০১:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে লেবানন যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুর: মার্চ থেকে ২,৫০৯ জন নিহত, ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত ২০০৩-এর পর প্রথমবার মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন তিনটি বিমানবাহী রণতরী, উত্তেজনা তীব্র টানা ১১তম বছরে রেকর্ড: বৈশ্বিক সামরিক ব্যয় ২০২৫ সালে ২.৯ ট্রিলিয়ন ডলার ২১ বছর পর গাজা ও পশ্চিম তীরে স্থানীয় নির্বাচন, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ নতুন পথে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এআই মামলা শুরু: মাস্ক বনাম অ্যালটম্যান আদালতে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনারে হামলার আসামি আদালতে, ট্রাম্প প্রশাসনকে টার্গেট করার পরিকল্পনা ছিল হরমুজ প্রণালী আর আগের মতো থাকবে না: ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ঘোষণা মার্কিন-ইরান শান্তি আলোচনা ভেঙে পড়েছে, আরাঘচি পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে সেন্ট পিটার্সবার্গে চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল কর্মী গুলিতে নিহত

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২২)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫
  • 297

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

আজতেক জনগোষ্ঠী জীবনযাত্রার বাস্তবতা, মঙ্গল, বিচারবোধকে মেনে চলত। সেই কারণে মানবজাতির রক্ষাকবচ, রক্ষক, স্বর্গ-নরক বা কাজের দোষে পাকা এমন কোন বিশ্বাস তাদের মধ্যে ছিল না। আজতেকদের বর্তমান প্রজন্ম এবং পূর্বপুরুষ সবাই একথাই মনে-প্রাণে বিশ্বাস করে যে প্রকৃতি (Nature)-ই ভাল বা মন্দর জন্য সক্রিয় থাকে।

এই প্রকৃতির ইচ্ছা অনিচ্ছার সঙ্গে জগাৎজীবনের ভাল-মন্দ সম্পর্কিত থাকার জন্য আজতেকরা এই ভাল মন্দর উপাদান শক্তিকেই দেব-দেবী হিসেবে বিশ্বাস করত। প্রকৃতির উপর এই দৃঢ় বিশ্বাস থাকার জন্য তারা এমনও মনে করে যে বাস্তবজীবনের ঘটনাগুলি আবারও ঘটে যায় এবং এই ঘটনার পুনরাবৃত্তির মধ্য থেকে এক ধরনের ছন্দ বা শৃঙ্খলা গড়ে ওঠে।

জন্ম, মৃত্যু নিরবচ্ছিন্নভাবে ঘটে যায়। ঘটতে থাকে তার নিজস্ব স্বাভাবিক নিয়মকে অনুসরণ করে। রাত্রির অবসানে দিন এবং দিনের শেষে সন্ধ্যা, রাত্রিও অমোঘ নিয়মে এসে যায়। এই অন্তহীন প্রকৃতির পরিবর্তন-এর পেছনে থাকে একটি অতিপ্রাকৃত শক্তি। প্রকৃতি এবং তার স্বাভাবিক শক্তির অনিবার্যতা বিচার করে বিশেষজ্ঞ এবং প্রাকৃতিক বিজ্ঞানীরা বলেন যে আজতেকদের ধর্ম হল কার্যত প্রাকৃতিক শক্তির সম্পর্কে ভয়।

বলা যায় তার ভয়াবহতার প্রতি এক ধরনের স্বীকৃতি। আধার অনাদিক থেকে বলা হয় যে মানুষ কীভাবে কি প্রক্রিয়ায় এই শক্তিকে মোকাবিলা বা অস্বীকার করে সেই বিষয়টিও ধর্মের অন্তর্ভুক্ত। বিশেষ করে মানুষ কীভাবে সংস্কৃতি, শিল্প, যন্ত্র, যান্ত্রিক শক্তি, সামাজিক সংগঠন-এর ধারাবাহিক মান নির্ণয় করে বা বিবর্তনকে চিহ্নিত করে সেই কাজটিও ধর্মীয় বিশ্বাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

(চলবে)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২১)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২১)

হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২২)

০৭:০০:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

আজতেক জনগোষ্ঠী জীবনযাত্রার বাস্তবতা, মঙ্গল, বিচারবোধকে মেনে চলত। সেই কারণে মানবজাতির রক্ষাকবচ, রক্ষক, স্বর্গ-নরক বা কাজের দোষে পাকা এমন কোন বিশ্বাস তাদের মধ্যে ছিল না। আজতেকদের বর্তমান প্রজন্ম এবং পূর্বপুরুষ সবাই একথাই মনে-প্রাণে বিশ্বাস করে যে প্রকৃতি (Nature)-ই ভাল বা মন্দর জন্য সক্রিয় থাকে।

এই প্রকৃতির ইচ্ছা অনিচ্ছার সঙ্গে জগাৎজীবনের ভাল-মন্দ সম্পর্কিত থাকার জন্য আজতেকরা এই ভাল মন্দর উপাদান শক্তিকেই দেব-দেবী হিসেবে বিশ্বাস করত। প্রকৃতির উপর এই দৃঢ় বিশ্বাস থাকার জন্য তারা এমনও মনে করে যে বাস্তবজীবনের ঘটনাগুলি আবারও ঘটে যায় এবং এই ঘটনার পুনরাবৃত্তির মধ্য থেকে এক ধরনের ছন্দ বা শৃঙ্খলা গড়ে ওঠে।

জন্ম, মৃত্যু নিরবচ্ছিন্নভাবে ঘটে যায়। ঘটতে থাকে তার নিজস্ব স্বাভাবিক নিয়মকে অনুসরণ করে। রাত্রির অবসানে দিন এবং দিনের শেষে সন্ধ্যা, রাত্রিও অমোঘ নিয়মে এসে যায়। এই অন্তহীন প্রকৃতির পরিবর্তন-এর পেছনে থাকে একটি অতিপ্রাকৃত শক্তি। প্রকৃতি এবং তার স্বাভাবিক শক্তির অনিবার্যতা বিচার করে বিশেষজ্ঞ এবং প্রাকৃতিক বিজ্ঞানীরা বলেন যে আজতেকদের ধর্ম হল কার্যত প্রাকৃতিক শক্তির সম্পর্কে ভয়।

বলা যায় তার ভয়াবহতার প্রতি এক ধরনের স্বীকৃতি। আধার অনাদিক থেকে বলা হয় যে মানুষ কীভাবে কি প্রক্রিয়ায় এই শক্তিকে মোকাবিলা বা অস্বীকার করে সেই বিষয়টিও ধর্মের অন্তর্ভুক্ত। বিশেষ করে মানুষ কীভাবে সংস্কৃতি, শিল্প, যন্ত্র, যান্ত্রিক শক্তি, সামাজিক সংগঠন-এর ধারাবাহিক মান নির্ণয় করে বা বিবর্তনকে চিহ্নিত করে সেই কাজটিও ধর্মীয় বিশ্বাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

(চলবে)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২১)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২১)