০৪:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ মহিষ এখন ঢাকার চিড়িয়াখানায়, বিশ্বজুড়ে ভাইরাল বাংলাদেশের অ্যালবিনো মহিষ বিটিএস-মাডোনা-শাকিরা একসঙ্গে, বিশ্বকাপ ফাইনালে ইতিহাসের প্রথম হাফটাইম শো দৃশ্যম ৩ আগামীকাল অ্যামাজন প্রাইমে, ৩৩০ কোটি রুপির ব্লকবাস্টার এবার ঘরে বসেই দেখুন রাইজের নতুন অ্যালবাম ‘II’ প্রথম দিনেই ৯ লাখ কপি বিক্রি, ‘Do Your Dance’ এখন বিশ্বজুড়ে ট্রেন্ডিং চার বছর পর মাঠে বিটিএস, পুসানে দুই রাতে ১,১০,০০০ দর্শক ঝড় তুলল বিশ্বকাপ অভিষেকেই হ্যালান্ডের জোড়া গোল, নরওয়ে ইরাককে ৪-১ উড়িয়ে দিল আজ রাতে ইংল্যান্ড বনাম ক্রোয়েশিয়া, মডরিচের শেষ বিশ্বকাপে ২০১৮-এর প্রতিশোধের সুযোগ এমবাপে ফ্রান্সের সর্বকালের সেরা গোলদাতা, সেনেগালের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত জোড়া গোলে রেকর্ড মেসির হ্যাট্রিকে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ অভিযান শুরু, কিলোজের ১৬ গোলের রেকর্ড ছুঁলেন বৃষ্টির ৯০% আশঙ্কায় চট্টগ্রামের ম্যাচ, ডিএলএস নিয়মে শেষ হওয়ার সম্ভাবনা

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৪৮)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৫
  • 81

প্রদীপ কুমার মজুমদার

 অথবা ব্যাসদেব যখন ঐ একই উপাখ্যান যুধিষ্ঠিরকে বলছেন তাতেও সংখ্যার পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। তবে এই উপাখ্যানের বিষয়বস্তু থেকে স্পষ্টই বলা যায় দশাঙ্ক সংখ্যা এ’রা প্রত্যেকেই জানতেন। যাই হোক উক্ত তিনজনের উক্তি তিনটি তুলে ধরছি:

পুরোহিত ধৌম্যের উক্তি- “বিংশতিঃ সপ্তচাষ্টৌ চ হয়মেধানুপাহরং”।

নীলকণ্ঠ এটির টীকাতে বলেছেন- “বিংশতিঃ বিংশতিবারমাবত্তিতঃ সপ্ত অষ্টো চেতি অষ্টচত্বারিংশদধিকং শতম্। ত্রয়স্ত্রিংশভূতং রাজেতি তু শ্রুতিঃ। বিংশতিমিতি পাঠেহন্তহীনসংখ্যত্বাৎ পঞ্চত্রিংশৎ।

যাই হোক সোজা কথায় বলা যায় যে, নীলকণ্ঠ মনে করতেন-

অশ্বমেধ যজ্ঞানুষ্ঠানের সংখ্যা এক্ষেত্রে ১৪৮ (২০০৭+৮) কিন্তু ‘বিংশতিঃ’ স্থলে বিংশতিং ধরলে এটি হবে ৩৫ (২০+৭+৮)।

বেদব্যাসের উক্তি:

সোহশ্বমেধশতেনেষ্ট। যমুনামনু বীৰ্য্যবান্।
ত্রিশতাস্বান্ সরস্বাত্যাং গঙ্গামনু চতুঃশতাম্।

অর্থাৎ,যমুনা নদীর তীরে ১০০, সরস্বতীর তীরে ৩০০ ও গঙ্গাতীরে ৪০টি অশ্বমেধ যজ্ঞ অনুষ্ঠান করেছিলেন।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৪৭)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৪৭)

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ মহিষ এখন ঢাকার চিড়িয়াখানায়, বিশ্বজুড়ে ভাইরাল বাংলাদেশের অ্যালবিনো মহিষ

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৪৮)

১০:০০:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

 অথবা ব্যাসদেব যখন ঐ একই উপাখ্যান যুধিষ্ঠিরকে বলছেন তাতেও সংখ্যার পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। তবে এই উপাখ্যানের বিষয়বস্তু থেকে স্পষ্টই বলা যায় দশাঙ্ক সংখ্যা এ’রা প্রত্যেকেই জানতেন। যাই হোক উক্ত তিনজনের উক্তি তিনটি তুলে ধরছি:

পুরোহিত ধৌম্যের উক্তি- “বিংশতিঃ সপ্তচাষ্টৌ চ হয়মেধানুপাহরং”।

নীলকণ্ঠ এটির টীকাতে বলেছেন- “বিংশতিঃ বিংশতিবারমাবত্তিতঃ সপ্ত অষ্টো চেতি অষ্টচত্বারিংশদধিকং শতম্। ত্রয়স্ত্রিংশভূতং রাজেতি তু শ্রুতিঃ। বিংশতিমিতি পাঠেহন্তহীনসংখ্যত্বাৎ পঞ্চত্রিংশৎ।

যাই হোক সোজা কথায় বলা যায় যে, নীলকণ্ঠ মনে করতেন-

অশ্বমেধ যজ্ঞানুষ্ঠানের সংখ্যা এক্ষেত্রে ১৪৮ (২০০৭+৮) কিন্তু ‘বিংশতিঃ’ স্থলে বিংশতিং ধরলে এটি হবে ৩৫ (২০+৭+৮)।

বেদব্যাসের উক্তি:

সোহশ্বমেধশতেনেষ্ট। যমুনামনু বীৰ্য্যবান্।
ত্রিশতাস্বান্ সরস্বাত্যাং গঙ্গামনু চতুঃশতাম্।

অর্থাৎ,যমুনা নদীর তীরে ১০০, সরস্বতীর তীরে ৩০০ ও গঙ্গাতীরে ৪০টি অশ্বমেধ যজ্ঞ অনুষ্ঠান করেছিলেন।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৪৭)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৪৭)