০৮:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
ইরান যুদ্ধের ধাক্কা: অন্তত আট মাস ভোগান্তিতে ব্রিটিশ অর্থনীতি, সতর্ক করলেন সরকার আমেরিকায় হাম ফিরে আসছে: টিকাদানে শিথিলতা, সামনে আরও বড় স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা ৩০ হাজার হামলা, তবু জয় নেই: ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল কি সত্যিই এগিয়ে? গুলিবর্ষণের পর গ্রেপ্তার সন্দেহভাজন, হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে—তদন্তে সহযোগিতা করছেন না যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে তীব্র ধাক্কা, ‘ত্রিমুখী সংকটে’ বাজেট চাপে সতর্কতা মে মাসে নেটফ্লিক্সে আসছে জমজমাট বিনোদন, নতুন সিরিজ ও সিনেমায় চমক কলম্বিয়ায় বিস্ফোরণ হামলা: নিহত অন্তত ১৩, ফের জেগে উঠল সশস্ত্র সহিংসতার আতঙ্ক রপ্তানিতে ঐতিহাসিক ধসের সতর্কবার্তা, টিকে থাকতে ‘কৌশলগত বাজেট’ চায় বিকেএমইএ ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে দ্রুত পাবনায় অস্ত্র কারখানার সন্ধান, পাঁচ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ তিনজন আটক

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৪৮)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৫
  • 63

প্রদীপ কুমার মজুমদার

 অথবা ব্যাসদেব যখন ঐ একই উপাখ্যান যুধিষ্ঠিরকে বলছেন তাতেও সংখ্যার পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। তবে এই উপাখ্যানের বিষয়বস্তু থেকে স্পষ্টই বলা যায় দশাঙ্ক সংখ্যা এ’রা প্রত্যেকেই জানতেন। যাই হোক উক্ত তিনজনের উক্তি তিনটি তুলে ধরছি:

পুরোহিত ধৌম্যের উক্তি- “বিংশতিঃ সপ্তচাষ্টৌ চ হয়মেধানুপাহরং”।

নীলকণ্ঠ এটির টীকাতে বলেছেন- “বিংশতিঃ বিংশতিবারমাবত্তিতঃ সপ্ত অষ্টো চেতি অষ্টচত্বারিংশদধিকং শতম্। ত্রয়স্ত্রিংশভূতং রাজেতি তু শ্রুতিঃ। বিংশতিমিতি পাঠেহন্তহীনসংখ্যত্বাৎ পঞ্চত্রিংশৎ।

যাই হোক সোজা কথায় বলা যায় যে, নীলকণ্ঠ মনে করতেন-

অশ্বমেধ যজ্ঞানুষ্ঠানের সংখ্যা এক্ষেত্রে ১৪৮ (২০০৭+৮) কিন্তু ‘বিংশতিঃ’ স্থলে বিংশতিং ধরলে এটি হবে ৩৫ (২০+৭+৮)।

বেদব্যাসের উক্তি:

সোহশ্বমেধশতেনেষ্ট। যমুনামনু বীৰ্য্যবান্।
ত্রিশতাস্বান্ সরস্বাত্যাং গঙ্গামনু চতুঃশতাম্।

অর্থাৎ,যমুনা নদীর তীরে ১০০, সরস্বতীর তীরে ৩০০ ও গঙ্গাতীরে ৪০টি অশ্বমেধ যজ্ঞ অনুষ্ঠান করেছিলেন।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৪৭)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৪৭)

ইরান যুদ্ধের ধাক্কা: অন্তত আট মাস ভোগান্তিতে ব্রিটিশ অর্থনীতি, সতর্ক করলেন সরকার

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৪৮)

১০:০০:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

 অথবা ব্যাসদেব যখন ঐ একই উপাখ্যান যুধিষ্ঠিরকে বলছেন তাতেও সংখ্যার পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। তবে এই উপাখ্যানের বিষয়বস্তু থেকে স্পষ্টই বলা যায় দশাঙ্ক সংখ্যা এ’রা প্রত্যেকেই জানতেন। যাই হোক উক্ত তিনজনের উক্তি তিনটি তুলে ধরছি:

পুরোহিত ধৌম্যের উক্তি- “বিংশতিঃ সপ্তচাষ্টৌ চ হয়মেধানুপাহরং”।

নীলকণ্ঠ এটির টীকাতে বলেছেন- “বিংশতিঃ বিংশতিবারমাবত্তিতঃ সপ্ত অষ্টো চেতি অষ্টচত্বারিংশদধিকং শতম্। ত্রয়স্ত্রিংশভূতং রাজেতি তু শ্রুতিঃ। বিংশতিমিতি পাঠেহন্তহীনসংখ্যত্বাৎ পঞ্চত্রিংশৎ।

যাই হোক সোজা কথায় বলা যায় যে, নীলকণ্ঠ মনে করতেন-

অশ্বমেধ যজ্ঞানুষ্ঠানের সংখ্যা এক্ষেত্রে ১৪৮ (২০০৭+৮) কিন্তু ‘বিংশতিঃ’ স্থলে বিংশতিং ধরলে এটি হবে ৩৫ (২০+৭+৮)।

বেদব্যাসের উক্তি:

সোহশ্বমেধশতেনেষ্ট। যমুনামনু বীৰ্য্যবান্।
ত্রিশতাস্বান্ সরস্বাত্যাং গঙ্গামনু চতুঃশতাম্।

অর্থাৎ,যমুনা নদীর তীরে ১০০, সরস্বতীর তীরে ৩০০ ও গঙ্গাতীরে ৪০টি অশ্বমেধ যজ্ঞ অনুষ্ঠান করেছিলেন।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৪৭)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৪৭)