহাখবং চতুর্দশম্।

পদ্মং পঞ্চদশং চৈব মহাপদ্ম তু ষোড়শম্।

ক্ষোণী সপ্তদশং চৈব মহাক্ষোণী দশাষ্টকম্।

শঙ্খং নবদশং স্থানং মহাশঙ্খং তু বিংশকম্।

ক্ষিত্যৈকবিংশতি স্থানং মহাক্ষিত্যা দ্বিবিংশকম্।

ত্রিবিংশকমথ ক্ষোভং মহাক্ষোভং চতুর্ন য়ম্।

এ থেকে আমরা যে সমস্ত সংখ্যার সাক্ষাত পাই তা হচ্ছে-

এক, দশ, শত, সহস্র, দশ সহস্র, লক্ষ, দশ লক্ষ, কোটি, দশকোটি, শত কোটি, অর্বদ, ন্যর্বদ, খর্ব, মহাখর্ব, পদ্ম, মহাপদ্ম, ক্ষণী, মহাক্ষণী, শঙ্খ, মহাশঙ্খ, ক্ষিতি, মহাক্ষিতি, ক্ষোভ, মহাক্ষোভ।

দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য লীলাবতীর দ্বিতীয় অধ্যায়ের ১০-১১ শ্লোকে বলেছেন- “একদশশতসহস্রাযুস্তলক্ষপ্রযুতকোটয়ঃ ক্রমশঃ। অর্বুদমজং খর্বঃ নিখর্বঃ নিখর্বমহাপদ্ম- শঙ্কবস্তস্মাত। জলধিশ্চান্তং মধ্যং পরার্দ্ধমিতি দশগুণ সংজ্ঞা।” এর অর্থ সুস্পষ্ট।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-১৯)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-১৯)