০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
ইরানের শর্তে ৬০ দিনের আলোচনা, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তি সম্পন্নের ঘোষণা নতুন ইতিহাসের সাক্ষী কুরাসাও: ৭-১ গোলে হারলেও বিশ্বকাপ অভিষেকে গর্বে ভাসছে ছোট্ট দ্বীপদেশ আমাদ দিয়ালোর শেষ মুহূর্তের গোলে জয়, বিশ্বকাপ শুরুতেই দারুণ সূচনা আইভরি কোস্টের ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে এক বিশ্ব: বাংলাদেশের জন্য সতর্কবার্তা ও টেকসই লড়াইয়ের আহ্বান সীমান্ত হত্যা ও ‘পুশ-ইন’ বন্ধের দাবিতে ঢাকায় ১১ দলের সমাবেশ আজ ইসলামী ব্যাংকের পুরো পর্ষদ বিলুপ্ত, প্রশাসকের হাতে সব ক্ষমতা জিসানকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো, স্বাস্থ্য পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি ওবায়দুল কাদেরকে জেনারেল সেক্রেটারি করাই ছিলো আওয়ামী লীগের অন্যতম বড় ভুল শাকের পাতায় লুকিয়ে থাকা প্রোটিন, খাদ্য জগতে নতুন সম্ভাবনার নাম রুবিসকো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে আগেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে বাংলাদেশ

জিসানকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো, স্বাস্থ্য পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি

ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান আহমেদকে একটি ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। শনিবার সকালে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার এক নারীর করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।

বর্তমানে জিসান কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কারা ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। তবে পুলিশ জানিয়েছে, তার শারীরিক অবস্থায় এখন পর্যন্ত কোনো জটিলতার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। যদিও প্রকৃত স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিশ্চিত না হওয়ায় তাকে আদালতে হাজির করা সম্ভব হয়নি।

স্বাস্থ্য নিয়ে তদন্তে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ

জিসানের শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন ওঠার পর কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। রোববার বিকেলে চার সদস্যের এই কমিটি গঠন করা হয়।

হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মো. হেলালুর রহমানকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে। কমিটিকে এক দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মো. শাহজাহান বলেন, প্রাথমিকভাবে জিসানের শরীরে গুরুতর কোনো শারীরিক জটিলতার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর বিষয়টি সম্পর্কে আরও নিশ্চিত হওয়া যাবে।

পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপ

কুমিল্লা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল আলম শাহ জানিয়েছেন, হাসপাতালের চূড়ান্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এদিকে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান অভিযোগ করেছেন, জিসান ওই নারীকে বিয়ে এড়াতে অপহরণের নাটক সাজিয়েছিলেন। তার দাবি, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই পরবর্তী সময়ে মামলার সূত্রপাত ঘটে।

শিবিরের অবস্থান

জিসান ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহকারী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

ঘটনার বিষয়ে ছাত্রশিবির জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট উভয় পক্ষ বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে থাকায় তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে সংগঠনের পক্ষ থেকে ঘটনার প্রকৃত অবস্থা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

তবে প্রাথমিকভাবে জিসান ও অভিযোগকারী নারীর মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল—এমন তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে সংগঠনটি। সেই তথ্যের ভিত্তিতে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

ঘটনাটি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পৃথক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন জমা হওয়ার পর জিসানের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি এবং মামলার পরবর্তী অগ্রগতি সম্পর্কে আরও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

#জিসান_আহমেদ #ছাত্রশিবির #কুমিল্লা #ধর্ষণ_মামলা #বাংলাদেশ #আইনশৃঙ্খলা #সংবাদ #সারাক্ষণ_রিপোর্ট

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের শর্তে ৬০ দিনের আলোচনা, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তি সম্পন্নের ঘোষণা

জিসানকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো, স্বাস্থ্য পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি

০৬:২৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান আহমেদকে একটি ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। শনিবার সকালে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার এক নারীর করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।

বর্তমানে জিসান কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কারা ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। তবে পুলিশ জানিয়েছে, তার শারীরিক অবস্থায় এখন পর্যন্ত কোনো জটিলতার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। যদিও প্রকৃত স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিশ্চিত না হওয়ায় তাকে আদালতে হাজির করা সম্ভব হয়নি।

স্বাস্থ্য নিয়ে তদন্তে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ

জিসানের শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন ওঠার পর কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। রোববার বিকেলে চার সদস্যের এই কমিটি গঠন করা হয়।

হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মো. হেলালুর রহমানকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে। কমিটিকে এক দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মো. শাহজাহান বলেন, প্রাথমিকভাবে জিসানের শরীরে গুরুতর কোনো শারীরিক জটিলতার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর বিষয়টি সম্পর্কে আরও নিশ্চিত হওয়া যাবে।

পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপ

কুমিল্লা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল আলম শাহ জানিয়েছেন, হাসপাতালের চূড়ান্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এদিকে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান অভিযোগ করেছেন, জিসান ওই নারীকে বিয়ে এড়াতে অপহরণের নাটক সাজিয়েছিলেন। তার দাবি, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই পরবর্তী সময়ে মামলার সূত্রপাত ঘটে।

শিবিরের অবস্থান

জিসান ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহকারী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

ঘটনার বিষয়ে ছাত্রশিবির জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট উভয় পক্ষ বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে থাকায় তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে সংগঠনের পক্ষ থেকে ঘটনার প্রকৃত অবস্থা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

তবে প্রাথমিকভাবে জিসান ও অভিযোগকারী নারীর মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল—এমন তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে সংগঠনটি। সেই তথ্যের ভিত্তিতে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

ঘটনাটি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পৃথক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন জমা হওয়ার পর জিসানের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি এবং মামলার পরবর্তী অগ্রগতি সম্পর্কে আরও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

#জিসান_আহমেদ #ছাত্রশিবির #কুমিল্লা #ধর্ষণ_মামলা #বাংলাদেশ #আইনশৃঙ্খলা #সংবাদ #সারাক্ষণ_রিপোর্ট