০৪:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
হাইলাইট: দুর্নীতির অভিযোগ জমা পড়ছে প্রতিদিন, তবে বন্ধ অনুসন্ধান–মামলা সপ্তাহের শুরুতেই সোনার গহনার দাম ভরিতে কমলো ২২১৬ টাকা   শিকারি-সংগ্রাহকদের মধ্যেও ছিল প্লেগ! ৫,৫০০ বছর আগের মহামারির চাঞ্চল্যকর প্রমাণ এল নিনোর নতুন হুমকি: ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী জলবায়ু ঘটনা কি সামনে? গাছেরও আছে ‘গোপন শ্রবণশক্তি’, প্রতিবেশীর খবর শুনেই বদলায় বেড়ে ওঠার কৌশল নেটফ্লিক্সে হারলান কোবেন ঝড়: রহস্য আর পারিবারিক নাটকের জাদুতে বিশ্বজয় বড়দের নতুন ছুটি: গ্রীষ্মকালীন ক্যাম্পে ফিরছে প্রাপ্তবয়স্করা অনলাইনের প্রেমে প্রতারণা: একাকীত্বকে পুঁজি করে বাড়ছে ‘লাভ স্ক্যাম’ চক্র অগ্ন্যাশয় ক্যান্সারে নতুন আশা, জীবন বাড়াতে পারে যুগান্তকারী ওষুধ চকলেটের মিষ্টি রহস্য: কোকো ফলনে ভরসা রক্তচোষা ক্ষুদে পোকা

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১০৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৫:০২:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫
  • 86

প্রদীপ কুমার মজুমদার

অক্ষর সংখ্যা প্রণালীর আরও কতকগুলি নিয়ম দেখা যায়। এদের মধ্যে তিনটি প্রণালীর উল্লেখ করছি।

(ক) এই প্রণালীকে সাংকেতিক ভাষায় লিখলে দাঁড়ায়-N = 34(x – 1) + y

এখানে x = 1, 2, 3 ,***********,16 এবং y = 1, 2 ,*************,34

অর্থাৎ x হচ্ছে অ, আ, ই, ঈ, ঋ, ঋ, ৯, ই, এ, ঐ, ও, ঔ, অং, অঃ এই ষোলটি স্বরবর্ণ। এবং y হচ্ছে ক থেকেহ এবং ল বাক্ষ।

এই পদ্ধতিতে স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণ অসম্পৃক্ত অবস্থায় কোন সংখ্যা জ্ঞাপন করে না।

(খ) N = 16(y – 1) +x এই সাংকেতিক ভাষায় একটি নূতন অক্ষর সংখ্যা প্রণালী ভারতবর্ষে চালু ছিল। এখানে স্বরবর্ণের মুখ্য ভূমিকা।

(গ) এটি একটি নূতন প্রণালী। সাংকেতিক ভাষায় লিখলে দাঁড়ায়: N = 12(y – 1) + x

এখানে স্বরবর্ণ বারটি, অর্থাৎ ঋ, স্কু, ৯, ৪ ধরা হয় না। ক কার সম্পৃক্ত হয়ে ঐ বারটি স্বর যথাক্রমে ১ থেকে ১২ সংখ্যা নির্দেশ করে। খ কার সম্পৃক্ত হয়ে ১৩ থেকে ২৪ সংখ্যা খ্যাপন করে। প্রকৃতপক্ষে এখানে-

x = 1, 2 ,********,12;y=1,2,*******,34

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১০৩)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১০৩)

জনপ্রিয় সংবাদ

হাইলাইট: দুর্নীতির অভিযোগ জমা পড়ছে প্রতিদিন, তবে বন্ধ অনুসন্ধান–মামলা

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১০৪)

০৫:০২:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

অক্ষর সংখ্যা প্রণালীর আরও কতকগুলি নিয়ম দেখা যায়। এদের মধ্যে তিনটি প্রণালীর উল্লেখ করছি।

(ক) এই প্রণালীকে সাংকেতিক ভাষায় লিখলে দাঁড়ায়-N = 34(x – 1) + y

এখানে x = 1, 2, 3 ,***********,16 এবং y = 1, 2 ,*************,34

অর্থাৎ x হচ্ছে অ, আ, ই, ঈ, ঋ, ঋ, ৯, ই, এ, ঐ, ও, ঔ, অং, অঃ এই ষোলটি স্বরবর্ণ। এবং y হচ্ছে ক থেকেহ এবং ল বাক্ষ।

এই পদ্ধতিতে স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণ অসম্পৃক্ত অবস্থায় কোন সংখ্যা জ্ঞাপন করে না।

(খ) N = 16(y – 1) +x এই সাংকেতিক ভাষায় একটি নূতন অক্ষর সংখ্যা প্রণালী ভারতবর্ষে চালু ছিল। এখানে স্বরবর্ণের মুখ্য ভূমিকা।

(গ) এটি একটি নূতন প্রণালী। সাংকেতিক ভাষায় লিখলে দাঁড়ায়: N = 12(y – 1) + x

এখানে স্বরবর্ণ বারটি, অর্থাৎ ঋ, স্কু, ৯, ৪ ধরা হয় না। ক কার সম্পৃক্ত হয়ে ঐ বারটি স্বর যথাক্রমে ১ থেকে ১২ সংখ্যা নির্দেশ করে। খ কার সম্পৃক্ত হয়ে ১৩ থেকে ২৪ সংখ্যা খ্যাপন করে। প্রকৃতপক্ষে এখানে-

x = 1, 2 ,********,12;y=1,2,*******,34

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১০৩)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১০৩)