০৫:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ভোটের পর ফলাফল তৈরি হয় যেভাবে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কী, নির্বাচন এলেই কেন এই কথা শোনা যায়? রাশিয়ার শতাধিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো বিপর্যস্ত রোবোট্যাক্সি সেবার বিস্তারে স্মার্ট যাতায়াতে নতুন গতি আবুধাবিতে সবার জীবনে সঙ্গীতের প্রয়োজনীয়তা, দুবাইয়ের অধ্যাপকের গবেষণায় নতুন দিগন্ত আল আইনে আলোকিত ফুলের মহোৎসব, দেড় হাজার ঝলমলে পাপড়িতে ফুটে উঠল ভিন্নতার বার্তা শিল্প ও ক্রীড়া ঐক্যে দুবাইয়ে সম্মাননা পেলেন আহমেদ আল জাসমি শারজাহর আল ধাইদে সাহিত্য পরিষদ উদ্বোধন, সাংস্কৃতিক পরিচয় ও সৃজনশীল চর্চায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন জুনের মধ্যেই যুদ্ধ শেষ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র, বৈঠকের প্রস্তাব ফ্লোরিডায় যুক্তরাষ্ট্র–ইরান আলোচনায় ওমানের ভূমিকায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রশংসা, আঞ্চলিক শান্তির আশা জোরদার

বাংলার শাক (পর্ব-১৮)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 98

কচু শাক
Colocasia esculenta (Araceae)

কচু সাধারণত জলের কিনারায় ও ভিজে জমিতে জন্মায় বা চাষ করা হয়। এটা গুল্ম জাতীয় গাছ। সবসময় পাওয়া যায়। চাষ করতে হলে বর্ষার শুরুতে এর কন্দ জলা জায়গায় বা সিঞ্চিত ডাঙা জমিতে লাগাতে হয়। ফসল তুলতে ৬-৭ মাস সময় লাগে।

সবুজ ও কালো রঙের ডাঁটাওয়ালা গাছ পাওয়া যায়। দুইটিই সমান উপকারি। এর পাতা ও ডাঁটা রান্না করে খাওয়া যায়, কিছু প্রজাতির কন্দও খাওয়া যায়। নানাভাবে রান্না করলে অতি মুখরোচক ও উপাদেয় পদ তৈরি হয়। বোলতা, বিছার কামড়ে পাতার রস লাগালে বিষের জ্বালা যন্ত্রণা ভালো হয়। পায়খানা পরিষ্কার করে। কানে পূজ ও বেদনা হলে এর রস ২-৪ ফোঁটা করে সারাদিন ২-৪ বার কানে দিলে ভালো হবে।

কচু কয়েক রকমের হয়। যেমন গেঁটে কচু, সারকচু, শোলাকচু, ভূঁইমান বা বিষমান কচু, মানকচু, দুধমানকচু।

(চলবে)

বাংলার শাক (পর্ব-১৭)

বাংলার শাক (পর্ব-১৭)

জনপ্রিয় সংবাদ

ভোটের পর ফলাফল তৈরি হয় যেভাবে

বাংলার শাক (পর্ব-১৮)

০৯:০০:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪

কচু শাক
Colocasia esculenta (Araceae)

কচু সাধারণত জলের কিনারায় ও ভিজে জমিতে জন্মায় বা চাষ করা হয়। এটা গুল্ম জাতীয় গাছ। সবসময় পাওয়া যায়। চাষ করতে হলে বর্ষার শুরুতে এর কন্দ জলা জায়গায় বা সিঞ্চিত ডাঙা জমিতে লাগাতে হয়। ফসল তুলতে ৬-৭ মাস সময় লাগে।

সবুজ ও কালো রঙের ডাঁটাওয়ালা গাছ পাওয়া যায়। দুইটিই সমান উপকারি। এর পাতা ও ডাঁটা রান্না করে খাওয়া যায়, কিছু প্রজাতির কন্দও খাওয়া যায়। নানাভাবে রান্না করলে অতি মুখরোচক ও উপাদেয় পদ তৈরি হয়। বোলতা, বিছার কামড়ে পাতার রস লাগালে বিষের জ্বালা যন্ত্রণা ভালো হয়। পায়খানা পরিষ্কার করে। কানে পূজ ও বেদনা হলে এর রস ২-৪ ফোঁটা করে সারাদিন ২-৪ বার কানে দিলে ভালো হবে।

কচু কয়েক রকমের হয়। যেমন গেঁটে কচু, সারকচু, শোলাকচু, ভূঁইমান বা বিষমান কচু, মানকচু, দুধমানকচু।

(চলবে)

বাংলার শাক (পর্ব-১৭)

বাংলার শাক (পর্ব-১৭)