০১:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
জোই ক্রাভিটজের আঙুলে রহস্যময় আংটি, হ্যারি স্টাইলসকে ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে বিশ্বকাপের আগে উত্তর আমেরিকায় টানাপোড়েন: একসঙ্গে আয়োজন, কিন্তু সম্পর্কের ভাঙন আলবার্টার বিচ্ছিন্নতাবাদে ভাটা: গণভোটের আগে বাড়ছে অনিশ্চয়তা পেরুর নির্বাচনী বিশৃঙ্খলা: ভোটের উৎসব থেকে অনিশ্চয়তার গভীর সংকট সুদানে যুদ্ধের মাঝেই আরএসএফের উত্থান, সামরিক শক্তি থেকে গড়ে উঠছে অর্থনৈতিক সাম্রাজ্য জার্মানির সামরিক পুনরুত্থান: ইউরোপের নেতৃত্বে এগোতে চায় নতুন কৌশল ইউক্রেনের নতুন কূটনৈতিক জোট: তুরস্ক-সিরিয়ার দিকে ঝুঁকে বদলে যাচ্ছে ভূরাজনীতি রাশিয়ার গ্রামে টিকে থাকার লড়াই: বাজেট কাটছাঁটের মাঝেও নিকোলস্কের অদম্য প্রতিরোধ ব্রিটেন-আমেরিকার ‘বিশেষ সম্পর্ক’ টানাপোড়েনে, নতুন পথে লন্ডনের ভাবনা এক ভাষা, ভিন্ন অর্থ: ইংরেজিতেই কেন বাড়ছে ভুল বোঝাবুঝি

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১০৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৫:০২:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫
  • 69

প্রদীপ কুমার মজুমদার

অক্ষর সংখ্যা প্রণালীর আরও কতকগুলি নিয়ম দেখা যায়। এদের মধ্যে তিনটি প্রণালীর উল্লেখ করছি।

(ক) এই প্রণালীকে সাংকেতিক ভাষায় লিখলে দাঁড়ায়-N = 34(x – 1) + y

এখানে x = 1, 2, 3 ,***********,16 এবং y = 1, 2 ,*************,34

অর্থাৎ x হচ্ছে অ, আ, ই, ঈ, ঋ, ঋ, ৯, ই, এ, ঐ, ও, ঔ, অং, অঃ এই ষোলটি স্বরবর্ণ। এবং y হচ্ছে ক থেকেহ এবং ল বাক্ষ।

এই পদ্ধতিতে স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণ অসম্পৃক্ত অবস্থায় কোন সংখ্যা জ্ঞাপন করে না।

(খ) N = 16(y – 1) +x এই সাংকেতিক ভাষায় একটি নূতন অক্ষর সংখ্যা প্রণালী ভারতবর্ষে চালু ছিল। এখানে স্বরবর্ণের মুখ্য ভূমিকা।

(গ) এটি একটি নূতন প্রণালী। সাংকেতিক ভাষায় লিখলে দাঁড়ায়: N = 12(y – 1) + x

এখানে স্বরবর্ণ বারটি, অর্থাৎ ঋ, স্কু, ৯, ৪ ধরা হয় না। ক কার সম্পৃক্ত হয়ে ঐ বারটি স্বর যথাক্রমে ১ থেকে ১২ সংখ্যা নির্দেশ করে। খ কার সম্পৃক্ত হয়ে ১৩ থেকে ২৪ সংখ্যা খ্যাপন করে। প্রকৃতপক্ষে এখানে-

x = 1, 2 ,********,12;y=1,2,*******,34

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১০৩)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১০৩)

জোই ক্রাভিটজের আঙুলে রহস্যময় আংটি, হ্যারি স্টাইলসকে ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১০৪)

০৫:০২:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

অক্ষর সংখ্যা প্রণালীর আরও কতকগুলি নিয়ম দেখা যায়। এদের মধ্যে তিনটি প্রণালীর উল্লেখ করছি।

(ক) এই প্রণালীকে সাংকেতিক ভাষায় লিখলে দাঁড়ায়-N = 34(x – 1) + y

এখানে x = 1, 2, 3 ,***********,16 এবং y = 1, 2 ,*************,34

অর্থাৎ x হচ্ছে অ, আ, ই, ঈ, ঋ, ঋ, ৯, ই, এ, ঐ, ও, ঔ, অং, অঃ এই ষোলটি স্বরবর্ণ। এবং y হচ্ছে ক থেকেহ এবং ল বাক্ষ।

এই পদ্ধতিতে স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণ অসম্পৃক্ত অবস্থায় কোন সংখ্যা জ্ঞাপন করে না।

(খ) N = 16(y – 1) +x এই সাংকেতিক ভাষায় একটি নূতন অক্ষর সংখ্যা প্রণালী ভারতবর্ষে চালু ছিল। এখানে স্বরবর্ণের মুখ্য ভূমিকা।

(গ) এটি একটি নূতন প্রণালী। সাংকেতিক ভাষায় লিখলে দাঁড়ায়: N = 12(y – 1) + x

এখানে স্বরবর্ণ বারটি, অর্থাৎ ঋ, স্কু, ৯, ৪ ধরা হয় না। ক কার সম্পৃক্ত হয়ে ঐ বারটি স্বর যথাক্রমে ১ থেকে ১২ সংখ্যা নির্দেশ করে। খ কার সম্পৃক্ত হয়ে ১৩ থেকে ২৪ সংখ্যা খ্যাপন করে। প্রকৃতপক্ষে এখানে-

x = 1, 2 ,********,12;y=1,2,*******,34

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১০৩)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১০৩)