০৮:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে শি জিনপিংয়ের বৈঠক মুহাররমের চাঁদ দেখা যায়নি, পাকিস্তানে ২৬ জুন পালিত হবে আশুরা রয়টার্স এর প্রতিবেদনঃ বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লি বিমানবন্দরে ‘জিজ্ঞাসাবাদ’ করার প্রতিবাদ জানিয়েছে লালমনিরহাটে শিশু হত্যাকাণ্ড ঘিরে সংঘর্ষ: এসপি-ওসিসহ আহত ২০, আটক প্রধান সন্দেহভাজন ডেঙ্গুতে আরও ১ জনের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১১৩ চুয়াডাঙ্গায় ২ হাজার ফুটের আর্জেন্টিনা পতাকা নিয়ে বিশ্বকাপ র‍্যালি, জনসমুদ্রে রূপ নিল শহর ছয় নবজাতকের মৃত্যুর পর সংস্কার কর্মসূচি ঘোষণা আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের ইসলামী ব্যাংকে পেশাদার পরিচালনা পর্ষদ গঠনের দাবি, গভর্নরের কাছে স্মারকলিপি চাঁদপুর-কুমিল্লা মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার জুলাই আন্দোলনের হামলা মামলায় শাস্তি কমাল জাবি, আপিলে অব্যাহতি পেলেন কয়েকজন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী

নিশিডাক

  • Sarakhon Report
  • ০৮:৩০:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ মার্চ ২০২৫
  • 170

নিশিডাক

আল মাহমুদ

তার আহবান ছিলো নিশিডাকের শিসতোলা তীব্র বাঁশির মত।

প্রতিটি মানুষের রক্তবাহী শিরায় কাঁপন দিয়ে তা বাজতো

নদীগুলো হিসহিস শব্দে অতিকায় সাপের মত ফণা তুলে দাঁড়াতো

অরণ্যের পাখিরা ডাকাডাকি করে পথ ভুলে উড়ে যেত সমুদ্রের দিকে।

সে যখন বলল, ‘ভাইসব।’

অমনি অরণ্যের এলোমেলো গাছেরাও সারি বেঁধে দাঁড়িয়ে গেল

সে যখন ডাকলো,‘ভাইয়েরা আমার।’

ভেঙ্গে যাওয়া পাখির ঝাঁক ভীড় করে নেমে এল পৃথিবীর ডাঙায়

কবিরা কলম ও বন্দুকের পার্থক্য ভুলে হাঁটতে লাগলো

খোলা ময়দানে।

এই আমি

নগন্য এক মানুষ

দেখি, আমার হাতের তালু ফুঁড়ে বেরিয়ে এসেছে

এক আগুণের জিহবা।

বলো, তোমার জন্যই কি আমরা হাতে নিইনি আগুন?

নদীগুলোকে ফণা ধরতে শেখায় নি কি তোমার জন্য–

শুধু তোমার জন্য গাছে গাছে ফুলের বদলে ফুটিয়েছিলাম ফুলকি,

আম গাছে গুচ্ছ গুচ্ছ ফলেছিল গ্রেনেড ফল।

আর সবুজের ভেতর থেকে ফুৎকার দিয়ে

বেরিয়ে এল গন্ধকের ধোঁয়া।

আহ্

আমি এখন আর চোখ মেলতে পারছি না।

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে শি জিনপিংয়ের বৈঠক

নিশিডাক

০৮:৩০:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ মার্চ ২০২৫

নিশিডাক

আল মাহমুদ

তার আহবান ছিলো নিশিডাকের শিসতোলা তীব্র বাঁশির মত।

প্রতিটি মানুষের রক্তবাহী শিরায় কাঁপন দিয়ে তা বাজতো

নদীগুলো হিসহিস শব্দে অতিকায় সাপের মত ফণা তুলে দাঁড়াতো

অরণ্যের পাখিরা ডাকাডাকি করে পথ ভুলে উড়ে যেত সমুদ্রের দিকে।

সে যখন বলল, ‘ভাইসব।’

অমনি অরণ্যের এলোমেলো গাছেরাও সারি বেঁধে দাঁড়িয়ে গেল

সে যখন ডাকলো,‘ভাইয়েরা আমার।’

ভেঙ্গে যাওয়া পাখির ঝাঁক ভীড় করে নেমে এল পৃথিবীর ডাঙায়

কবিরা কলম ও বন্দুকের পার্থক্য ভুলে হাঁটতে লাগলো

খোলা ময়দানে।

এই আমি

নগন্য এক মানুষ

দেখি, আমার হাতের তালু ফুঁড়ে বেরিয়ে এসেছে

এক আগুণের জিহবা।

বলো, তোমার জন্যই কি আমরা হাতে নিইনি আগুন?

নদীগুলোকে ফণা ধরতে শেখায় নি কি তোমার জন্য–

শুধু তোমার জন্য গাছে গাছে ফুলের বদলে ফুটিয়েছিলাম ফুলকি,

আম গাছে গুচ্ছ গুচ্ছ ফলেছিল গ্রেনেড ফল।

আর সবুজের ভেতর থেকে ফুৎকার দিয়ে

বেরিয়ে এল গন্ধকের ধোঁয়া।

আহ্

আমি এখন আর চোখ মেলতে পারছি না।