০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে লেবানন যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুর: মার্চ থেকে ২,৫০৯ জন নিহত, ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত ২০০৩-এর পর প্রথমবার মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন তিনটি বিমানবাহী রণতরী, উত্তেজনা তীব্র টানা ১১তম বছরে রেকর্ড: বৈশ্বিক সামরিক ব্যয় ২০২৫ সালে ২.৯ ট্রিলিয়ন ডলার ২১ বছর পর গাজা ও পশ্চিম তীরে স্থানীয় নির্বাচন, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ নতুন পথে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এআই মামলা শুরু: মাস্ক বনাম অ্যালটম্যান আদালতে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনারে হামলার আসামি আদালতে, ট্রাম্প প্রশাসনকে টার্গেট করার পরিকল্পনা ছিল হরমুজ প্রণালী আর আগের মতো থাকবে না: ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ঘোষণা মার্কিন-ইরান শান্তি আলোচনা ভেঙে পড়েছে, আরাঘচি পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে সেন্ট পিটার্সবার্গে চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল কর্মী গুলিতে নিহত

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪২)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫
  • 124

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

যুদ্ধবন্দী দাস

নানা প্রথা আচার: লোকাচার উৎসর্গপ্রথার অন্য একটি দিকও উল্লেখ করার মত। এই লোকরীতিটি গড়ে উঠেছে যুদ্ধবন্দীদের কেন্দ্র করে। আজতেক জনগোষ্ঠীর মধ্যে যুদ্ধবন্দীদের খুব উঁচু স্তরের উৎসর্গ বলে মনে করা হয়। যতটা সম্মান উঁচু স্তরের ততটাই কম উৎসর্গ করা হয় তাদের।

সাধারণভাবে অনাড়ম্বর ও ছোটখাটো উৎসবে এই দাসদের উৎসর্গ করা হয়। এছাড়া মেয়ে এবং শিশুদের উর্বরতা উৎসবে উৎসর্গ করার রীতি আছে। তবে খুবই কম অনুষ্ঠানে এদের বলি দেওয়া হয়। এছাড়া মাঝে মধ্যে নরবলি দেওয়াও হয়। এক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করেন যে এই বলি দেওয়া মানুষের রক্ত বা মাংস খেলে খাদকের মধ্যে খাদ্যের সব ভাল গুণ প্রবেশ করে যায়।

এই বিশ্বাসকে লোকাচারের মধ্যে সীমিত না রেখে সহানুভূতি জাদুবিদ্যা বলা যায়। তবে আজতেক সমাজে এই জাদু লোকরীতি বা আচারকে খারাপ বা অমঙ্গলসূচক বলা হয় না। আবার বলি বা উৎসর্গীকৃত প্রাণী বা মানুষের নিজের শরীর থেকে তাজা রক্ত ঝরানোও এক লোকরীতি। অনেক সময় গরীব, রোগগ্রস্ত বা বিপদগ্রস্ত সাধারণ মানুষ নিজের শরীরের জিভ, নাক কেটে রক্ত দেবতাকে স্মরণ করে উৎসর্গ করে।

এই ধরনের প্রথা বা লোকাচার-এর অর্থ হল এর ফলে দেবতারা খুব সন্তুষ্ট ও খুশী হন। রোগ, বিপদ সব কিছু থেকে মুক্ত করেন। এই ধরনের অতিপ্রাকৃত বা অলৌকিক বিশ্বাস ছিল আজতেকদের জীবনযাত্রার অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

(চলবে)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪১)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪১)

হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪২)

০৭:০০:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

যুদ্ধবন্দী দাস

নানা প্রথা আচার: লোকাচার উৎসর্গপ্রথার অন্য একটি দিকও উল্লেখ করার মত। এই লোকরীতিটি গড়ে উঠেছে যুদ্ধবন্দীদের কেন্দ্র করে। আজতেক জনগোষ্ঠীর মধ্যে যুদ্ধবন্দীদের খুব উঁচু স্তরের উৎসর্গ বলে মনে করা হয়। যতটা সম্মান উঁচু স্তরের ততটাই কম উৎসর্গ করা হয় তাদের।

সাধারণভাবে অনাড়ম্বর ও ছোটখাটো উৎসবে এই দাসদের উৎসর্গ করা হয়। এছাড়া মেয়ে এবং শিশুদের উর্বরতা উৎসবে উৎসর্গ করার রীতি আছে। তবে খুবই কম অনুষ্ঠানে এদের বলি দেওয়া হয়। এছাড়া মাঝে মধ্যে নরবলি দেওয়াও হয়। এক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করেন যে এই বলি দেওয়া মানুষের রক্ত বা মাংস খেলে খাদকের মধ্যে খাদ্যের সব ভাল গুণ প্রবেশ করে যায়।

এই বিশ্বাসকে লোকাচারের মধ্যে সীমিত না রেখে সহানুভূতি জাদুবিদ্যা বলা যায়। তবে আজতেক সমাজে এই জাদু লোকরীতি বা আচারকে খারাপ বা অমঙ্গলসূচক বলা হয় না। আবার বলি বা উৎসর্গীকৃত প্রাণী বা মানুষের নিজের শরীর থেকে তাজা রক্ত ঝরানোও এক লোকরীতি। অনেক সময় গরীব, রোগগ্রস্ত বা বিপদগ্রস্ত সাধারণ মানুষ নিজের শরীরের জিভ, নাক কেটে রক্ত দেবতাকে স্মরণ করে উৎসর্গ করে।

এই ধরনের প্রথা বা লোকাচার-এর অর্থ হল এর ফলে দেবতারা খুব সন্তুষ্ট ও খুশী হন। রোগ, বিপদ সব কিছু থেকে মুক্ত করেন। এই ধরনের অতিপ্রাকৃত বা অলৌকিক বিশ্বাস ছিল আজতেকদের জীবনযাত্রার অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

(চলবে)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪১)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪১)