০৯:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
চাঁদে প্রথম অবতরণ বিশ্বকে মুগ্ধ করেছিল। নতুন করে ফিরে যাওয়ার এই প্রচেষ্টা কি সেই একই উত্তেজনা ফিরিয়ে আনতে পারবে? জেপিমরগান প্রধানের সতর্কবার্তা: ইরান যুদ্ধ বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা আনতে পারে ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় হামলা, প্রাণহানির খবর নেই তেলের দাম ও শেয়ারবাজারে অনিশ্চয়তা, কূটনৈতিক বার্তা ও উত্তেজনার টানাপোড়েন হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনা চরমে, হামলার হুমকিতে পাল্টা জবাবের সতর্কতা ইরানের বেক্সিমকো ফার্মা নির্মিত শিশু হাসপাতালের নতুন বহির্বিভাগ চালু মার্চে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি আয় ১৯.৭৮ শতাংশ কমেছে ইরান-সংক্রান্ত যুদ্ধে মার্কিন নীতি: বিশ্বকে সতর্কবার্তা তেল আবিবে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ, লেবাননে নিহত শিশুদের ছবি নিয়ে প্রতিবাদ যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ৮ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে চুক্তি

  • Sarakhon Report
  • ০৭:৩৮:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল ২০২৪
  • 157

সারাক্ষণ ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বিষয়ে একটি চুক্তি করেছে।  কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পরীক্ষায় একসাথে কাজ করার জন্য এটি একটি যুগান্তকারী চুক্তি।

চুক্তিতে বলা হয়েছে,  দু্ই দেশ এআই সরঞ্জাম এবং তাদের ভিত্তি করে সিস্টেমগুলোর সুরক্ষার মূল্যায়নের জন্য “শক্তিশালী” পদ্ধতিগুলি বিকাশে একসাথে কাজ করবে। এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা  বিষয়ে প্রথম দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।

যুক্তরাজ্যের প্রযুক্তি মন্ত্রী মিশেল ডোনেলান বলেছেন, এটি “আমাদের প্রজন্মের জন্য প্রযুক্তি চ্যালেঞ্জ”। তিনি বলেন, ‘আমরা সবসময়ই স্পষ্ট করে বলেছি যে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিরাপদ উন্নয়ন নিশ্চিত করা একটি যৌথ বৈশ্বিক সমস্যা। চুক্তিটি ২০২৩ সালের নভেম্বরে ব্লেচলি পার্কে অনুষ্ঠিত এআই সুরক্ষা শীর্ষ সম্মেলনে করা প্রতিশ্রুতির উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে।

ওপেনএআই-এর স্যাম অল্টম্যান, গুগল ডিপমাইন্ডের ডেমিস হাসাবিস এবং প্রযুক্তি বিলিয়নিয়ার ইলন মাস্ক সহ এআই কর্তাদের উপস্থিতি ছিলেন। এই অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উভয়ই এআই সেফটি ইনস্টিটিউট তৈরি করেছে যার লক্ষ্য ওপেন এবং ক্লোজ-সোর্স এআই সিস্টেমগুলোর মূল্যায়ন করা। বড় এআই চ্যাটবটগুলোর (চ্যাটজিপিটি, জেমিনি, বিং বট) মধ্যে এখনো প্রতিযোগিতা রয়েছে।

এখন পর্যন্ত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পিছনে প্রায় একচেটিয়াভাবে মার্কিন-ভিত্তিক সংস্থাগুলোর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের এআই আইন আইন হওয়ার পথে রয়েছে এবং এটি কার্যকর হওয়ার পরে নির্দিষ্ট এআই সিস্টেমের বিকাশকারীরা তাদের ঝুঁকি সম্পর্কে স্পষ্ট হবে । এছাড়া ডেটা ব্যবহার বিষয়ে তথ্য ভাগ করতে পারবে।

চুক্তির পরে ওপেনএআই বলেছে,  নির্বাচনের আগে “গুরুতর ঝুঁকি” হিসেবে ভয়েস ক্লোনিং প্রযুক্তি প্রকাশ করবে না।

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদে প্রথম অবতরণ বিশ্বকে মুগ্ধ করেছিল। নতুন করে ফিরে যাওয়ার এই প্রচেষ্টা কি সেই একই উত্তেজনা ফিরিয়ে আনতে পারবে?

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে চুক্তি

০৭:৩৮:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল ২০২৪

সারাক্ষণ ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বিষয়ে একটি চুক্তি করেছে।  কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পরীক্ষায় একসাথে কাজ করার জন্য এটি একটি যুগান্তকারী চুক্তি।

চুক্তিতে বলা হয়েছে,  দু্ই দেশ এআই সরঞ্জাম এবং তাদের ভিত্তি করে সিস্টেমগুলোর সুরক্ষার মূল্যায়নের জন্য “শক্তিশালী” পদ্ধতিগুলি বিকাশে একসাথে কাজ করবে। এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা  বিষয়ে প্রথম দ্বিপাক্ষিক চুক্তি।

যুক্তরাজ্যের প্রযুক্তি মন্ত্রী মিশেল ডোনেলান বলেছেন, এটি “আমাদের প্রজন্মের জন্য প্রযুক্তি চ্যালেঞ্জ”। তিনি বলেন, ‘আমরা সবসময়ই স্পষ্ট করে বলেছি যে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিরাপদ উন্নয়ন নিশ্চিত করা একটি যৌথ বৈশ্বিক সমস্যা। চুক্তিটি ২০২৩ সালের নভেম্বরে ব্লেচলি পার্কে অনুষ্ঠিত এআই সুরক্ষা শীর্ষ সম্মেলনে করা প্রতিশ্রুতির উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে।

ওপেনএআই-এর স্যাম অল্টম্যান, গুগল ডিপমাইন্ডের ডেমিস হাসাবিস এবং প্রযুক্তি বিলিয়নিয়ার ইলন মাস্ক সহ এআই কর্তাদের উপস্থিতি ছিলেন। এই অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উভয়ই এআই সেফটি ইনস্টিটিউট তৈরি করেছে যার লক্ষ্য ওপেন এবং ক্লোজ-সোর্স এআই সিস্টেমগুলোর মূল্যায়ন করা। বড় এআই চ্যাটবটগুলোর (চ্যাটজিপিটি, জেমিনি, বিং বট) মধ্যে এখনো প্রতিযোগিতা রয়েছে।

এখন পর্যন্ত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পিছনে প্রায় একচেটিয়াভাবে মার্কিন-ভিত্তিক সংস্থাগুলোর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের এআই আইন আইন হওয়ার পথে রয়েছে এবং এটি কার্যকর হওয়ার পরে নির্দিষ্ট এআই সিস্টেমের বিকাশকারীরা তাদের ঝুঁকি সম্পর্কে স্পষ্ট হবে । এছাড়া ডেটা ব্যবহার বিষয়ে তথ্য ভাগ করতে পারবে।

চুক্তির পরে ওপেনএআই বলেছে,  নির্বাচনের আগে “গুরুতর ঝুঁকি” হিসেবে ভয়েস ক্লোনিং প্রযুক্তি প্রকাশ করবে না।