০৭:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে লেবানন যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুর: মার্চ থেকে ২,৫০৯ জন নিহত, ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত ২০০৩-এর পর প্রথমবার মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন তিনটি বিমানবাহী রণতরী, উত্তেজনা তীব্র টানা ১১তম বছরে রেকর্ড: বৈশ্বিক সামরিক ব্যয় ২০২৫ সালে ২.৯ ট্রিলিয়ন ডলার ২১ বছর পর গাজা ও পশ্চিম তীরে স্থানীয় নির্বাচন, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ নতুন পথে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এআই মামলা শুরু: মাস্ক বনাম অ্যালটম্যান আদালতে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনারে হামলার আসামি আদালতে, ট্রাম্প প্রশাসনকে টার্গেট করার পরিকল্পনা ছিল হরমুজ প্রণালী আর আগের মতো থাকবে না: ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ঘোষণা মার্কিন-ইরান শান্তি আলোচনা ভেঙে পড়েছে, আরাঘচি পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে সেন্ট পিটার্সবার্গে চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল কর্মী গুলিতে নিহত

হিউএনচাঙ (পর্ব-৮২)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫
  • 421

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

‘তখন প্রধানমন্ত্রী ভাণ্ডী ও অন্যান্য রাজকর্মচারীরা হর্ষবর্ধনকে সর্বগুণে মণ্ডিত দেখে তাঁকেই রাজা হতে আমন্ত্রণ করলেন। হর্ষবর্ধন প্রথমে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন, পরে সকলের অনুরোধে ‘কুমার শীলাদিত্য’ নাম নিয়ে সিংহাসনে আরোহণ করলেন।

তার পর বহু সৈন্যদল সংগ্রহ করে তিরিশ বছরে পূবে ও পশ্চিমে সমস্ত দেশ জয় করেন। গত ছয় বছর তাঁর আর যুদ্ধ করতে হয় নি। তখন থেকে শান্তিতে রাজত্ব করছেন। ২৩ তিনি নিজে সংযমী। আহার নিদ্রা ত্যাগ করে পুণ্যের বৃক্ষ রোপন করতে আগ্রহান্বিত। তাঁর সমস্ত রাজ্যে জীবহত্যা নিষিদ্ধ।

গঙ্গাতীরে তিনি সহস্র সহস্র ১০০ ফুট উঁচু স্তূপ নির্মাণ করেছেন। সেসব জায়গায় পান্থ ও দরিদ্র অধিবাসীদের জন্যে চিকিৎসক, ঔষধ ও আহার্য রাখা আছে। ‘প্রতি পাঁচ বছরে তিনি এক মহামোক্ষপরিষদ আহ্বান করেন।

এ সময়ে কেবল সৈন্যদের খরচ হাতে রেখে রাজকোষের অন্য সমস্ত অর্থ দান করেন। প্রতি বৎসর তিনি সমস্ত দেশের শ্রমণদের আহ্বানকরে চতুর্থ ও সপ্তম দিনে তাদের চার রকম দান (আহার্য, পানীয়, ঔষধ ও বস্ত্র) বিতরণ করেন।

তার পর বেদী সজ্জিত করে ভিক্ষুদের শাস্ত্র বিচার করতে বলেন আর নিজেই তর্কের ফল বিচার করেন। তিনি সাধুদের পুরস্কৃত করেন, অসাধুদের শাস্তি দেন, নির্গুণকে অবনত করান, গুণীকে উন্নত করেন।

সাধু ও জ্ঞানী ভিক্ষুদের সিংহাসনে বসিয়ে নিজে উপদেশ গ্রহণ করেন। সাধু জ্ঞানী না হলেও ভক্তির পাত্র হন, কিন্তু পূজিত হন না।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৮১)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৮১)

হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে

হিউএনচাঙ (পর্ব-৮২)

০৯:০০:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

‘তখন প্রধানমন্ত্রী ভাণ্ডী ও অন্যান্য রাজকর্মচারীরা হর্ষবর্ধনকে সর্বগুণে মণ্ডিত দেখে তাঁকেই রাজা হতে আমন্ত্রণ করলেন। হর্ষবর্ধন প্রথমে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন, পরে সকলের অনুরোধে ‘কুমার শীলাদিত্য’ নাম নিয়ে সিংহাসনে আরোহণ করলেন।

তার পর বহু সৈন্যদল সংগ্রহ করে তিরিশ বছরে পূবে ও পশ্চিমে সমস্ত দেশ জয় করেন। গত ছয় বছর তাঁর আর যুদ্ধ করতে হয় নি। তখন থেকে শান্তিতে রাজত্ব করছেন। ২৩ তিনি নিজে সংযমী। আহার নিদ্রা ত্যাগ করে পুণ্যের বৃক্ষ রোপন করতে আগ্রহান্বিত। তাঁর সমস্ত রাজ্যে জীবহত্যা নিষিদ্ধ।

গঙ্গাতীরে তিনি সহস্র সহস্র ১০০ ফুট উঁচু স্তূপ নির্মাণ করেছেন। সেসব জায়গায় পান্থ ও দরিদ্র অধিবাসীদের জন্যে চিকিৎসক, ঔষধ ও আহার্য রাখা আছে। ‘প্রতি পাঁচ বছরে তিনি এক মহামোক্ষপরিষদ আহ্বান করেন।

এ সময়ে কেবল সৈন্যদের খরচ হাতে রেখে রাজকোষের অন্য সমস্ত অর্থ দান করেন। প্রতি বৎসর তিনি সমস্ত দেশের শ্রমণদের আহ্বানকরে চতুর্থ ও সপ্তম দিনে তাদের চার রকম দান (আহার্য, পানীয়, ঔষধ ও বস্ত্র) বিতরণ করেন।

তার পর বেদী সজ্জিত করে ভিক্ষুদের শাস্ত্র বিচার করতে বলেন আর নিজেই তর্কের ফল বিচার করেন। তিনি সাধুদের পুরস্কৃত করেন, অসাধুদের শাস্তি দেন, নির্গুণকে অবনত করান, গুণীকে উন্নত করেন।

সাধু ও জ্ঞানী ভিক্ষুদের সিংহাসনে বসিয়ে নিজে উপদেশ গ্রহণ করেন। সাধু জ্ঞানী না হলেও ভক্তির পাত্র হন, কিন্তু পূজিত হন না।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৮১)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৮১)