০৯:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের প্রতি সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কদের আহ্বান লুকানো পেটের চর্বি হৃদ্‌যন্ত্রকে দ্রুত বুড়িয়ে দিতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা মানুষের শিশুর মতোই গান শেখে তরুণ ফিঞ্চ পাখি গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৩ নারীর শরীর নিয়ে মন্তব্য করার অধিকার কারও নেই, বললেন নাইমাল খাওয়ার তালেবান শাসনে আফগানিস্তান: বিবাহবিচ্ছেদ থেকে স্মার্টফোন, সর্বত্র নিয়ন্ত্রণের ছায়া ওয়েলসের সর্বোচ্চ পর্বতে লাইন নিয়ে তুমুল বিতর্ক, ‘এটা তো বিনোদনকেন্দ্র নয়’ আফগানিস্তানের বাণিজ্যপথ বদলে যাচ্ছে, বড় ঝুঁকিতে পাকিস্তানের শিল্প-বাণিজ্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অভিবাসন নিয়ম: বিদেশি শিক্ষার্থীদের ১৫ সেপ্টেম্বরের আগেই ফিরতে বলছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৪৮)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৫
  • 92

প্রদীপ কুমার মজুমদার

 অথবা ব্যাসদেব যখন ঐ একই উপাখ্যান যুধিষ্ঠিরকে বলছেন তাতেও সংখ্যার পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। তবে এই উপাখ্যানের বিষয়বস্তু থেকে স্পষ্টই বলা যায় দশাঙ্ক সংখ্যা এ’রা প্রত্যেকেই জানতেন। যাই হোক উক্ত তিনজনের উক্তি তিনটি তুলে ধরছি:

পুরোহিত ধৌম্যের উক্তি- “বিংশতিঃ সপ্তচাষ্টৌ চ হয়মেধানুপাহরং”।

নীলকণ্ঠ এটির টীকাতে বলেছেন- “বিংশতিঃ বিংশতিবারমাবত্তিতঃ সপ্ত অষ্টো চেতি অষ্টচত্বারিংশদধিকং শতম্। ত্রয়স্ত্রিংশভূতং রাজেতি তু শ্রুতিঃ। বিংশতিমিতি পাঠেহন্তহীনসংখ্যত্বাৎ পঞ্চত্রিংশৎ।

যাই হোক সোজা কথায় বলা যায় যে, নীলকণ্ঠ মনে করতেন-

অশ্বমেধ যজ্ঞানুষ্ঠানের সংখ্যা এক্ষেত্রে ১৪৮ (২০০৭+৮) কিন্তু ‘বিংশতিঃ’ স্থলে বিংশতিং ধরলে এটি হবে ৩৫ (২০+৭+৮)।

বেদব্যাসের উক্তি:

সোহশ্বমেধশতেনেষ্ট। যমুনামনু বীৰ্য্যবান্।
ত্রিশতাস্বান্ সরস্বাত্যাং গঙ্গামনু চতুঃশতাম্।

অর্থাৎ,যমুনা নদীর তীরে ১০০, সরস্বতীর তীরে ৩০০ ও গঙ্গাতীরে ৪০টি অশ্বমেধ যজ্ঞ অনুষ্ঠান করেছিলেন।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৪৭)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৪৭)

জনপ্রিয় সংবাদ

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৪৮)

১০:০০:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

 অথবা ব্যাসদেব যখন ঐ একই উপাখ্যান যুধিষ্ঠিরকে বলছেন তাতেও সংখ্যার পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। তবে এই উপাখ্যানের বিষয়বস্তু থেকে স্পষ্টই বলা যায় দশাঙ্ক সংখ্যা এ’রা প্রত্যেকেই জানতেন। যাই হোক উক্ত তিনজনের উক্তি তিনটি তুলে ধরছি:

পুরোহিত ধৌম্যের উক্তি- “বিংশতিঃ সপ্তচাষ্টৌ চ হয়মেধানুপাহরং”।

নীলকণ্ঠ এটির টীকাতে বলেছেন- “বিংশতিঃ বিংশতিবারমাবত্তিতঃ সপ্ত অষ্টো চেতি অষ্টচত্বারিংশদধিকং শতম্। ত্রয়স্ত্রিংশভূতং রাজেতি তু শ্রুতিঃ। বিংশতিমিতি পাঠেহন্তহীনসংখ্যত্বাৎ পঞ্চত্রিংশৎ।

যাই হোক সোজা কথায় বলা যায় যে, নীলকণ্ঠ মনে করতেন-

অশ্বমেধ যজ্ঞানুষ্ঠানের সংখ্যা এক্ষেত্রে ১৪৮ (২০০৭+৮) কিন্তু ‘বিংশতিঃ’ স্থলে বিংশতিং ধরলে এটি হবে ৩৫ (২০+৭+৮)।

বেদব্যাসের উক্তি:

সোহশ্বমেধশতেনেষ্ট। যমুনামনু বীৰ্য্যবান্।
ত্রিশতাস্বান্ সরস্বাত্যাং গঙ্গামনু চতুঃশতাম্।

অর্থাৎ,যমুনা নদীর তীরে ১০০, সরস্বতীর তীরে ৩০০ ও গঙ্গাতীরে ৪০টি অশ্বমেধ যজ্ঞ অনুষ্ঠান করেছিলেন।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৪৭)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৪৭)