০৯:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের প্রতি সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কদের আহ্বান লুকানো পেটের চর্বি হৃদ্‌যন্ত্রকে দ্রুত বুড়িয়ে দিতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা মানুষের শিশুর মতোই গান শেখে তরুণ ফিঞ্চ পাখি গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৩ নারীর শরীর নিয়ে মন্তব্য করার অধিকার কারও নেই, বললেন নাইমাল খাওয়ার তালেবান শাসনে আফগানিস্তান: বিবাহবিচ্ছেদ থেকে স্মার্টফোন, সর্বত্র নিয়ন্ত্রণের ছায়া ওয়েলসের সর্বোচ্চ পর্বতে লাইন নিয়ে তুমুল বিতর্ক, ‘এটা তো বিনোদনকেন্দ্র নয়’ আফগানিস্তানের বাণিজ্যপথ বদলে যাচ্ছে, বড় ঝুঁকিতে পাকিস্তানের শিল্প-বাণিজ্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অভিবাসন নিয়ম: বিদেশি শিক্ষার্থীদের ১৫ সেপ্টেম্বরের আগেই ফিরতে বলছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৩৮)

  • Sarakhon Report
  • ০৫:৪৫:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জানুয়ারী ২০২৫
  • 95

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

এই পাথর সেনারা শত্রুপক্ষকে নানা কৌশলে বিছিন্ন করে দিতে পেরেছিল। এই ভাল কাজ পরিদর্শন করতে এসেছিল ইনকা রাজা। দেখে খুব সন্তুষ্ট হয়ে ইনকা রাজা পাথরসেনাদের প্রশংসা করেন এবং মহাসম্মানে কুজকো শহরে নিয়ে যান।

এই সম্মানীয় সদস্যদের ইনকা রাজা সূর্যমন্দির এবং অন্যান্য পবিত্র স্থানে রাখার ব্যবস্থা করেন। এরপর থেকে তারাও সাধারণের সম্মান শ্রদ্ধার বাইরেও পূজা অর্চনা পেতে শুরু করে। পেতে থাকে নানা উপঢৌকন, বলিদান। এই সঙ্গে পুরুরা উকদের আলাদা আলাদা নামকরণও করা হত। এর মধ্যে সুয়াকেস বা (ভাই) ছিলেন ধাতব পাথরের স্থপতি। এই সঙ্গে তারা কাঠের জিনিসও তৈরি করতে পারত। ইনকা শাসক বা রাজা এইসব নিজেদের জন্য বানাবার আদেশ দিয়ে স্থপতিদের সম্মান জানাত।

মাচাকুয়ে এবং (Machacuay) ভাষা ও প্রথা সংস্কৃতির আদানপ্রদানঃ ইনকাদের ধর্মীয় বিশ্বাসে মাচাকুয়ের এক বিশেষ অবস্থান আছে। সাধারণভাবে মাচাকুয়েকে মার্জ-এর দেবতা বলে মনে করা হয়। বনবিড়াল হুয়ানাকোয় ঝাপ তিয়াহুনাকো এবং ভালুককে তোমেবাম্বায় পূজো করা হয়েছিল। এছাড়া বাঘকেও পুজো করা হয়েছিল চাচাপোয়ায় (Chachapoyay)। পেরুতে বাস করে এমন ইনকাদের গাছ, লতাপাতা, পাথর, জমি, আকাশ, বনজঙ্গলের অনেক প্রাণী নিয়ে লৌকিক দেবদেবীর ধারণা প্রচলিত। ইনকাদের এই বহু দেবদেবীর ধারণা, বিশ্বাস এর পেছনে সমাজ- রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও আছে। কেননা লাতিন আমেরিকার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বহুবছর ধরে নানা ধরনের শাসক এসেছে।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৩৭)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৩৭)

জনপ্রিয় সংবাদ

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ, অংশগ্রহণে আপত্তি নেই

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৩৮)

০৫:৪৫:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জানুয়ারী ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

এই পাথর সেনারা শত্রুপক্ষকে নানা কৌশলে বিছিন্ন করে দিতে পেরেছিল। এই ভাল কাজ পরিদর্শন করতে এসেছিল ইনকা রাজা। দেখে খুব সন্তুষ্ট হয়ে ইনকা রাজা পাথরসেনাদের প্রশংসা করেন এবং মহাসম্মানে কুজকো শহরে নিয়ে যান।

এই সম্মানীয় সদস্যদের ইনকা রাজা সূর্যমন্দির এবং অন্যান্য পবিত্র স্থানে রাখার ব্যবস্থা করেন। এরপর থেকে তারাও সাধারণের সম্মান শ্রদ্ধার বাইরেও পূজা অর্চনা পেতে শুরু করে। পেতে থাকে নানা উপঢৌকন, বলিদান। এই সঙ্গে পুরুরা উকদের আলাদা আলাদা নামকরণও করা হত। এর মধ্যে সুয়াকেস বা (ভাই) ছিলেন ধাতব পাথরের স্থপতি। এই সঙ্গে তারা কাঠের জিনিসও তৈরি করতে পারত। ইনকা শাসক বা রাজা এইসব নিজেদের জন্য বানাবার আদেশ দিয়ে স্থপতিদের সম্মান জানাত।

মাচাকুয়ে এবং (Machacuay) ভাষা ও প্রথা সংস্কৃতির আদানপ্রদানঃ ইনকাদের ধর্মীয় বিশ্বাসে মাচাকুয়ের এক বিশেষ অবস্থান আছে। সাধারণভাবে মাচাকুয়েকে মার্জ-এর দেবতা বলে মনে করা হয়। বনবিড়াল হুয়ানাকোয় ঝাপ তিয়াহুনাকো এবং ভালুককে তোমেবাম্বায় পূজো করা হয়েছিল। এছাড়া বাঘকেও পুজো করা হয়েছিল চাচাপোয়ায় (Chachapoyay)। পেরুতে বাস করে এমন ইনকাদের গাছ, লতাপাতা, পাথর, জমি, আকাশ, বনজঙ্গলের অনেক প্রাণী নিয়ে লৌকিক দেবদেবীর ধারণা প্রচলিত। ইনকাদের এই বহু দেবদেবীর ধারণা, বিশ্বাস এর পেছনে সমাজ- রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও আছে। কেননা লাতিন আমেরিকার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বহুবছর ধরে নানা ধরনের শাসক এসেছে।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৩৭)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৩৭)