০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

সুন্দরবনে মাছ ধরা ও পর্যটনে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা, প্রাণীসম্পদ বৃদ্ধির লক্ষ্য

১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনের নদী ও খালে মাছ ধরা এবং পর্যটকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যাতে মাছ ও বন্যপ্রাণীর প্রজনন বৃদ্ধি পায়।

প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষার জন্য সিজনাল নিষেধাজ্ঞা

সুন্দরবন বন বিভাগ প্রতিবছর এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে থাকে, যা মৎস্য ও বন্যপ্রাণীর প্রজনন বাড়াতে এবং পরিবেশ দূষণ কমাতে সহায়ক। এই বছরের নিষেধাজ্ঞা ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

কঠোর প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা

২৪ মে থেকে সুন্দরবনে মৎস্যজীবী, মধু সংগ্রহকারী এবং পর্যটকদের জন্য প্রবেশ পারমিট ইস্যু বন্ধ রয়েছে। নিষেধাজ্ঞার সময় কেউ সুন্দরবনে প্রবেশ করতে পারবেন না বলে নিশ্চিত করেছেন পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী।

স্থানীয় জীবিকা সহায়তার উদ্যোগ

মাছ ধরার ওপর নির্ভরশীল মৎস্যজীবীদের জন্য খাদ্য সহায়তা ও প্রণোদনার প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। পশ্চিম সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা তানজীর হাসান জানান, মাছ চাষী, মধু সংগ্রহকারী, মৌল ও বাওয়ালিদের জন্যও সহায়তা প্রদান করা হবে।

সুন্দরবনের সংরক্ষণে চলমান উদ্যোগ

এই সিজনাল নিষেধাজ্ঞা সুন্দরবনের সংবেদনশীল পরিবেশ রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা, যা সফল প্রজনন চক্র নিশ্চিত করতে এবং মানবজমিনের প্রভাব কমাতে সাহায্য করে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

সুন্দরবনে মাছ ধরা ও পর্যটনে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা, প্রাণীসম্পদ বৃদ্ধির লক্ষ্য

০৩:০৮:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনের নদী ও খালে মাছ ধরা এবং পর্যটকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যাতে মাছ ও বন্যপ্রাণীর প্রজনন বৃদ্ধি পায়।

প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষার জন্য সিজনাল নিষেধাজ্ঞা

সুন্দরবন বন বিভাগ প্রতিবছর এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে থাকে, যা মৎস্য ও বন্যপ্রাণীর প্রজনন বাড়াতে এবং পরিবেশ দূষণ কমাতে সহায়ক। এই বছরের নিষেধাজ্ঞা ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

কঠোর প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা

২৪ মে থেকে সুন্দরবনে মৎস্যজীবী, মধু সংগ্রহকারী এবং পর্যটকদের জন্য প্রবেশ পারমিট ইস্যু বন্ধ রয়েছে। নিষেধাজ্ঞার সময় কেউ সুন্দরবনে প্রবেশ করতে পারবেন না বলে নিশ্চিত করেছেন পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী।

স্থানীয় জীবিকা সহায়তার উদ্যোগ

মাছ ধরার ওপর নির্ভরশীল মৎস্যজীবীদের জন্য খাদ্য সহায়তা ও প্রণোদনার প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। পশ্চিম সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা তানজীর হাসান জানান, মাছ চাষী, মধু সংগ্রহকারী, মৌল ও বাওয়ালিদের জন্যও সহায়তা প্রদান করা হবে।

সুন্দরবনের সংরক্ষণে চলমান উদ্যোগ

এই সিজনাল নিষেধাজ্ঞা সুন্দরবনের সংবেদনশীল পরিবেশ রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা, যা সফল প্রজনন চক্র নিশ্চিত করতে এবং মানবজমিনের প্রভাব কমাতে সাহায্য করে।