০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬
পম্পিদু বিদায়ের পাঁচ বছর: প্যারিসের শিল্পভাণ্ডার খুলে যাচ্ছে নতুন রূপের পথে শীতল পাহাড়ে ফেলে রেখে মৃত্যু, দায় কি সঙ্গীর ইরানে অর্থনৈতিক সংকটের আগুনে রক্ত ঝরল, বিক্ষোভে একাধিক মৃত্যু স্ট্রিমিংয়ে ডকুমেন্টারির ভিড়ে বাছাই করা তিন স্মরণীয় ছবি ২০২৬ সালে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের অসম পুনরুদ্ধার টেকসই জীবনধারার দিকে ঝুঁকছে ভোক্তারা দক্ষিণ চীন সাগরে চীন–ফিলিপাইন উত্তেজনা আবারও বাড়ছে এনইআইআর বিরোধী আন্দোলনে মোবাইল দোকান বন্ধ, গাজীপুর–চট্টগ্রাম–খুলনায় বাণিজ্য অচল ঘন কুয়াশায় ঢাকা–মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে একাধিক দুর্ঘটনা, আহত অন্তত ২০ ২০২৬ সালে স্ট্রিমিং কনটেন্টে কড়াকড়ি

সুন্দরবনে মাছ ধরা ও পর্যটনে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা, প্রাণীসম্পদ বৃদ্ধির লক্ষ্য

১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনের নদী ও খালে মাছ ধরা এবং পর্যটকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যাতে মাছ ও বন্যপ্রাণীর প্রজনন বৃদ্ধি পায়।

প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষার জন্য সিজনাল নিষেধাজ্ঞা

সুন্দরবন বন বিভাগ প্রতিবছর এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে থাকে, যা মৎস্য ও বন্যপ্রাণীর প্রজনন বাড়াতে এবং পরিবেশ দূষণ কমাতে সহায়ক। এই বছরের নিষেধাজ্ঞা ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

কঠোর প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা

২৪ মে থেকে সুন্দরবনে মৎস্যজীবী, মধু সংগ্রহকারী এবং পর্যটকদের জন্য প্রবেশ পারমিট ইস্যু বন্ধ রয়েছে। নিষেধাজ্ঞার সময় কেউ সুন্দরবনে প্রবেশ করতে পারবেন না বলে নিশ্চিত করেছেন পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী।

স্থানীয় জীবিকা সহায়তার উদ্যোগ

মাছ ধরার ওপর নির্ভরশীল মৎস্যজীবীদের জন্য খাদ্য সহায়তা ও প্রণোদনার প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। পশ্চিম সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা তানজীর হাসান জানান, মাছ চাষী, মধু সংগ্রহকারী, মৌল ও বাওয়ালিদের জন্যও সহায়তা প্রদান করা হবে।

সুন্দরবনের সংরক্ষণে চলমান উদ্যোগ

এই সিজনাল নিষেধাজ্ঞা সুন্দরবনের সংবেদনশীল পরিবেশ রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা, যা সফল প্রজনন চক্র নিশ্চিত করতে এবং মানবজমিনের প্রভাব কমাতে সাহায্য করে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পম্পিদু বিদায়ের পাঁচ বছর: প্যারিসের শিল্পভাণ্ডার খুলে যাচ্ছে নতুন রূপের পথে

সুন্দরবনে মাছ ধরা ও পর্যটনে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা, প্রাণীসম্পদ বৃদ্ধির লক্ষ্য

০৩:০৮:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনের নদী ও খালে মাছ ধরা এবং পর্যটকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যাতে মাছ ও বন্যপ্রাণীর প্রজনন বৃদ্ধি পায়।

প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষার জন্য সিজনাল নিষেধাজ্ঞা

সুন্দরবন বন বিভাগ প্রতিবছর এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে থাকে, যা মৎস্য ও বন্যপ্রাণীর প্রজনন বাড়াতে এবং পরিবেশ দূষণ কমাতে সহায়ক। এই বছরের নিষেধাজ্ঞা ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

কঠোর প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা

২৪ মে থেকে সুন্দরবনে মৎস্যজীবী, মধু সংগ্রহকারী এবং পর্যটকদের জন্য প্রবেশ পারমিট ইস্যু বন্ধ রয়েছে। নিষেধাজ্ঞার সময় কেউ সুন্দরবনে প্রবেশ করতে পারবেন না বলে নিশ্চিত করেছেন পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী।

স্থানীয় জীবিকা সহায়তার উদ্যোগ

মাছ ধরার ওপর নির্ভরশীল মৎস্যজীবীদের জন্য খাদ্য সহায়তা ও প্রণোদনার প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। পশ্চিম সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা তানজীর হাসান জানান, মাছ চাষী, মধু সংগ্রহকারী, মৌল ও বাওয়ালিদের জন্যও সহায়তা প্রদান করা হবে।

সুন্দরবনের সংরক্ষণে চলমান উদ্যোগ

এই সিজনাল নিষেধাজ্ঞা সুন্দরবনের সংবেদনশীল পরিবেশ রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা, যা সফল প্রজনন চক্র নিশ্চিত করতে এবং মানবজমিনের প্রভাব কমাতে সাহায্য করে।