১১:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী জাবিতে মাদককাণ্ড: দুই ছাত্রীকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার, একজনের বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ চীনের ইভি যুদ্ধে নতুন অস্ত্র: নিজস্ব স্মার্ট-ড্রাইভিং চিপে ঝুঁকছে গাড়ি নির্মাতারা নরেন্দ্র মোদি ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১৬ মাস পর মুখোমুখি, জি৭ সম্মেলনে পাশাপাশি আসন জি৭ সম্মেলনে রাশিয়ার ওপর আরও চাপের সিদ্ধান্ত, ট্রাম্প-জেলেনস্কি বৈঠকে ইউক্রেন ইস্যুতে নতুন বার্তা উপজেলায় এমপিদের জন্য ‘পরিদর্শন কক্ষ’, প্রতিটি উপজেলায় বরাদ্দ ৬ লাখ টাকা চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে শি জিনপিংয়ের বৈঠক মুহাররমের চাঁদ দেখা যায়নি, পাকিস্তানে ২৬ জুন পালিত হবে আশুরা রয়টার্স এর প্রতিবেদনঃ বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লি বিমানবন্দরে ‘জিজ্ঞাসাবাদ’ করার প্রতিবাদ জানিয়েছে লালমনিরহাটে শিশু হত্যাকাণ্ড ঘিরে সংঘর্ষ: এসপি-ওসিসহ আহত ২০, আটক প্রধান সন্দেহভাজন

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২২)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫
  • 313

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

আজতেক জনগোষ্ঠী জীবনযাত্রার বাস্তবতা, মঙ্গল, বিচারবোধকে মেনে চলত। সেই কারণে মানবজাতির রক্ষাকবচ, রক্ষক, স্বর্গ-নরক বা কাজের দোষে পাকা এমন কোন বিশ্বাস তাদের মধ্যে ছিল না। আজতেকদের বর্তমান প্রজন্ম এবং পূর্বপুরুষ সবাই একথাই মনে-প্রাণে বিশ্বাস করে যে প্রকৃতি (Nature)-ই ভাল বা মন্দর জন্য সক্রিয় থাকে।

এই প্রকৃতির ইচ্ছা অনিচ্ছার সঙ্গে জগাৎজীবনের ভাল-মন্দ সম্পর্কিত থাকার জন্য আজতেকরা এই ভাল মন্দর উপাদান শক্তিকেই দেব-দেবী হিসেবে বিশ্বাস করত। প্রকৃতির উপর এই দৃঢ় বিশ্বাস থাকার জন্য তারা এমনও মনে করে যে বাস্তবজীবনের ঘটনাগুলি আবারও ঘটে যায় এবং এই ঘটনার পুনরাবৃত্তির মধ্য থেকে এক ধরনের ছন্দ বা শৃঙ্খলা গড়ে ওঠে।

জন্ম, মৃত্যু নিরবচ্ছিন্নভাবে ঘটে যায়। ঘটতে থাকে তার নিজস্ব স্বাভাবিক নিয়মকে অনুসরণ করে। রাত্রির অবসানে দিন এবং দিনের শেষে সন্ধ্যা, রাত্রিও অমোঘ নিয়মে এসে যায়। এই অন্তহীন প্রকৃতির পরিবর্তন-এর পেছনে থাকে একটি অতিপ্রাকৃত শক্তি। প্রকৃতি এবং তার স্বাভাবিক শক্তির অনিবার্যতা বিচার করে বিশেষজ্ঞ এবং প্রাকৃতিক বিজ্ঞানীরা বলেন যে আজতেকদের ধর্ম হল কার্যত প্রাকৃতিক শক্তির সম্পর্কে ভয়।

বলা যায় তার ভয়াবহতার প্রতি এক ধরনের স্বীকৃতি। আধার অনাদিক থেকে বলা হয় যে মানুষ কীভাবে কি প্রক্রিয়ায় এই শক্তিকে মোকাবিলা বা অস্বীকার করে সেই বিষয়টিও ধর্মের অন্তর্ভুক্ত। বিশেষ করে মানুষ কীভাবে সংস্কৃতি, শিল্প, যন্ত্র, যান্ত্রিক শক্তি, সামাজিক সংগঠন-এর ধারাবাহিক মান নির্ণয় করে বা বিবর্তনকে চিহ্নিত করে সেই কাজটিও ধর্মীয় বিশ্বাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

(চলবে)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২১)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২১)

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২২)

০৭:০০:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

আজতেক জনগোষ্ঠী জীবনযাত্রার বাস্তবতা, মঙ্গল, বিচারবোধকে মেনে চলত। সেই কারণে মানবজাতির রক্ষাকবচ, রক্ষক, স্বর্গ-নরক বা কাজের দোষে পাকা এমন কোন বিশ্বাস তাদের মধ্যে ছিল না। আজতেকদের বর্তমান প্রজন্ম এবং পূর্বপুরুষ সবাই একথাই মনে-প্রাণে বিশ্বাস করে যে প্রকৃতি (Nature)-ই ভাল বা মন্দর জন্য সক্রিয় থাকে।

এই প্রকৃতির ইচ্ছা অনিচ্ছার সঙ্গে জগাৎজীবনের ভাল-মন্দ সম্পর্কিত থাকার জন্য আজতেকরা এই ভাল মন্দর উপাদান শক্তিকেই দেব-দেবী হিসেবে বিশ্বাস করত। প্রকৃতির উপর এই দৃঢ় বিশ্বাস থাকার জন্য তারা এমনও মনে করে যে বাস্তবজীবনের ঘটনাগুলি আবারও ঘটে যায় এবং এই ঘটনার পুনরাবৃত্তির মধ্য থেকে এক ধরনের ছন্দ বা শৃঙ্খলা গড়ে ওঠে।

জন্ম, মৃত্যু নিরবচ্ছিন্নভাবে ঘটে যায়। ঘটতে থাকে তার নিজস্ব স্বাভাবিক নিয়মকে অনুসরণ করে। রাত্রির অবসানে দিন এবং দিনের শেষে সন্ধ্যা, রাত্রিও অমোঘ নিয়মে এসে যায়। এই অন্তহীন প্রকৃতির পরিবর্তন-এর পেছনে থাকে একটি অতিপ্রাকৃত শক্তি। প্রকৃতি এবং তার স্বাভাবিক শক্তির অনিবার্যতা বিচার করে বিশেষজ্ঞ এবং প্রাকৃতিক বিজ্ঞানীরা বলেন যে আজতেকদের ধর্ম হল কার্যত প্রাকৃতিক শক্তির সম্পর্কে ভয়।

বলা যায় তার ভয়াবহতার প্রতি এক ধরনের স্বীকৃতি। আধার অনাদিক থেকে বলা হয় যে মানুষ কীভাবে কি প্রক্রিয়ায় এই শক্তিকে মোকাবিলা বা অস্বীকার করে সেই বিষয়টিও ধর্মের অন্তর্ভুক্ত। বিশেষ করে মানুষ কীভাবে সংস্কৃতি, শিল্প, যন্ত্র, যান্ত্রিক শক্তি, সামাজিক সংগঠন-এর ধারাবাহিক মান নির্ণয় করে বা বিবর্তনকে চিহ্নিত করে সেই কাজটিও ধর্মীয় বিশ্বাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

(চলবে)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২১)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২১)